চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুনের ২৩ থেকে ২৬ জুন সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বেইজিং।
সূত্র জানায়, রবিবার (২৪ মে) বেইজিং থেকে জুনের ২৩ থেকে ২৬ তারিখ সম্ভাব্য সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে কাজ করছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা ও বেইজিংয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সফর নিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয় বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় তার দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পারস্পরিক আস্থা জোরদার, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগকে যুক্ত করা এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগের মতো খাতগুলোতেও সহযোগিতা আরও নিবিড় করা হবে।
ওয়াং ইয় বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান শিল্প খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে। এমনকি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ করে নয়। এমনকি এই সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও উচিত নয়।
এদিকে,পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। চীন সব সময়ই বাংলাদেশের জন্য এক বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। তাইওয়ান প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে বাংলাদেশ।

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুনের ২৩ থেকে ২৬ জুন সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বেইজিং।
সূত্র জানায়, রবিবার (২৪ মে) বেইজিং থেকে জুনের ২৩ থেকে ২৬ তারিখ সম্ভাব্য সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে কাজ করছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা ও বেইজিংয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সফর নিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয় বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় তার দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পারস্পরিক আস্থা জোরদার, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগকে যুক্ত করা এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগের মতো খাতগুলোতেও সহযোগিতা আরও নিবিড় করা হবে।
ওয়াং ইয় বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান শিল্প খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে। এমনকি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ করে নয়। এমনকি এই সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও উচিত নয়।
এদিকে,পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। চীন সব সময়ই বাংলাদেশের জন্য এক বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। তাইওয়ান প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে বাংলাদেশ।

চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুনের ২৩ থেকে ২৬ জুন সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বেইজিং।
সূত্র জানায়, রবিবার (২৪ মে) বেইজিং থেকে জুনের ২৩ থেকে ২৬ তারিখ সম্ভাব্য সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে কাজ করছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা ও বেইজিংয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সফর নিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয় বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় তার দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পারস্পরিক আস্থা জোরদার, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগকে যুক্ত করা এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগের মতো খাতগুলোতেও সহযোগিতা আরও নিবিড় করা হবে।
ওয়াং ইয় বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান শিল্প খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে। এমনকি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ করে নয়। এমনকি এই সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও উচিত নয়।
এদিকে,পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। চীন সব সময়ই বাংলাদেশের জন্য এক বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। তাইওয়ান প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ


