আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে: জামায়াত আমির

আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জামায়াতের সহযোগী সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের মামলায় জামিনে মুক্তির পর তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান আখতারুজ্জামান। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা কারাফটকে তাকে বরণ করে নেন।
গত ২ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগের দিন সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন আখতারুজ্জামান এবং জামায়াতের আরও ৩৪ জন সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে আখতারুজ্জামানের উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল আখতারুজ্জামানদের। সেখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার বক্তব্যের ভাষা কঠিন হয়েছিল।
জামায়াত আমিরের দাবি, আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত দেননি। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলা মিথ্যা।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজের ট্রলি সংকট, ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়ে আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের পর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত করা হয়েছে এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এখন ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আখতারুজ্জামানের প্রশংসা করে জামায়াত আমির বলেন, আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে, কাজ দিচ্ছে। এর ফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে যারা ভোগান্তির শিকার ছিলেন, সেই যাত্রীরা এখন ভোগ করছেন।
সরকারের ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে দেশবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের দুইবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ (জুন) সালে কটিয়াদী আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়লাভ করেন।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জামায়াতের সহযোগী সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের মামলায় জামিনে মুক্তির পর তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান আখতারুজ্জামান। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা কারাফটকে তাকে বরণ করে নেন।
গত ২ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগের দিন সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন আখতারুজ্জামান এবং জামায়াতের আরও ৩৪ জন সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে আখতারুজ্জামানের উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল আখতারুজ্জামানদের। সেখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার বক্তব্যের ভাষা কঠিন হয়েছিল।
জামায়াত আমিরের দাবি, আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত দেননি। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলা মিথ্যা।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজের ট্রলি সংকট, ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়ে আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের পর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত করা হয়েছে এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এখন ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আখতারুজ্জামানের প্রশংসা করে জামায়াত আমির বলেন, আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে, কাজ দিচ্ছে। এর ফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে যারা ভোগান্তির শিকার ছিলেন, সেই যাত্রীরা এখন ভোগ করছেন।
সরকারের ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে দেশবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের দুইবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ (জুন) সালে কটিয়াদী আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়লাভ করেন।

আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জামায়াতের সহযোগী সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের মামলায় জামিনে মুক্তির পর তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান আখতারুজ্জামান। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা কারাফটকে তাকে বরণ করে নেন।
গত ২ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগের দিন সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন আখতারুজ্জামান এবং জামায়াতের আরও ৩৪ জন সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে আখতারুজ্জামানের উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল আখতারুজ্জামানদের। সেখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার বক্তব্যের ভাষা কঠিন হয়েছিল।
জামায়াত আমিরের দাবি, আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত দেননি। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলা মিথ্যা।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজের ট্রলি সংকট, ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়ে আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের পর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত করা হয়েছে এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এখন ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আখতারুজ্জামানের প্রশংসা করে জামায়াত আমির বলেন, আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে, কাজ দিচ্ছে। এর ফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে যারা ভোগান্তির শিকার ছিলেন, সেই যাত্রীরা এখন ভোগ করছেন।
সরকারের ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে দেশবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের দুইবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ (জুন) সালে কটিয়াদী আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়লাভ করেন।

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান







