অক্টোবরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১২, আহত ৩৩৪

অক্টোবরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১২, আহত ৩৩৪
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলে ১২ জন নিহত এবং ৩৩৪ জন আহত হয়েছেন। এ সময় রাজনৈতিক সহিংসতার অন্তত ৭০টি ঘটনা ঘটেছে।
একই সময়ে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন ৩৬ জন। গেল অক্টোবরে কারাগারেও ১৯ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৪৬ সাংবাদিক। আর নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৬১ জন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ১৬ জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা কমলেও ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে অন্তত ৬৮ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছিলেন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। অক্টোবরে নির্বাচনকেন্দ্রিক ছয়টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৫ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে চারটি ঘটনায় ৩১ জন আহত ও একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন দলের মধ্যে দুটি ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।
আধিপত্য বিস্তার, দখলদারিত্ব, রাজনৈতিক সহিংসতা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সারাদেশে অন্তত ২২ ঘটনায় ৭০ বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা, সংঘর্ষ, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আটক ও মামলার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ২০২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও প্রায় ৩১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজনৈতিক, যৌথ অভিযান ও বিশেষ অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে গেল মাসে অন্তত ২৫ হাজার ১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে সারাদেশে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরঅন্যদিকে মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় ৩৬ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে মব সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দুজনকে হেনস্তা, ছয়জন পুলিশ সদস্যকে আহত, সাতটি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা এবং চারটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
অক্টোবর মাসে সাংবাদিক নির্যাতনের অন্তত ২৮ ঘটনায় ৪৬ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এছাড়া আরও নানা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সার্বিক বিষয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ (অক্টোবর) মাসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কিছু সূচকে উন্নতি হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। মাসজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত, ক্যাম্পাসে সহিংসতা, গণপিটুনি ও মব সহিংসতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিক নির্যাতন, নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্তে সহিংসতা এবং শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।’

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলে ১২ জন নিহত এবং ৩৩৪ জন আহত হয়েছেন। এ সময় রাজনৈতিক সহিংসতার অন্তত ৭০টি ঘটনা ঘটেছে।
একই সময়ে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন ৩৬ জন। গেল অক্টোবরে কারাগারেও ১৯ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৪৬ সাংবাদিক। আর নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৬১ জন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ১৬ জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা কমলেও ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে অন্তত ৬৮ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছিলেন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। অক্টোবরে নির্বাচনকেন্দ্রিক ছয়টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৫ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে চারটি ঘটনায় ৩১ জন আহত ও একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন দলের মধ্যে দুটি ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।
আধিপত্য বিস্তার, দখলদারিত্ব, রাজনৈতিক সহিংসতা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সারাদেশে অন্তত ২২ ঘটনায় ৭০ বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা, সংঘর্ষ, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আটক ও মামলার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ২০২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও প্রায় ৩১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজনৈতিক, যৌথ অভিযান ও বিশেষ অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে গেল মাসে অন্তত ২৫ হাজার ১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে সারাদেশে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরঅন্যদিকে মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় ৩৬ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে মব সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দুজনকে হেনস্তা, ছয়জন পুলিশ সদস্যকে আহত, সাতটি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা এবং চারটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
অক্টোবর মাসে সাংবাদিক নির্যাতনের অন্তত ২৮ ঘটনায় ৪৬ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এছাড়া আরও নানা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সার্বিক বিষয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ (অক্টোবর) মাসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কিছু সূচকে উন্নতি হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। মাসজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত, ক্যাম্পাসে সহিংসতা, গণপিটুনি ও মব সহিংসতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিক নির্যাতন, নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্তে সহিংসতা এবং শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।’

অক্টোবরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১২, আহত ৩৩৪
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলে ১২ জন নিহত এবং ৩৩৪ জন আহত হয়েছেন। এ সময় রাজনৈতিক সহিংসতার অন্তত ৭০টি ঘটনা ঘটেছে।
একই সময়ে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন ৩৬ জন। গেল অক্টোবরে কারাগারেও ১৯ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৪৬ সাংবাদিক। আর নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৬১ জন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ১৬ জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা কমলেও ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে অন্তত ৬৮ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছিলেন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। অক্টোবরে নির্বাচনকেন্দ্রিক ছয়টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৫ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে চারটি ঘটনায় ৩১ জন আহত ও একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন দলের মধ্যে দুটি ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।
আধিপত্য বিস্তার, দখলদারিত্ব, রাজনৈতিক সহিংসতা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সারাদেশে অন্তত ২২ ঘটনায় ৭০ বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা, সংঘর্ষ, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আটক ও মামলার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ২০২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও প্রায় ৩১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজনৈতিক, যৌথ অভিযান ও বিশেষ অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে গেল মাসে অন্তত ২৫ হাজার ১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে সারাদেশে গণপিটুনির ৩৩ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরঅন্যদিকে মব সহিংসতার ২২ ঘটনায় ৩৬ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে মব সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দুজনকে হেনস্তা, ছয়জন পুলিশ সদস্যকে আহত, সাতটি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা এবং চারটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
অক্টোবর মাসে সাংবাদিক নির্যাতনের অন্তত ২৮ ঘটনায় ৪৬ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এছাড়া আরও নানা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সার্বিক বিষয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ (অক্টোবর) মাসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কিছু সূচকে উন্নতি হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। মাসজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত, ক্যাম্পাসে সহিংসতা, গণপিটুনি ও মব সহিংসতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিক নির্যাতন, নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্তে সহিংসতা এবং শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।’

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় চার নেতার প্রদর্শনী স্থগিত
৬০ লাখ নেওয়ার পর আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার







