বাজেট অধিবেশন চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত

বাজেট অধিবেশন চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। রবিবার (৭ জুন) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাজেট অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্ন করার জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়। সাধারণত বাজেট আলোচনার জন্য মোট ৪০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩ টায় অধিবেশন শুরু হবে।
বৈঠকে প্রস্তাব করা হয়, ২৭ থেকে ৩০ জুন এ চারদিন প্রতিদিন দুই বেলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৯১টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩ হাজার ৩৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩ হাজার ২২৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৯৮টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবে (বিধি-১৩১) ২৯৩ টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধীদলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির। এতে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অংশগ্রহণ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। রবিবার (৭ জুন) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাজেট অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্ন করার জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়। সাধারণত বাজেট আলোচনার জন্য মোট ৪০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩ টায় অধিবেশন শুরু হবে।
বৈঠকে প্রস্তাব করা হয়, ২৭ থেকে ৩০ জুন এ চারদিন প্রতিদিন দুই বেলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৯১টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩ হাজার ৩৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩ হাজার ২২৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৯৮টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবে (বিধি-১৩১) ২৯৩ টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধীদলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির। এতে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অংশগ্রহণ করেন।

বাজেট অধিবেশন চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। রবিবার (৭ জুন) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাজেট অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্ন করার জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়। সাধারণত বাজেট আলোচনার জন্য মোট ৪০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩ টায় অধিবেশন শুরু হবে।
বৈঠকে প্রস্তাব করা হয়, ২৭ থেকে ৩০ জুন এ চারদিন প্রতিদিন দুই বেলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৯১টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩ হাজার ৩৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩ হাজার ২২৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৯৮টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবে (বিধি-১৩১) ২৯৩ টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধীদলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির। এতে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অংশগ্রহণ করেন।




