জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসনে ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার শঙ্কা

জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসনে ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার শঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেসবুকে মাঝেমধ্যেই একটি চটকদার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে– জমির শেয়ার বিক্রি করে নির্দিষ্ট আয়তনের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কিছু আবাসন ব্যবসায়ী। বিজ্ঞাপনের ভাষা আর ভিডিও দেখে এই প্রস্তাবের লোভ সামলানো কঠিন। তবে এটাকে প্রতারণা বা জালিয়াতি-নির্ভর ব্যবসা বলে দাবি করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের প্রতিশ্রুতিনির্ভর ব্যবসার কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে এত টাকা আটকে যাবে। উত্তর হচ্ছে প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও জটিলতাই টাকা আটকে যাওয়ার কারণ। আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল।
এই ধরনের প্রতারণামূলক ব্যবসার আর্থিক ঝুঁকি সম্পর্কে আলী আফজাল বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দুই থেকে তিন বছরে শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও আইনি জটিলতায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য তুলে ধরে আলী আফজাল বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে ৯ হাজার ৮২৩টি মামলা বিচারাধীন থাকার তথ্য উঠে এসেছে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ হাজার ক্রেতা এবং ১২ হাজার কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত ভবনগুলোর অনুমোদিত নকশা ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে অসংগতি এবং নির্মাণসংক্রান্ত বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগও করেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, শেয়ারে নির্মিত ১০০টি ভবন পরিদর্শন করলে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ ভবনে কোনো না কোনো ধরনের ব্যত্যয়ের অভিযোগ পাওয়া যাবে। এ কারণে শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত প্রতিটি ভবন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কারিগরি যাচাইয়ের দাবি জানান তিনি।

ফেসবুকে মাঝেমধ্যেই একটি চটকদার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে– জমির শেয়ার বিক্রি করে নির্দিষ্ট আয়তনের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কিছু আবাসন ব্যবসায়ী। বিজ্ঞাপনের ভাষা আর ভিডিও দেখে এই প্রস্তাবের লোভ সামলানো কঠিন। তবে এটাকে প্রতারণা বা জালিয়াতি-নির্ভর ব্যবসা বলে দাবি করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের প্রতিশ্রুতিনির্ভর ব্যবসার কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে এত টাকা আটকে যাবে। উত্তর হচ্ছে প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও জটিলতাই টাকা আটকে যাওয়ার কারণ। আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল।
এই ধরনের প্রতারণামূলক ব্যবসার আর্থিক ঝুঁকি সম্পর্কে আলী আফজাল বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দুই থেকে তিন বছরে শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও আইনি জটিলতায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য তুলে ধরে আলী আফজাল বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে ৯ হাজার ৮২৩টি মামলা বিচারাধীন থাকার তথ্য উঠে এসেছে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ হাজার ক্রেতা এবং ১২ হাজার কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত ভবনগুলোর অনুমোদিত নকশা ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে অসংগতি এবং নির্মাণসংক্রান্ত বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগও করেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, শেয়ারে নির্মিত ১০০টি ভবন পরিদর্শন করলে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ ভবনে কোনো না কোনো ধরনের ব্যত্যয়ের অভিযোগ পাওয়া যাবে। এ কারণে শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত প্রতিটি ভবন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কারিগরি যাচাইয়ের দাবি জানান তিনি।

জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসনে ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার শঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেসবুকে মাঝেমধ্যেই একটি চটকদার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে– জমির শেয়ার বিক্রি করে নির্দিষ্ট আয়তনের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কিছু আবাসন ব্যবসায়ী। বিজ্ঞাপনের ভাষা আর ভিডিও দেখে এই প্রস্তাবের লোভ সামলানো কঠিন। তবে এটাকে প্রতারণা বা জালিয়াতি-নির্ভর ব্যবসা বলে দাবি করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের প্রতিশ্রুতিনির্ভর ব্যবসার কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে এত টাকা আটকে যাবে। উত্তর হচ্ছে প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও জটিলতাই টাকা আটকে যাওয়ার কারণ। আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল।
এই ধরনের প্রতারণামূলক ব্যবসার আর্থিক ঝুঁকি সম্পর্কে আলী আফজাল বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দুই থেকে তিন বছরে শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পসংক্রান্ত মামলা ও আইনি জটিলতায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য তুলে ধরে আলী আফজাল বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমির শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে ৯ হাজার ৮২৩টি মামলা বিচারাধীন থাকার তথ্য উঠে এসেছে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ হাজার ক্রেতা এবং ১২ হাজার কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত ভবনগুলোর অনুমোদিত নকশা ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে অসংগতি এবং নির্মাণসংক্রান্ত বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগও করেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, শেয়ারে নির্মিত ১০০টি ভবন পরিদর্শন করলে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ ভবনে কোনো না কোনো ধরনের ব্যত্যয়ের অভিযোগ পাওয়া যাবে। এ কারণে শেয়ারভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্মিত প্রতিটি ভবন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কারিগরি যাচাইয়ের দাবি জানান তিনি।









