সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করছে সরকার। আগের দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাড়া না পাওয়ায় এবার উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) সংশোধন করে বিভিন্ন সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও মুনাফা বণ্টনে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ দরপত্রে সাতটি বিদেশি কোম্পানি নথি কিনলেও কেউ প্রস্তাব জমা দেয়নি। পরে তাদের মতামতের ভিত্তিতে পিএসসি সংশোধন করা হয়। ইতোমধ্যে নতুন পিএসসি অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। রোববার নতুন দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্রের নথি ও সমুদ্র জরিপের তথ্য কিনতে পারবে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর। বিশ্বের ৫৫টি কোম্পানিকে সরাসরি ই-মেইল করে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে ২০১২ সালে এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২০১৪ সালে বিরোধ নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। বর্তমানে গভীর সমুদ্রের ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রের ১১টি মিলিয়ে মোট ২৬টি ব্লকে অনুসন্ধানের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অতীতে কাজ শুরু করেও বিভিন্ন কোম্পানি অনুসন্ধান সম্পন্ন না করেই সরে গেছে। বর্তমানে সমুদ্রে কোনো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালু নেই।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব বলেন, দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে বিদেশি কোম্পানির জন্য আকর্ষণীয় চুক্তি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এবার দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন পিএসসি-২০২৬ অনুযায়ী গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ১১ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে পিএসসি-২০২৩-এ দুই ক্ষেত্রেই ১০ শতাংশ হার নির্ধারিত ছিল। ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার হলে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম হবে ১১ ডলার।
এ ছাড়া গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণে ঠিকাদারি কোম্পানিকে আলাদা ট্যারিফ সুবিধা দেওয়া হবে, যা আগের চুক্তিতে ছিল না। মুনাফা ভাগাভাগির সূত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অনুসন্ধান ব্যর্থ হলেও ঠিকাদার কাজ চালিয়ে যেতে চাইলে তাদের মুনাফার অংশ ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য কর ও শুল্ক ছাড়, আয়কর পেট্রোবাংলার মাধ্যমে পরিশোধ এবং দেশের চাহিদা না থাকলে গ্যাস রপ্তানির সুযোগও বহাল রাখা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হলে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে যাওয়ার সুযোগও থাকবে। অগভীর সমুদ্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের ১০ শতাংশ অংশীদারত্ব রাখা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানির দিকে বেশি গুরুত্ব দেয় তৎকালীন সরকার। ফলে নতুন পিএসসি করা হলেও দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রমে অগ্রগতি হয়নি। ২০২৪ সালে দরপত্র আহ্বান করা হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সময় বাড়িয়েও কোনো কোম্পানি অংশ নেয়নি। এবার সংশোধিত চুক্তির মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটানোর আশা করছে সরকার।

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করছে সরকার। আগের দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাড়া না পাওয়ায় এবার উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) সংশোধন করে বিভিন্ন সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও মুনাফা বণ্টনে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ দরপত্রে সাতটি বিদেশি কোম্পানি নথি কিনলেও কেউ প্রস্তাব জমা দেয়নি। পরে তাদের মতামতের ভিত্তিতে পিএসসি সংশোধন করা হয়। ইতোমধ্যে নতুন পিএসসি অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। রোববার নতুন দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্রের নথি ও সমুদ্র জরিপের তথ্য কিনতে পারবে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর। বিশ্বের ৫৫টি কোম্পানিকে সরাসরি ই-মেইল করে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে ২০১২ সালে এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২০১৪ সালে বিরোধ নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। বর্তমানে গভীর সমুদ্রের ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রের ১১টি মিলিয়ে মোট ২৬টি ব্লকে অনুসন্ধানের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অতীতে কাজ শুরু করেও বিভিন্ন কোম্পানি অনুসন্ধান সম্পন্ন না করেই সরে গেছে। বর্তমানে সমুদ্রে কোনো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালু নেই।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব বলেন, দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে বিদেশি কোম্পানির জন্য আকর্ষণীয় চুক্তি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এবার দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন পিএসসি-২০২৬ অনুযায়ী গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ১১ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে পিএসসি-২০২৩-এ দুই ক্ষেত্রেই ১০ শতাংশ হার নির্ধারিত ছিল। ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার হলে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম হবে ১১ ডলার।
এ ছাড়া গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণে ঠিকাদারি কোম্পানিকে আলাদা ট্যারিফ সুবিধা দেওয়া হবে, যা আগের চুক্তিতে ছিল না। মুনাফা ভাগাভাগির সূত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অনুসন্ধান ব্যর্থ হলেও ঠিকাদার কাজ চালিয়ে যেতে চাইলে তাদের মুনাফার অংশ ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য কর ও শুল্ক ছাড়, আয়কর পেট্রোবাংলার মাধ্যমে পরিশোধ এবং দেশের চাহিদা না থাকলে গ্যাস রপ্তানির সুযোগও বহাল রাখা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হলে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে যাওয়ার সুযোগও থাকবে। অগভীর সমুদ্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের ১০ শতাংশ অংশীদারত্ব রাখা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানির দিকে বেশি গুরুত্ব দেয় তৎকালীন সরকার। ফলে নতুন পিএসসি করা হলেও দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রমে অগ্রগতি হয়নি। ২০২৪ সালে দরপত্র আহ্বান করা হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সময় বাড়িয়েও কোনো কোম্পানি অংশ নেয়নি। এবার সংশোধিত চুক্তির মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটানোর আশা করছে সরকার।

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করছে সরকার। আগের দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাড়া না পাওয়ায় এবার উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) সংশোধন করে বিভিন্ন সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও মুনাফা বণ্টনে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ দরপত্রে সাতটি বিদেশি কোম্পানি নথি কিনলেও কেউ প্রস্তাব জমা দেয়নি। পরে তাদের মতামতের ভিত্তিতে পিএসসি সংশোধন করা হয়। ইতোমধ্যে নতুন পিএসসি অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। রোববার নতুন দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্রের নথি ও সমুদ্র জরিপের তথ্য কিনতে পারবে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর। বিশ্বের ৫৫টি কোম্পানিকে সরাসরি ই-মেইল করে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে ২০১২ সালে এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২০১৪ সালে বিরোধ নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। বর্তমানে গভীর সমুদ্রের ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রের ১১টি মিলিয়ে মোট ২৬টি ব্লকে অনুসন্ধানের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অতীতে কাজ শুরু করেও বিভিন্ন কোম্পানি অনুসন্ধান সম্পন্ন না করেই সরে গেছে। বর্তমানে সমুদ্রে কোনো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালু নেই।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব বলেন, দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে বিদেশি কোম্পানির জন্য আকর্ষণীয় চুক্তি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এবার দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন পিএসসি-২০২৬ অনুযায়ী গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ১১ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে পিএসসি-২০২৩-এ দুই ক্ষেত্রেই ১০ শতাংশ হার নির্ধারিত ছিল। ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার হলে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম হবে ১১ ডলার।
এ ছাড়া গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণে ঠিকাদারি কোম্পানিকে আলাদা ট্যারিফ সুবিধা দেওয়া হবে, যা আগের চুক্তিতে ছিল না। মুনাফা ভাগাভাগির সূত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অনুসন্ধান ব্যর্থ হলেও ঠিকাদার কাজ চালিয়ে যেতে চাইলে তাদের মুনাফার অংশ ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য কর ও শুল্ক ছাড়, আয়কর পেট্রোবাংলার মাধ্যমে পরিশোধ এবং দেশের চাহিদা না থাকলে গ্যাস রপ্তানির সুযোগও বহাল রাখা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হলে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে যাওয়ার সুযোগও থাকবে। অগভীর সমুদ্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের ১০ শতাংশ অংশীদারত্ব রাখা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানির দিকে বেশি গুরুত্ব দেয় তৎকালীন সরকার। ফলে নতুন পিএসসি করা হলেও দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রমে অগ্রগতি হয়নি। ২০২৪ সালে দরপত্র আহ্বান করা হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সময় বাড়িয়েও কোনো কোম্পানি অংশ নেয়নি। এবার সংশোধিত চুক্তির মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটানোর আশা করছে সরকার।




