জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ভাষণ শুরু করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
ভাষণে যেকোনো সংঘাতের সমাধানের জন্য আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, বিবাদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই হওয়া উচিত দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যাশা এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব সমাজ, যেখানে মারণাস্ত্র নয়; বরং পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা।
বাংলাদেশ জাতিসংঘকে এমন একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ভাষণে তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ভাষণের শেষে বিশ্ব মানবতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগের পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেনে প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ভাষণ শুরু করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
ভাষণে যেকোনো সংঘাতের সমাধানের জন্য আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, বিবাদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই হওয়া উচিত দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যাশা এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব সমাজ, যেখানে মারণাস্ত্র নয়; বরং পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা।
বাংলাদেশ জাতিসংঘকে এমন একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ভাষণে তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ভাষণের শেষে বিশ্ব মানবতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগের পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেনে প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ভাষণ শুরু করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
ভাষণে যেকোনো সংঘাতের সমাধানের জন্য আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, বিবাদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই হওয়া উচিত দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যাশা এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব সমাজ, যেখানে মারণাস্ত্র নয়; বরং পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা।
বাংলাদেশ জাতিসংঘকে এমন একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ভাষণে তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ভাষণের শেষে বিশ্ব মানবতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগের পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেনে প্রধানমন্ত্রী।

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, হরমুজে বাংলাদেশের জাহাজ নিয়ে আলোচনা







