কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ প্রায় এক মাস পর জামিনে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় গত ৪ অক্টোবর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় তাকে সংবর্ধনা জানাতে কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে গত রবিবার (১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। তবে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (২ নভেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তবে কারামুক্তির সময় উপস্থিত জামায়াতের নেতা কিংবা আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত জানা যায়নি।
গত ২ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাঁদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এতে বলা হয়, যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ওই সময় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয় এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পরদিন ২ অক্টোবর বিকালে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দায়রা আদালতেও জামিন আবেদন নাকচ হলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

দীর্ঘ প্রায় এক মাস পর জামিনে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় গত ৪ অক্টোবর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় তাকে সংবর্ধনা জানাতে কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে গত রবিবার (১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। তবে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (২ নভেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তবে কারামুক্তির সময় উপস্থিত জামায়াতের নেতা কিংবা আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত জানা যায়নি।
গত ২ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাঁদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এতে বলা হয়, যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ওই সময় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয় এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পরদিন ২ অক্টোবর বিকালে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দায়রা আদালতেও জামিন আবেদন নাকচ হলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ প্রায় এক মাস পর জামিনে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় গত ৪ অক্টোবর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় তাকে সংবর্ধনা জানাতে কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে গত রবিবার (১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। তবে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (২ নভেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তবে কারামুক্তির সময় উপস্থিত জামায়াতের নেতা কিংবা আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত জানা যায়নি।
গত ২ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাঁদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এতে বলা হয়, যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ওই সময় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয় এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পরদিন ২ অক্টোবর বিকালে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দায়রা আদালতেও জামিন আবেদন নাকচ হলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

জামিন পেলেন জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান
মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি 







