ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: এটিএম আজহার

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: এটিএম আজহার
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ভোটের ফলাফলে আপনারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে আজকে এই ক্ষমতায় এসেছেন। এটা আপনারাও জানেন, জনগণও জানেন। এই জন্য আপনারা জোর করে সংঘাত অর্জন করে, জোর করে দেশের জনগণের উপর চাপিয়ে থাকতে পারেন না।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় জোটের ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে যার আয়োজন করা হয়।
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ওই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত নেতা আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। আমাদেরকে রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না। রাজপথের আন্দোলনের ফলাফল সরকারি দলের জন্য কখনো কোন সুখকর অবস্থা হয়নি। কোনো সময় হবে না। আমাদেরকে জুলুম অত্যাচারের ভয় দেখাবেন না। সবগুলা পার করে আজকে এই বয়সে আমরা এসেছি। সময় থাকতে যদি সরকার চালাতে চান, জুলাই সনদ মেনে নেন। কার্যকর করেন।
তিনি বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানেই শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায় অস্বীকার করা নয়। ৭০ ভাগ রায় অস্বীকার করার মধ্য দিয়ে আবার তারা আওয়ামী লীগের সেই কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সমস্ত ক্ষমতা দিতে চায়।
জামায়াতের এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমাদেরকে আবার রাজপথে অবস্থান করতে বাধ্য করবেন না। যেটা সংসদের, সংসদে সমাধান করার চেষ্টা করুন। সংসদের কথা যদি আপনি রাজপথে আনতে দেন, রাজপথের আন্দোলন জনগণের কোন সময় বিপল হয়নি। সফল হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি, আপনারা তেলের দাম বাড়াবেন। যদি দাম বাড়ান, আমরা একটা প্রস্তাব থাকলো, আপনাদের কাছে। আপনারা কার্ড দিতে অভ্যস্ত। ফ্যামিলি কার্ড দেন, অমুক কার্ড দেন। দাম বাড়াবেন আমাদের জ্বালানি কার্ড দেবেন। সবাইকে জ্বালানি কার্ড দেন। তাহলে আমরা দাম আপত্তি করবো না।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মখলেসুর রহমান কাসেমী।

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ভোটের ফলাফলে আপনারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে আজকে এই ক্ষমতায় এসেছেন। এটা আপনারাও জানেন, জনগণও জানেন। এই জন্য আপনারা জোর করে সংঘাত অর্জন করে, জোর করে দেশের জনগণের উপর চাপিয়ে থাকতে পারেন না।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় জোটের ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে যার আয়োজন করা হয়।
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ওই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত নেতা আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। আমাদেরকে রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না। রাজপথের আন্দোলনের ফলাফল সরকারি দলের জন্য কখনো কোন সুখকর অবস্থা হয়নি। কোনো সময় হবে না। আমাদেরকে জুলুম অত্যাচারের ভয় দেখাবেন না। সবগুলা পার করে আজকে এই বয়সে আমরা এসেছি। সময় থাকতে যদি সরকার চালাতে চান, জুলাই সনদ মেনে নেন। কার্যকর করেন।
তিনি বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানেই শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায় অস্বীকার করা নয়। ৭০ ভাগ রায় অস্বীকার করার মধ্য দিয়ে আবার তারা আওয়ামী লীগের সেই কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সমস্ত ক্ষমতা দিতে চায়।
জামায়াতের এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমাদেরকে আবার রাজপথে অবস্থান করতে বাধ্য করবেন না। যেটা সংসদের, সংসদে সমাধান করার চেষ্টা করুন। সংসদের কথা যদি আপনি রাজপথে আনতে দেন, রাজপথের আন্দোলন জনগণের কোন সময় বিপল হয়নি। সফল হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি, আপনারা তেলের দাম বাড়াবেন। যদি দাম বাড়ান, আমরা একটা প্রস্তাব থাকলো, আপনাদের কাছে। আপনারা কার্ড দিতে অভ্যস্ত। ফ্যামিলি কার্ড দেন, অমুক কার্ড দেন। দাম বাড়াবেন আমাদের জ্বালানি কার্ড দেবেন। সবাইকে জ্বালানি কার্ড দেন। তাহলে আমরা দাম আপত্তি করবো না।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মখলেসুর রহমান কাসেমী।

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: এটিএম আজহার
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ভোটের ফলাফলে আপনারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে আজকে এই ক্ষমতায় এসেছেন। এটা আপনারাও জানেন, জনগণও জানেন। এই জন্য আপনারা জোর করে সংঘাত অর্জন করে, জোর করে দেশের জনগণের উপর চাপিয়ে থাকতে পারেন না।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় জোটের ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে যার আয়োজন করা হয়।
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ওই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত নেতা আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। আমাদেরকে রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না। রাজপথের আন্দোলনের ফলাফল সরকারি দলের জন্য কখনো কোন সুখকর অবস্থা হয়নি। কোনো সময় হবে না। আমাদেরকে জুলুম অত্যাচারের ভয় দেখাবেন না। সবগুলা পার করে আজকে এই বয়সে আমরা এসেছি। সময় থাকতে যদি সরকার চালাতে চান, জুলাই সনদ মেনে নেন। কার্যকর করেন।
তিনি বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানেই শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায় অস্বীকার করা নয়। ৭০ ভাগ রায় অস্বীকার করার মধ্য দিয়ে আবার তারা আওয়ামী লীগের সেই কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সমস্ত ক্ষমতা দিতে চায়।
জামায়াতের এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমাদেরকে আবার রাজপথে অবস্থান করতে বাধ্য করবেন না। যেটা সংসদের, সংসদে সমাধান করার চেষ্টা করুন। সংসদের কথা যদি আপনি রাজপথে আনতে দেন, রাজপথের আন্দোলন জনগণের কোন সময় বিপল হয়নি। সফল হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি, আপনারা তেলের দাম বাড়াবেন। যদি দাম বাড়ান, আমরা একটা প্রস্তাব থাকলো, আপনাদের কাছে। আপনারা কার্ড দিতে অভ্যস্ত। ফ্যামিলি কার্ড দেন, অমুক কার্ড দেন। দাম বাড়াবেন আমাদের জ্বালানি কার্ড দেবেন। সবাইকে জ্বালানি কার্ড দেন। তাহলে আমরা দাম আপত্তি করবো না।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মখলেসুর রহমান কাসেমী।




