বাংলাবাজারের বাহারি ইফতারি

বাংলাবাজারের বাহারি ইফতারি
জবি প্রতিনিধি

‘রমজানে বাংলাবাজারে না আইলে ইফতারের আমেজটাই পাওয়া যায় না। এত বছর ধইর্যা এখান থেইকক্যাই ইফতার কিনি। এইখানকার পেঁয়াজু, বেগুনি আর হালিমের স্বাদই আলাদা।’
শনিবার (৭ মার্চ) এভাবেই পুরান ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলেন ইফতার কিনতে আসা স্থানীয় এক ক্রেতা। রমজান এলেই পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় জমে ওঠে ইফতারের বাজার, যেখান থেবকে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুই পান ক্রেতারা।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাবাজারের নর্থব্রুক হল রোডের দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান বসেছে। দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, শামি কাবাব, চিকেন রোল, মালাই রুটি, হালিমসহ ইফতারির নানা পদ। এসব দোকানে ভিড় করছেন রোজাদাররা।
এ ছাড়া ইফতারের জন্য ফলমূল কিনতেও দেখা যায় অনেক ক্রেতাকে। রাস্তার পাশে অস্থায়ী ফলের দোকানগুলোতে খেজুর, তরমুজ, বাঙ্গি, আপেল ও আঙুর বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই পেঁয়াজু, বুট, মুড়ির পাশাপাশি ফলমূল কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন ইফতারের জন্য।
দোকানগুলোতে দেখা যায়, প্রতিটি বেগুনি ১০ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, আলুর চপ ১৫ টাকা এবং শামি কাবাব ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিকেন রোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে পরিমাণ অনুযায়ী হালিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। অনেক দোকানে আবার প্যাকেট আকারে বিভিন্ন ইফতার একসঙ্গে বিক্রি করতে দেখা যায়, যার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

পুরান ঢাকার কাঠেরপুল থেকে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ‘পুরান ঢাকার ইফতারের আলাদা একটা ঐতিহ্য আছে। এখানে সবকিছু একসঙ্গে পাওয়া যায়, তাই প্রতিদিনই ইফতারের আগে একটু ঘুরে যাই। বিশেষ করে এখানকার হালিম আর কাবাব খুব ভালো লাগে।’
বাংলাবাজারের কয়েকটি স্থায়ী রেস্তোরাঁর সামনেও ইফতারের নানা পণ্য বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ক্যাফে কর্নার, বাংলাবাজার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফে মায়ের দোয়ার সামনে ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন কর্মচারীরা।
ক্যাফে কর্নারের সামনে অস্থায়ী দোকানে চাপ, বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, মাটন চপ, চিকেন রোস্ট, কাটলেট ও হালিম বিক্রি করতে দেখা যায়। ইফতারের সময় এসব খাবার কিনতে ভিড় করেন ক্রেতারা।
ক্যাফে কর্নারের মালিক সোলাইমান মাল্লিক বলেন, ‘রমজান এলেই আমাদের এখানে ক্রেতা অনেক বেড়ে যায়। তাই ইফতারকে কেন্দ্র করে দোকানের সামনে অস্থায়ীভাবে বিভিন্ন আইটেম সাজিয়ে বিক্রি করছি। বিশেষ করে ক্রাপচাপ, মাটন চপ, কাটলেট আর পেঁয়াজুর চাহিদা বেশি থাকে। আমরা চেষ্টা করি মান ঠিক রেখে খাবার দিতে, যাতে ক্রেতারা সন্তুষ্ট থাকেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিকেল তিনটার পর থেকেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন। অনেকেই বছরের পর বছর এখান থেকে ইফতার কিনে নিয়ে যান। রমজান মাসে এই ইফতার বিক্রিই আমাদের ব্যবসার একটি বড় অংশ।”
প্রতিবছর রমজান মাসে পুরান ঢাকার বাংলাবাজারে বাহারি ও সুস্বাদু ইফতার নিয়ে বসেন ক্রেতারা। প্রতিদিন বিকেলে জমে ওঠা এই বাজারে শুধু স্থানীয়রাই নয়, আশপাশের এলাকা থেকেও অনেক ক্রেতা আসছে। সারা দিন রোজা রাখার পর পছন্দের ইফতার খেয়ে রোজাদাররা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করেন। ঢাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার সব মুখরোচক, উন্নতমান ও স্বাদের ইফতারের সুনাম।

‘রমজানে বাংলাবাজারে না আইলে ইফতারের আমেজটাই পাওয়া যায় না। এত বছর ধইর্যা এখান থেইকক্যাই ইফতার কিনি। এইখানকার পেঁয়াজু, বেগুনি আর হালিমের স্বাদই আলাদা।’
শনিবার (৭ মার্চ) এভাবেই পুরান ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলেন ইফতার কিনতে আসা স্থানীয় এক ক্রেতা। রমজান এলেই পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় জমে ওঠে ইফতারের বাজার, যেখান থেবকে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুই পান ক্রেতারা।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাবাজারের নর্থব্রুক হল রোডের দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান বসেছে। দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, শামি কাবাব, চিকেন রোল, মালাই রুটি, হালিমসহ ইফতারির নানা পদ। এসব দোকানে ভিড় করছেন রোজাদাররা।
এ ছাড়া ইফতারের জন্য ফলমূল কিনতেও দেখা যায় অনেক ক্রেতাকে। রাস্তার পাশে অস্থায়ী ফলের দোকানগুলোতে খেজুর, তরমুজ, বাঙ্গি, আপেল ও আঙুর বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই পেঁয়াজু, বুট, মুড়ির পাশাপাশি ফলমূল কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন ইফতারের জন্য।
দোকানগুলোতে দেখা যায়, প্রতিটি বেগুনি ১০ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, আলুর চপ ১৫ টাকা এবং শামি কাবাব ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিকেন রোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে পরিমাণ অনুযায়ী হালিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। অনেক দোকানে আবার প্যাকেট আকারে বিভিন্ন ইফতার একসঙ্গে বিক্রি করতে দেখা যায়, যার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

পুরান ঢাকার কাঠেরপুল থেকে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ‘পুরান ঢাকার ইফতারের আলাদা একটা ঐতিহ্য আছে। এখানে সবকিছু একসঙ্গে পাওয়া যায়, তাই প্রতিদিনই ইফতারের আগে একটু ঘুরে যাই। বিশেষ করে এখানকার হালিম আর কাবাব খুব ভালো লাগে।’
বাংলাবাজারের কয়েকটি স্থায়ী রেস্তোরাঁর সামনেও ইফতারের নানা পণ্য বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ক্যাফে কর্নার, বাংলাবাজার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফে মায়ের দোয়ার সামনে ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন কর্মচারীরা।
ক্যাফে কর্নারের সামনে অস্থায়ী দোকানে চাপ, বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, মাটন চপ, চিকেন রোস্ট, কাটলেট ও হালিম বিক্রি করতে দেখা যায়। ইফতারের সময় এসব খাবার কিনতে ভিড় করেন ক্রেতারা।
ক্যাফে কর্নারের মালিক সোলাইমান মাল্লিক বলেন, ‘রমজান এলেই আমাদের এখানে ক্রেতা অনেক বেড়ে যায়। তাই ইফতারকে কেন্দ্র করে দোকানের সামনে অস্থায়ীভাবে বিভিন্ন আইটেম সাজিয়ে বিক্রি করছি। বিশেষ করে ক্রাপচাপ, মাটন চপ, কাটলেট আর পেঁয়াজুর চাহিদা বেশি থাকে। আমরা চেষ্টা করি মান ঠিক রেখে খাবার দিতে, যাতে ক্রেতারা সন্তুষ্ট থাকেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিকেল তিনটার পর থেকেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন। অনেকেই বছরের পর বছর এখান থেকে ইফতার কিনে নিয়ে যান। রমজান মাসে এই ইফতার বিক্রিই আমাদের ব্যবসার একটি বড় অংশ।”
প্রতিবছর রমজান মাসে পুরান ঢাকার বাংলাবাজারে বাহারি ও সুস্বাদু ইফতার নিয়ে বসেন ক্রেতারা। প্রতিদিন বিকেলে জমে ওঠা এই বাজারে শুধু স্থানীয়রাই নয়, আশপাশের এলাকা থেকেও অনেক ক্রেতা আসছে। সারা দিন রোজা রাখার পর পছন্দের ইফতার খেয়ে রোজাদাররা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করেন। ঢাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার সব মুখরোচক, উন্নতমান ও স্বাদের ইফতারের সুনাম।

বাংলাবাজারের বাহারি ইফতারি
জবি প্রতিনিধি

‘রমজানে বাংলাবাজারে না আইলে ইফতারের আমেজটাই পাওয়া যায় না। এত বছর ধইর্যা এখান থেইকক্যাই ইফতার কিনি। এইখানকার পেঁয়াজু, বেগুনি আর হালিমের স্বাদই আলাদা।’
শনিবার (৭ মার্চ) এভাবেই পুরান ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলেন ইফতার কিনতে আসা স্থানীয় এক ক্রেতা। রমজান এলেই পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় জমে ওঠে ইফতারের বাজার, যেখান থেবকে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুই পান ক্রেতারা।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাবাজারের নর্থব্রুক হল রোডের দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান বসেছে। দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, শামি কাবাব, চিকেন রোল, মালাই রুটি, হালিমসহ ইফতারির নানা পদ। এসব দোকানে ভিড় করছেন রোজাদাররা।
এ ছাড়া ইফতারের জন্য ফলমূল কিনতেও দেখা যায় অনেক ক্রেতাকে। রাস্তার পাশে অস্থায়ী ফলের দোকানগুলোতে খেজুর, তরমুজ, বাঙ্গি, আপেল ও আঙুর বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই পেঁয়াজু, বুট, মুড়ির পাশাপাশি ফলমূল কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন ইফতারের জন্য।
দোকানগুলোতে দেখা যায়, প্রতিটি বেগুনি ১০ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, আলুর চপ ১৫ টাকা এবং শামি কাবাব ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিকেন রোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে পরিমাণ অনুযায়ী হালিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। অনেক দোকানে আবার প্যাকেট আকারে বিভিন্ন ইফতার একসঙ্গে বিক্রি করতে দেখা যায়, যার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

পুরান ঢাকার কাঠেরপুল থেকে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ‘পুরান ঢাকার ইফতারের আলাদা একটা ঐতিহ্য আছে। এখানে সবকিছু একসঙ্গে পাওয়া যায়, তাই প্রতিদিনই ইফতারের আগে একটু ঘুরে যাই। বিশেষ করে এখানকার হালিম আর কাবাব খুব ভালো লাগে।’
বাংলাবাজারের কয়েকটি স্থায়ী রেস্তোরাঁর সামনেও ইফতারের নানা পণ্য বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ক্যাফে কর্নার, বাংলাবাজার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফে মায়ের দোয়ার সামনে ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন কর্মচারীরা।
ক্যাফে কর্নারের সামনে অস্থায়ী দোকানে চাপ, বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, মাটন চপ, চিকেন রোস্ট, কাটলেট ও হালিম বিক্রি করতে দেখা যায়। ইফতারের সময় এসব খাবার কিনতে ভিড় করেন ক্রেতারা।
ক্যাফে কর্নারের মালিক সোলাইমান মাল্লিক বলেন, ‘রমজান এলেই আমাদের এখানে ক্রেতা অনেক বেড়ে যায়। তাই ইফতারকে কেন্দ্র করে দোকানের সামনে অস্থায়ীভাবে বিভিন্ন আইটেম সাজিয়ে বিক্রি করছি। বিশেষ করে ক্রাপচাপ, মাটন চপ, কাটলেট আর পেঁয়াজুর চাহিদা বেশি থাকে। আমরা চেষ্টা করি মান ঠিক রেখে খাবার দিতে, যাতে ক্রেতারা সন্তুষ্ট থাকেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিকেল তিনটার পর থেকেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন। অনেকেই বছরের পর বছর এখান থেকে ইফতার কিনে নিয়ে যান। রমজান মাসে এই ইফতার বিক্রিই আমাদের ব্যবসার একটি বড় অংশ।”
প্রতিবছর রমজান মাসে পুরান ঢাকার বাংলাবাজারে বাহারি ও সুস্বাদু ইফতার নিয়ে বসেন ক্রেতারা। প্রতিদিন বিকেলে জমে ওঠা এই বাজারে শুধু স্থানীয়রাই নয়, আশপাশের এলাকা থেকেও অনেক ক্রেতা আসছে। সারা দিন রোজা রাখার পর পছন্দের ইফতার খেয়ে রোজাদাররা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করেন। ঢাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার সব মুখরোচক, উন্নতমান ও স্বাদের ইফতারের সুনাম।




