ছেলে হত্যার দেড় মাস পর খুলনায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা

ছেলে হত্যার দেড় মাস পর খুলনায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনার রূপসায় ছেলে হত্যার দেড় মাসের মাথায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আক্তার ঢালী (৫৫) দুর্জনীমহল গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে গত ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় একই এলাকার শহীদের মোড়ে তার ছেলে জয় ঢালীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।
রূপসা থানার পুলিশ জানায়, সোমবার মাগরিবের নামাজের পর আক্তার ঢালী স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে চায়ের দোকানে বসে কয়েকজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সেখানে আসে। হেলমেট পরা ওই ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যায়।
পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে চায়ের দোকানের পাশে আক্তার ঢালীকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কারা এবং কী কারণে আক্তার ঢালীকে গুলি করে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, নিহতের ছেলে জয় ঢালীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় একাধিক মামলা ছিল। তাকে হত্যার ঘটনায় তাঁর মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রূপসা উপজেলায় এ পর্যন্ত ১২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে গত রবিবার খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায়ও মোটরসাইকেলে এসে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা জেলার নয়টি থানায় ৩৩টি হত্যা মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গুলিতে হত্যার ঘটনা সাতটি। এসব মামলার মধ্যে ১১টি পারিবারিক বিরোধ, তিনটি মাদক, তিনটি চুরি-ছিনতাই, দুটি আধিপত্য বিস্তার এবং দুটি আর্থিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায়ও একটি হত্যা মামলা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ৩৩টি হত্যা মামলার মধ্যে ২৫টির রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে।
খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে।

খুলনার রূপসায় ছেলে হত্যার দেড় মাসের মাথায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আক্তার ঢালী (৫৫) দুর্জনীমহল গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে গত ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় একই এলাকার শহীদের মোড়ে তার ছেলে জয় ঢালীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।
রূপসা থানার পুলিশ জানায়, সোমবার মাগরিবের নামাজের পর আক্তার ঢালী স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে চায়ের দোকানে বসে কয়েকজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সেখানে আসে। হেলমেট পরা ওই ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যায়।
পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে চায়ের দোকানের পাশে আক্তার ঢালীকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কারা এবং কী কারণে আক্তার ঢালীকে গুলি করে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, নিহতের ছেলে জয় ঢালীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় একাধিক মামলা ছিল। তাকে হত্যার ঘটনায় তাঁর মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রূপসা উপজেলায় এ পর্যন্ত ১২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে গত রবিবার খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায়ও মোটরসাইকেলে এসে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা জেলার নয়টি থানায় ৩৩টি হত্যা মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গুলিতে হত্যার ঘটনা সাতটি। এসব মামলার মধ্যে ১১টি পারিবারিক বিরোধ, তিনটি মাদক, তিনটি চুরি-ছিনতাই, দুটি আধিপত্য বিস্তার এবং দুটি আর্থিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায়ও একটি হত্যা মামলা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ৩৩টি হত্যা মামলার মধ্যে ২৫টির রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে।
খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে।

ছেলে হত্যার দেড় মাস পর খুলনায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনার রূপসায় ছেলে হত্যার দেড় মাসের মাথায় বাবাকেও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আক্তার ঢালী (৫৫) দুর্জনীমহল গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে গত ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় একই এলাকার শহীদের মোড়ে তার ছেলে জয় ঢালীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।
রূপসা থানার পুলিশ জানায়, সোমবার মাগরিবের নামাজের পর আক্তার ঢালী স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে চায়ের দোকানে বসে কয়েকজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সেখানে আসে। হেলমেট পরা ওই ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যায়।
পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে চায়ের দোকানের পাশে আক্তার ঢালীকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কারা এবং কী কারণে আক্তার ঢালীকে গুলি করে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, নিহতের ছেলে জয় ঢালীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় একাধিক মামলা ছিল। তাকে হত্যার ঘটনায় তাঁর মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রূপসা উপজেলায় এ পর্যন্ত ১২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে গত রবিবার খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায়ও মোটরসাইকেলে এসে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা জেলার নয়টি থানায় ৩৩টি হত্যা মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গুলিতে হত্যার ঘটনা সাতটি। এসব মামলার মধ্যে ১১টি পারিবারিক বিরোধ, তিনটি মাদক, তিনটি চুরি-ছিনতাই, দুটি আধিপত্য বিস্তার এবং দুটি আর্থিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায়ও একটি হত্যা মামলা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ৩৩টি হত্যা মামলার মধ্যে ২৫টির রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে।
খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে।









