হাদি হত্যায় গ্রেপ্তার দুইজনকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: আইজিপি

হাদি হত্যায় গ্রেপ্তার দুইজনকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে দ্রুত ফিরিয়ে আনা হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রশাসনের রদবদলের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মো. আলী হোসেন ফকির পুলিশের আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান। আজ সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে তিনি প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আসেন।
এসময় তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগির দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
জনগণের মধ্যে পুলিশ বাহিনী নিয়ে তৈরি হওয়া 'আস্থার সংকট' কাটাতে প্রতিটি জেলার সদর থানাকে 'জিরো কমপ্লেন' হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আইজিপি। তিনি বলেন, পুলিশ এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চায়, যাতে এর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ‘ছাত্র-জনতার উপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে’ পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন আইজিপি। তিনি বলেন, তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া মৌলবাদীদের উত্থান রোধে পুলিশের 'সজাগ দৃষ্টি’ থাকবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, বিগত সময়ে পুলিশের সঙ্গে জনগণের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। জনআস্থা উদ্ধারে আমাদেরকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এজন্য জেলা সদরের থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এসব থানায় একজন সার্কেল এএসপি ওই থানার কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে।
তিনি বলেন, আমরা এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চাই যেন থানায় আসা মানুষ হাসি মুখে থানা থেকে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের কমপ্লেন না থাকে। পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেড দিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তা চলমান আছে।
আইজিপি জানান, চাঞ্চল্যকর কোনো ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দলবেঁধে ধর্ষণ ও ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তের গুণগত মান নিয়ে তিনি বলেন, সিআইডিকে আরো আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে চাই। মামলার তদন্তকাজ দ্রুত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের ব্যবস্থা
আসন্ন ঈদ নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিষয়ে আইজিপি বলেন, ঈদের সড়ক মহাসড়ক নৌ ও রেলপথে ঘরমুখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা এরইমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না।
মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। র্যাব ও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রধান প্রধান মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চুরি-ছিনতাই রোধে 'কার্যকর ব্যবস্থা' নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঈদকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে প্রায়ই অসন্তোষ তৈরি হয়, এবার সে আশঙ্কা মাথায় রেখে পৃথক পরিকল্পনার কথা জানান আইজিপি। তিনি বলেন, এমন গার্মেন্টস শিল্প চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি শ্রমিক নেতা, মালিক, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে দ্রুত ফিরিয়ে আনা হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রশাসনের রদবদলের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মো. আলী হোসেন ফকির পুলিশের আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান। আজ সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে তিনি প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আসেন।
এসময় তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগির দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
জনগণের মধ্যে পুলিশ বাহিনী নিয়ে তৈরি হওয়া 'আস্থার সংকট' কাটাতে প্রতিটি জেলার সদর থানাকে 'জিরো কমপ্লেন' হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আইজিপি। তিনি বলেন, পুলিশ এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চায়, যাতে এর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ‘ছাত্র-জনতার উপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে’ পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন আইজিপি। তিনি বলেন, তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া মৌলবাদীদের উত্থান রোধে পুলিশের 'সজাগ দৃষ্টি’ থাকবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, বিগত সময়ে পুলিশের সঙ্গে জনগণের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। জনআস্থা উদ্ধারে আমাদেরকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এজন্য জেলা সদরের থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এসব থানায় একজন সার্কেল এএসপি ওই থানার কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে।
তিনি বলেন, আমরা এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চাই যেন থানায় আসা মানুষ হাসি মুখে থানা থেকে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের কমপ্লেন না থাকে। পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেড দিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তা চলমান আছে।
আইজিপি জানান, চাঞ্চল্যকর কোনো ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দলবেঁধে ধর্ষণ ও ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তের গুণগত মান নিয়ে তিনি বলেন, সিআইডিকে আরো আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে চাই। মামলার তদন্তকাজ দ্রুত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের ব্যবস্থা
আসন্ন ঈদ নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিষয়ে আইজিপি বলেন, ঈদের সড়ক মহাসড়ক নৌ ও রেলপথে ঘরমুখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা এরইমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না।
মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। র্যাব ও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রধান প্রধান মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চুরি-ছিনতাই রোধে 'কার্যকর ব্যবস্থা' নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঈদকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে প্রায়ই অসন্তোষ তৈরি হয়, এবার সে আশঙ্কা মাথায় রেখে পৃথক পরিকল্পনার কথা জানান আইজিপি। তিনি বলেন, এমন গার্মেন্টস শিল্প চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি শ্রমিক নেতা, মালিক, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাদি হত্যায় গ্রেপ্তার দুইজনকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে দ্রুত ফিরিয়ে আনা হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রশাসনের রদবদলের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মো. আলী হোসেন ফকির পুলিশের আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান। আজ সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে তিনি প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আসেন।
এসময় তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগির দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
জনগণের মধ্যে পুলিশ বাহিনী নিয়ে তৈরি হওয়া 'আস্থার সংকট' কাটাতে প্রতিটি জেলার সদর থানাকে 'জিরো কমপ্লেন' হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আইজিপি। তিনি বলেন, পুলিশ এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চায়, যাতে এর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ‘ছাত্র-জনতার উপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে’ পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন আইজিপি। তিনি বলেন, তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া মৌলবাদীদের উত্থান রোধে পুলিশের 'সজাগ দৃষ্টি’ থাকবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, বিগত সময়ে পুলিশের সঙ্গে জনগণের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। জনআস্থা উদ্ধারে আমাদেরকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এজন্য জেলা সদরের থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এসব থানায় একজন সার্কেল এএসপি ওই থানার কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে।
তিনি বলেন, আমরা এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চাই যেন থানায় আসা মানুষ হাসি মুখে থানা থেকে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের কমপ্লেন না থাকে। পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেড দিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তা চলমান আছে।
আইজিপি জানান, চাঞ্চল্যকর কোনো ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দলবেঁধে ধর্ষণ ও ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তের গুণগত মান নিয়ে তিনি বলেন, সিআইডিকে আরো আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে চাই। মামলার তদন্তকাজ দ্রুত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের ব্যবস্থা
আসন্ন ঈদ নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিষয়ে আইজিপি বলেন, ঈদের সড়ক মহাসড়ক নৌ ও রেলপথে ঘরমুখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা এরইমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না।
মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। র্যাব ও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রধান প্রধান মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চুরি-ছিনতাই রোধে 'কার্যকর ব্যবস্থা' নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঈদকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে প্রায়ই অসন্তোষ তৈরি হয়, এবার সে আশঙ্কা মাথায় রেখে পৃথক পরিকল্পনার কথা জানান আইজিপি। তিনি বলেন, এমন গার্মেন্টস শিল্প চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি শ্রমিক নেতা, মালিক, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।




