তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, সমাহিত হবেন মিরপুর

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, সমাহিত হবেন মিরপুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে লন্ডন থেকে তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রথমে বাসায় নেওয়া হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে রাখা হবে। এ সময় বন্ধু, স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বিকেল ৩টায় ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠেই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বিকেল ৫টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর জোহরের নামাজের পর পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইন মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাবেক সহকর্মী ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
গত ১ অক্টোবর রাতে ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লন্ডনের সেন্ট বার্থোলোমিউস হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান যে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ২ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সাল থেকে নিজ মালিকানাধীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আগে তিনি বাংলাদেশের ব্রডশিট পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। পরে যুক্তরাজ্যের বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক ও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ঢাকা ও লন্ডনসহ বিভিন্ন জায়গায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণও নেন তিনি।
সম্প্রচার, প্রিন্ট ও ডিজিটাল– তিন মাধ্যমেই সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ছিল খালিদীর। ব্যবসা, রাজনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।
২০১৭ সালে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কারে বিশেষ সম্মাননা পান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ডিজিটাল বাংলাদেশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৎকালীন জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
দেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশেও তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ নতুন ব্যবস্থাপনায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নামে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজকে ইন্টারনেটে বাংলাদেশের প্রথম সার্বক্ষণিক সংবাদ প্রকাশক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে লন্ডন থেকে তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রথমে বাসায় নেওয়া হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে রাখা হবে। এ সময় বন্ধু, স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বিকেল ৩টায় ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠেই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বিকেল ৫টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর জোহরের নামাজের পর পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইন মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাবেক সহকর্মী ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
গত ১ অক্টোবর রাতে ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লন্ডনের সেন্ট বার্থোলোমিউস হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান যে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ২ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সাল থেকে নিজ মালিকানাধীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আগে তিনি বাংলাদেশের ব্রডশিট পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। পরে যুক্তরাজ্যের বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক ও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ঢাকা ও লন্ডনসহ বিভিন্ন জায়গায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণও নেন তিনি।
সম্প্রচার, প্রিন্ট ও ডিজিটাল– তিন মাধ্যমেই সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ছিল খালিদীর। ব্যবসা, রাজনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।
২০১৭ সালে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কারে বিশেষ সম্মাননা পান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ডিজিটাল বাংলাদেশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৎকালীন জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
দেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশেও তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ নতুন ব্যবস্থাপনায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নামে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজকে ইন্টারনেটে বাংলাদেশের প্রথম সার্বক্ষণিক সংবাদ প্রকাশক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, সমাহিত হবেন মিরপুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে লন্ডন থেকে তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রথমে বাসায় নেওয়া হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে রাখা হবে। এ সময় বন্ধু, স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বিকেল ৩টায় ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠেই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বিকেল ৫টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর জোহরের নামাজের পর পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইন মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাবেক সহকর্মী ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
গত ১ অক্টোবর রাতে ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লন্ডনের সেন্ট বার্থোলোমিউস হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান যে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ২ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সাল থেকে নিজ মালিকানাধীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আগে তিনি বাংলাদেশের ব্রডশিট পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। পরে যুক্তরাজ্যের বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক ও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ঢাকা ও লন্ডনসহ বিভিন্ন জায়গায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণও নেন তিনি।
সম্প্রচার, প্রিন্ট ও ডিজিটাল– তিন মাধ্যমেই সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ছিল খালিদীর। ব্যবসা, রাজনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।
২০১৭ সালে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কারে বিশেষ সম্মাননা পান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ডিজিটাল বাংলাদেশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৎকালীন জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
দেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশেও তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ নতুন ব্যবস্থাপনায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নামে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজকে ইন্টারনেটে বাংলাদেশের প্রথম সার্বক্ষণিক সংবাদ প্রকাশক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই







