হানাহানি নয়, জনগণের রায় মেনে নেবো: জাহাঙ্গীর হোসেন

হানাহানি নয়, জনগণের রায় মেনে নেবো: জাহাঙ্গীর হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, ভোটের লড়াইয়ে হার-জিত থাকবেই, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই হানাহানির পর্যায়ে না পৌঁছায়।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যে রায় দেবে, সেটা মাথা পেতে নেবো। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর হোসেন।
এদিন সকালে উত্তরার আবদুল্লাহপুরের মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে ভোট দেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন জনগণ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলো। এবার সেই বঞ্চনা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং একটি মানবিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে– যে সরকার হবে জনগণের জন্য।’
এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলে এবং সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সন্ধ্যার ফলাফলে একটি সুন্দর নির্বাচনের প্রতিফলন ঘটবে।
নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কাম্য নয় উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘ভোটের জন্য কেউ যেন হানাহানি বা রাহাজানিতে না জড়ায়। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করবে এবং যার ওপর আস্থা রাখবে, তাকেই ভোট দেবে– এ বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই।’
তিনি আরও যোগ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই তিনি সবার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বিজয়ী হলে কাউকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সবাইকে নিয়েই আগামীর পথ চলতে চান।
সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জন প্রতিনিধি ছাড়াও কমনওয়েলথ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
এছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যমের প্রায় ১৫০ জন সাংবাদিক নির্বাচন কাভারে নিয়োজিত আছেন।

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, ভোটের লড়াইয়ে হার-জিত থাকবেই, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই হানাহানির পর্যায়ে না পৌঁছায়।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যে রায় দেবে, সেটা মাথা পেতে নেবো। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর হোসেন।
এদিন সকালে উত্তরার আবদুল্লাহপুরের মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে ভোট দেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন জনগণ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলো। এবার সেই বঞ্চনা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং একটি মানবিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে– যে সরকার হবে জনগণের জন্য।’
এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলে এবং সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সন্ধ্যার ফলাফলে একটি সুন্দর নির্বাচনের প্রতিফলন ঘটবে।
নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কাম্য নয় উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘ভোটের জন্য কেউ যেন হানাহানি বা রাহাজানিতে না জড়ায়। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করবে এবং যার ওপর আস্থা রাখবে, তাকেই ভোট দেবে– এ বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই।’
তিনি আরও যোগ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই তিনি সবার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বিজয়ী হলে কাউকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সবাইকে নিয়েই আগামীর পথ চলতে চান।
সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জন প্রতিনিধি ছাড়াও কমনওয়েলথ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
এছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যমের প্রায় ১৫০ জন সাংবাদিক নির্বাচন কাভারে নিয়োজিত আছেন।

হানাহানি নয়, জনগণের রায় মেনে নেবো: জাহাঙ্গীর হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, ভোটের লড়াইয়ে হার-জিত থাকবেই, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই হানাহানির পর্যায়ে না পৌঁছায়।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যে রায় দেবে, সেটা মাথা পেতে নেবো। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর হোসেন।
এদিন সকালে উত্তরার আবদুল্লাহপুরের মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে ভোট দেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন জনগণ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলো। এবার সেই বঞ্চনা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং একটি মানবিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে– যে সরকার হবে জনগণের জন্য।’
এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলে এবং সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সন্ধ্যার ফলাফলে একটি সুন্দর নির্বাচনের প্রতিফলন ঘটবে।
নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কাম্য নয় উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘ভোটের জন্য কেউ যেন হানাহানি বা রাহাজানিতে না জড়ায়। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করবে এবং যার ওপর আস্থা রাখবে, তাকেই ভোট দেবে– এ বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই।’
তিনি আরও যোগ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই তিনি সবার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বিজয়ী হলে কাউকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সবাইকে নিয়েই আগামীর পথ চলতে চান।
সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জন প্রতিনিধি ছাড়াও কমনওয়েলথ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
এছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যমের প্রায় ১৫০ জন সাংবাদিক নির্বাচন কাভারে নিয়োজিত আছেন।




