সরানোর ৪ মাস পর আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরানোর ৪ মাস পর আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৮: ১০

কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে হঠাৎ করে বাদ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আফসানা বেগমকে এক বছরের চুক্তিতে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ রবিবার (১৭ মে) তিনি কাজে যোগদান করেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল আফসানা বেগমকে।
দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও উচ্ছ্বাস তাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। তিনি বলেন, এতদিন একটা মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিলাম। ব্যক্তিগত রোষের শিকার হয়ে এখান থেকে আমাকে চলে যেতে হয়েছিল।
এর আগে গত জানুয়ারিতে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দেয় অন্তবর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার সময় আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে ৪ দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।
তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয় কবি-প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে, যিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তিনি বই নির্বাচন নীতিমালার সংস্কার করতে চেয়েছিলেন, যেন অযোগ্য বই সরিয়ে ভালো বই নেওয়া হয় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।
এজন্য নীতিমালা সংশোধন করে, সচিব ও মন্ত্রী কোটা ২০ শতাংশ তুলে দিয়ে ১০০ শতাংশ বই নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে আনতে চেয়েছিলেন আফসানা। কিন্তু তাতে সম্মতি ছিল না সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর। এ বিষয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে কথোপথনের বিষয়গুলো পরে ফেসবুকে প্রকাশ করেন আফসানা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। তার বইয়ের সংখ্যা ২৪। ২০১৪ সালে জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন আফসানা বেগম।

কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে হঠাৎ করে বাদ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আফসানা বেগমকে এক বছরের চুক্তিতে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ রবিবার (১৭ মে) তিনি কাজে যোগদান করেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল আফসানা বেগমকে।
দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও উচ্ছ্বাস তাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। তিনি বলেন, এতদিন একটা মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিলাম। ব্যক্তিগত রোষের শিকার হয়ে এখান থেকে আমাকে চলে যেতে হয়েছিল।
এর আগে গত জানুয়ারিতে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দেয় অন্তবর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার সময় আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে ৪ দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।
তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয় কবি-প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে, যিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তিনি বই নির্বাচন নীতিমালার সংস্কার করতে চেয়েছিলেন, যেন অযোগ্য বই সরিয়ে ভালো বই নেওয়া হয় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।
এজন্য নীতিমালা সংশোধন করে, সচিব ও মন্ত্রী কোটা ২০ শতাংশ তুলে দিয়ে ১০০ শতাংশ বই নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে আনতে চেয়েছিলেন আফসানা। কিন্তু তাতে সম্মতি ছিল না সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর। এ বিষয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে কথোপথনের বিষয়গুলো পরে ফেসবুকে প্রকাশ করেন আফসানা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। তার বইয়ের সংখ্যা ২৪। ২০১৪ সালে জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন আফসানা বেগম।

সরানোর ৪ মাস পর আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৮: ১০

কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে হঠাৎ করে বাদ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আফসানা বেগমকে এক বছরের চুক্তিতে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ রবিবার (১৭ মে) তিনি কাজে যোগদান করেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল আফসানা বেগমকে।
দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও উচ্ছ্বাস তাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। তিনি বলেন, এতদিন একটা মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিলাম। ব্যক্তিগত রোষের শিকার হয়ে এখান থেকে আমাকে চলে যেতে হয়েছিল।
এর আগে গত জানুয়ারিতে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দেয় অন্তবর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার সময় আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে ৪ দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।
তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয় কবি-প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে, যিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তিনি বই নির্বাচন নীতিমালার সংস্কার করতে চেয়েছিলেন, যেন অযোগ্য বই সরিয়ে ভালো বই নেওয়া হয় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।
এজন্য নীতিমালা সংশোধন করে, সচিব ও মন্ত্রী কোটা ২০ শতাংশ তুলে দিয়ে ১০০ শতাংশ বই নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে আনতে চেয়েছিলেন আফসানা। কিন্তু তাতে সম্মতি ছিল না সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর। এ বিষয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে কথোপথনের বিষয়গুলো পরে ফেসবুকে প্রকাশ করেন আফসানা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। তার বইয়ের সংখ্যা ২৪। ২০১৪ সালে জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন আফসানা বেগম।
/এফসি/

গ্রন্থকেন্দ্রের আফসানা বেগমকে অব্যাহতি, নতুন পরিচালক সাখাওয়াত টিপু


