আজীবন পারিবারিক পেনশন পেতে যে শর্ত মানতে হবে

আজীবন পারিবারিক পেনশন পেতে যে শর্ত মানতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিজীবীর মৃত্যুর পর তার পরিবারকে দেওয়া পারিবারিক পেনশন নিয়ে নতুন নিয়ম করেছে সরকার। মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে এ সুবিধা পেতে বছরে একবার আবার বিয়ে না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এই অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নতুন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের বিধানগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় সরকারি কর্মচারীর চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে নিট পেনশনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি পর্যন্ত ধরা হয়েছে। সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতেই পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।
৫ বছর চাকরিতে মূল বেতনের ২১ শতাংশ, ১০ বছরে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ হারে পেনশন নির্ধারিত হবে।
এরপর ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ এবং ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ হারে পেনশন পাওয়া যাবে। আর ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।
গত ৩০ জুন যে নিট পেনশন পাওয়া গেছে, সেটিকে ভিত্তি ধরে বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে।
৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে নতুন পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।
৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন পেনশন দাঁড়াবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা।
৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা।
আর ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে নতুন নিট পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
তবে বর্তমানে যাঁরা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশন পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হবে।
নতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার পরিবর্তন করা হয়নি। ৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় ২৬৫ টাকা, ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে ২৬০ টাকা, ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক নির্ধারিত রয়েছে।
অবসরের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত শর্তে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে ছুটি নগদায়নের সুবিধা পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি কোনো কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষমতা দেখা দিলে কিংবা মৃত্যু হলে, নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীর মৃত্যুর পর তার পরিবারকে দেওয়া পারিবারিক পেনশন নিয়ে নতুন নিয়ম করেছে সরকার। মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে এ সুবিধা পেতে বছরে একবার আবার বিয়ে না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এই অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নতুন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের বিধানগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় সরকারি কর্মচারীর চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে নিট পেনশনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি পর্যন্ত ধরা হয়েছে। সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতেই পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।
৫ বছর চাকরিতে মূল বেতনের ২১ শতাংশ, ১০ বছরে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ হারে পেনশন নির্ধারিত হবে।
এরপর ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ এবং ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ হারে পেনশন পাওয়া যাবে। আর ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।
গত ৩০ জুন যে নিট পেনশন পাওয়া গেছে, সেটিকে ভিত্তি ধরে বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে।
৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে নতুন পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।
৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন পেনশন দাঁড়াবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা।
৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা।
আর ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে নতুন নিট পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
তবে বর্তমানে যাঁরা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশন পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হবে।
নতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার পরিবর্তন করা হয়নি। ৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় ২৬৫ টাকা, ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে ২৬০ টাকা, ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক নির্ধারিত রয়েছে।
অবসরের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত শর্তে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে ছুটি নগদায়নের সুবিধা পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি কোনো কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষমতা দেখা দিলে কিংবা মৃত্যু হলে, নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।

আজীবন পারিবারিক পেনশন পেতে যে শর্ত মানতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিজীবীর মৃত্যুর পর তার পরিবারকে দেওয়া পারিবারিক পেনশন নিয়ে নতুন নিয়ম করেছে সরকার। মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে এ সুবিধা পেতে বছরে একবার আবার বিয়ে না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এই অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নতুন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের বিধানগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় সরকারি কর্মচারীর চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে নিট পেনশনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি পর্যন্ত ধরা হয়েছে। সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতেই পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।
৫ বছর চাকরিতে মূল বেতনের ২১ শতাংশ, ১০ বছরে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ হারে পেনশন নির্ধারিত হবে।
এরপর ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ এবং ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ হারে পেনশন পাওয়া যাবে। আর ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।
গত ৩০ জুন যে নিট পেনশন পাওয়া গেছে, সেটিকে ভিত্তি ধরে বিদ্যমান পেনশনভোগীদের নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে।
৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে নতুন পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।
৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন পেনশন দাঁড়াবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা।
৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা।
আর ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে নতুন নিট পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা।
তবে বর্তমানে যাঁরা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশন পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হবে।
নতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার পরিবর্তন করা হয়নি। ৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় ২৬৫ টাকা, ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে ২৬০ টাকা, ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক নির্ধারিত রয়েছে।
অবসরের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত শর্তে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে ছুটি নগদায়নের সুবিধা পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি কোনো কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষমতা দেখা দিলে কিংবা মৃত্যু হলে, নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।









