ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়ল লিটারে ২০ টাকা

ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়ল লিটারে ২০ টাকা
সিজেডএন ডেস্ক

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন দাম কার্যকর হবে সোমবার থেকে।
নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।
এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা ও অকটেন ১৪৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। অর্থাৎ একদিনে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই ২০ টাকা করে বাড়ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে পুরোপুরি তা সমন্বয় করা হয়নি।
এতে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। একই সময়ে কেরোসিন ১৮ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। পরে জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দাম অপরিবর্তিত ছিল।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে প্রতি লিটার ডিজেলে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই হিসাবে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে।
লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন দাম কার্যকর হলে পরিবহন ও কৃষি খাতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন দাম কার্যকর হবে সোমবার থেকে।
নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।
এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা ও অকটেন ১৪৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। অর্থাৎ একদিনে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই ২০ টাকা করে বাড়ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে পুরোপুরি তা সমন্বয় করা হয়নি।
এতে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। একই সময়ে কেরোসিন ১৮ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। পরে জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দাম অপরিবর্তিত ছিল।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে প্রতি লিটার ডিজেলে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই হিসাবে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে।
লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন দাম কার্যকর হলে পরিবহন ও কৃষি খাতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।

ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়ল লিটারে ২০ টাকা
সিজেডএন ডেস্ক

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন দাম কার্যকর হবে সোমবার থেকে।
নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।
এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা ও অকটেন ১৪৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। অর্থাৎ একদিনে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই ২০ টাকা করে বাড়ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে পুরোপুরি তা সমন্বয় করা হয়নি।
এতে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। একই সময়ে কেরোসিন ১৮ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। পরে জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দাম অপরিবর্তিত ছিল।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে প্রতি লিটার ডিজেলে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই হিসাবে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে।
লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন দাম কার্যকর হলে পরিবহন ও কৃষি খাতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।









