এ বছরই দেশে ফিরবো: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা

এ বছরই দেশে ফিরবো: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রায় ২ বছর দেশের বাইরে থাকা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র এবং আইনি বাধা উপেক্ষা করে এ বছরই তিনি দেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গত ২৩ জুন ছিল আওয়ামী লিগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, এ বছরই ফিরে যাবো আমি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি শক্তি। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অর্থ দেশের স্বাধীনতার উপর হামলা।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ গৃহহীন, কারও বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা, কেউ আহত, অঙ্গহানি হয়েছে কারও, অনেকে আবার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। এতকিছুর পরও দল মনোবল হারায়নি। তিনি বলেন, আমার অনুপস্থিতি কিন্তু নীরবতা নয়। আমি দূরে থাকলেও, বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। আওয়ামী লীগের প্রত্যেক কর্মীর আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং কষ্ট অনুভব করেছি আমি।
নির্বাসিত জীবনে থাকা শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমার এই সংগ্রাম।
মৃত্যুকে ভয় পান না জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো কঠিন সময় পার করেছি। প্রতিবারই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং এবারও সব বাধা অতিক্রম করে মাতৃভূমিতে ফিরে আসবো।
দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়, এটি বাংলার মাটি ও মানুষের ইতিহাস এবং জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ৭৭ বছরের ইতিহাসে দলটি বারবার কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলটির সমর্থনে মিছিল করছেন, যা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের স্পষ্ট লক্ষণ।

উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি– জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ এবং সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ।
বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়, এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।
শেখ হাসিনা আরও জানান, ভারতে অবস্থান করলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। বাবার সমাধি এবং প্রিয় দেশবাসীর কথা ভেবে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত অস্থিরতায় পার করেন। তিনি বলেন, আমি শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পাবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে।
কোটা বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে তাকে প্রত্য়র্পণের আবেদন জানানো হলেও ভারত এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

প্রায় ২ বছর দেশের বাইরে থাকা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র এবং আইনি বাধা উপেক্ষা করে এ বছরই তিনি দেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গত ২৩ জুন ছিল আওয়ামী লিগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, এ বছরই ফিরে যাবো আমি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি শক্তি। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অর্থ দেশের স্বাধীনতার উপর হামলা।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ গৃহহীন, কারও বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা, কেউ আহত, অঙ্গহানি হয়েছে কারও, অনেকে আবার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। এতকিছুর পরও দল মনোবল হারায়নি। তিনি বলেন, আমার অনুপস্থিতি কিন্তু নীরবতা নয়। আমি দূরে থাকলেও, বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। আওয়ামী লীগের প্রত্যেক কর্মীর আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং কষ্ট অনুভব করেছি আমি।
নির্বাসিত জীবনে থাকা শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমার এই সংগ্রাম।
মৃত্যুকে ভয় পান না জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো কঠিন সময় পার করেছি। প্রতিবারই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং এবারও সব বাধা অতিক্রম করে মাতৃভূমিতে ফিরে আসবো।
দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়, এটি বাংলার মাটি ও মানুষের ইতিহাস এবং জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ৭৭ বছরের ইতিহাসে দলটি বারবার কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলটির সমর্থনে মিছিল করছেন, যা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের স্পষ্ট লক্ষণ।

উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি– জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ এবং সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ।
বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়, এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।
শেখ হাসিনা আরও জানান, ভারতে অবস্থান করলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। বাবার সমাধি এবং প্রিয় দেশবাসীর কথা ভেবে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত অস্থিরতায় পার করেন। তিনি বলেন, আমি শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পাবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে।
কোটা বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে তাকে প্রত্য়র্পণের আবেদন জানানো হলেও ভারত এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

এ বছরই দেশে ফিরবো: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রায় ২ বছর দেশের বাইরে থাকা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র এবং আইনি বাধা উপেক্ষা করে এ বছরই তিনি দেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গত ২৩ জুন ছিল আওয়ামী লিগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, এ বছরই ফিরে যাবো আমি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি শক্তি। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অর্থ দেশের স্বাধীনতার উপর হামলা।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ গৃহহীন, কারও বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা, কেউ আহত, অঙ্গহানি হয়েছে কারও, অনেকে আবার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। এতকিছুর পরও দল মনোবল হারায়নি। তিনি বলেন, আমার অনুপস্থিতি কিন্তু নীরবতা নয়। আমি দূরে থাকলেও, বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। আওয়ামী লীগের প্রত্যেক কর্মীর আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং কষ্ট অনুভব করেছি আমি।
নির্বাসিত জীবনে থাকা শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমার এই সংগ্রাম।
মৃত্যুকে ভয় পান না জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো কঠিন সময় পার করেছি। প্রতিবারই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং এবারও সব বাধা অতিক্রম করে মাতৃভূমিতে ফিরে আসবো।
দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়, এটি বাংলার মাটি ও মানুষের ইতিহাস এবং জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ৭৭ বছরের ইতিহাসে দলটি বারবার কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলটির সমর্থনে মিছিল করছেন, যা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের স্পষ্ট লক্ষণ।

উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি– জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ এবং সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ।
বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়, এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।
শেখ হাসিনা আরও জানান, ভারতে অবস্থান করলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। বাবার সমাধি এবং প্রিয় দেশবাসীর কথা ভেবে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত অস্থিরতায় পার করেন। তিনি বলেন, আমি শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পাবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে।
কোটা বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে তাকে প্রত্য়র্পণের আবেদন জানানো হলেও ভারত এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।




