সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই: জামায়াত

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই: জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদে ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি একান্তই স্বৈরাচারের দোষর।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহের বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত এবং স্বৈরাচারের সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে কারণে নতুন সংসদ অধিবেশনে তার ভাষণ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই।
তিনি বলেন, এই স্বৈরাচারী সরকারের সহায়তাকারী রাষ্ট্রপতি কেন সংসদের নতুন অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা বিষয়টি মেনে নিতে পারি না।
এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপি কেন রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিষয়ে আপত্তি তুলছে না। তিনি বলেন, বিএনপি কী কারণে এ কাজটি করছে, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।
সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ডা. তাহের বলেন, বিরোধী দলের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব এলে পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোন কোন নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয় উত্থাপন করা হবে তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ডা. তাহের জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামীকালের বৈঠকে নেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদে ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি একান্তই স্বৈরাচারের দোষর।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহের বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত এবং স্বৈরাচারের সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে কারণে নতুন সংসদ অধিবেশনে তার ভাষণ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই।
তিনি বলেন, এই স্বৈরাচারী সরকারের সহায়তাকারী রাষ্ট্রপতি কেন সংসদের নতুন অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা বিষয়টি মেনে নিতে পারি না।
এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপি কেন রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিষয়ে আপত্তি তুলছে না। তিনি বলেন, বিএনপি কী কারণে এ কাজটি করছে, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।
সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ডা. তাহের বলেন, বিরোধী দলের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব এলে পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোন কোন নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয় উত্থাপন করা হবে তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ডা. তাহের জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামীকালের বৈঠকে নেওয়া হবে।

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই: জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদে ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি একান্তই স্বৈরাচারের দোষর।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহের বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত এবং স্বৈরাচারের সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে কারণে নতুন সংসদ অধিবেশনে তার ভাষণ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই।
তিনি বলেন, এই স্বৈরাচারী সরকারের সহায়তাকারী রাষ্ট্রপতি কেন সংসদের নতুন অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা বিষয়টি মেনে নিতে পারি না।
এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপি কেন রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিষয়ে আপত্তি তুলছে না। তিনি বলেন, বিএনপি কী কারণে এ কাজটি করছে, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।
সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ডা. তাহের বলেন, বিরোধী দলের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব এলে পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোন কোন নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয় উত্থাপন করা হবে তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ডা. তাহের জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামীকালের বৈঠকে নেওয়া হবে।




