আওয়ামী লীগকে সহিংসতা করার সুযোগ করে দিয়েছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন

আওয়ামী লীগকে সহিংসতা করার সুযোগ করে দিয়েছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলটির আমিরের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে রাজপথে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ করে দিচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নলডাঙ্গা ভূষণ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসরাইল হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা নিয়ে এসময় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াত যে দাবিগুলো নিয়ে লং মার্চ করছে, এই দাবি এরইমধ্যে সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তারপরেও তারা সরকারের উপরে আস্থা না রেখে আওয়ামী লীগকে রাজপথে সহিংসতা করার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের আন্দোলন (লং মার্চ) শুরু করেছে।
তিনি বলেন, এই শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ যে সহিংসতা করছে, তার দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। কারণ লং মার্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, সরকারের সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। যখন জামায়াতের আমির এই কথা বললেন– এরপরেই শ্রমিক আন্দোলন শুরু হলো। আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ তছনছ শুরু করে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, কোনও সাধারণ শ্রমিক এই ধরনের সহিংসতা করতে পারে না। বরং সাধারণ শ্রমিকরা বলছে– সরকারের কাছে তারা একটি দাবি করেছে যে বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা হতে হবে। সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং তারা সরকারের উপর আস্থা রাখতে চায়। অনেক শ্রমিক এরইমধ্যে কাজে ফিরে গেছে। এই মুহূর্তে যারা আন্দোলন করছে, এরা শ্রমিক নয়। এরা মূলত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরাতে চায়।
রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে হলে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করা লাগবে। আর এক-এগারো সৃষ্টি করা মানে জ্বালাও-পোড়াও। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ এখন শ্রমিক বেশে রাজপথে নেমেছে। তবে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, গণঅভ্যুত্থানের আরেকটি শক্তি যারা এই মুহূর্তে বিরোধী দলে তারা এই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে ‘সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে’ এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে।

জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলটির আমিরের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে রাজপথে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ করে দিচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নলডাঙ্গা ভূষণ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসরাইল হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা নিয়ে এসময় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াত যে দাবিগুলো নিয়ে লং মার্চ করছে, এই দাবি এরইমধ্যে সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তারপরেও তারা সরকারের উপরে আস্থা না রেখে আওয়ামী লীগকে রাজপথে সহিংসতা করার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের আন্দোলন (লং মার্চ) শুরু করেছে।
তিনি বলেন, এই শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ যে সহিংসতা করছে, তার দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। কারণ লং মার্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, সরকারের সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। যখন জামায়াতের আমির এই কথা বললেন– এরপরেই শ্রমিক আন্দোলন শুরু হলো। আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ তছনছ শুরু করে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, কোনও সাধারণ শ্রমিক এই ধরনের সহিংসতা করতে পারে না। বরং সাধারণ শ্রমিকরা বলছে– সরকারের কাছে তারা একটি দাবি করেছে যে বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা হতে হবে। সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং তারা সরকারের উপর আস্থা রাখতে চায়। অনেক শ্রমিক এরইমধ্যে কাজে ফিরে গেছে। এই মুহূর্তে যারা আন্দোলন করছে, এরা শ্রমিক নয়। এরা মূলত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরাতে চায়।
রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে হলে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করা লাগবে। আর এক-এগারো সৃষ্টি করা মানে জ্বালাও-পোড়াও। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ এখন শ্রমিক বেশে রাজপথে নেমেছে। তবে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, গণঅভ্যুত্থানের আরেকটি শক্তি যারা এই মুহূর্তে বিরোধী দলে তারা এই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে ‘সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে’ এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে।

আওয়ামী লীগকে সহিংসতা করার সুযোগ করে দিয়েছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলটির আমিরের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে রাজপথে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ করে দিচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নলডাঙ্গা ভূষণ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসরাইল হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা নিয়ে এসময় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াত যে দাবিগুলো নিয়ে লং মার্চ করছে, এই দাবি এরইমধ্যে সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তারপরেও তারা সরকারের উপরে আস্থা না রেখে আওয়ামী লীগকে রাজপথে সহিংসতা করার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের আন্দোলন (লং মার্চ) শুরু করেছে।
তিনি বলেন, এই শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ যে সহিংসতা করছে, তার দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। কারণ লং মার্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, সরকারের সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। যখন জামায়াতের আমির এই কথা বললেন– এরপরেই শ্রমিক আন্দোলন শুরু হলো। আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ তছনছ শুরু করে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, কোনও সাধারণ শ্রমিক এই ধরনের সহিংসতা করতে পারে না। বরং সাধারণ শ্রমিকরা বলছে– সরকারের কাছে তারা একটি দাবি করেছে যে বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা হতে হবে। সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং তারা সরকারের উপর আস্থা রাখতে চায়। অনেক শ্রমিক এরইমধ্যে কাজে ফিরে গেছে। এই মুহূর্তে যারা আন্দোলন করছে, এরা শ্রমিক নয়। এরা মূলত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরাতে চায়।
রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে হলে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করা লাগবে। আর এক-এগারো সৃষ্টি করা মানে জ্বালাও-পোড়াও। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ এখন শ্রমিক বেশে রাজপথে নেমেছে। তবে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, গণঅভ্যুত্থানের আরেকটি শক্তি যারা এই মুহূর্তে বিরোধী দলে তারা এই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে ‘সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে’ এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে।

গণভোটের রায় না মানলে ৭ দফা এক দফায় রূপ নেবে: জামায়াত আমির







