দিল্লিতে শি জিনপিং, বিতর্কিত সীমান্তে কী করছে চীনা বাহিনী

দিল্লিতে শি জিনপিং, বিতর্কিত সীমান্তে কী করছে চীনা বাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

ভারত-চীন সীমান্তে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতা এবং পরিকাঠামো নির্মাণের নতুন তথ্য সামনে আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের হাতে আসা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত গোয়েন্দা সংস্থা জেনস জানিয়েছে, তিব্বতের লহুনজে কাউন্টির ঝারি শহরের কাছে এবং বিতর্কিত ভূখণ্ডে চীনা বাহিনীর জোরেশোরে নির্মাণকাজ চলছে।
এ তথ্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করছেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর তার প্রথম ভারত সফর।

স্যাটেলাইটে যা ধরা পড়েছে
ভ্যান্টরের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জেনসের গবেষকরা আপার সুবনসিরি উপত্যকার একাধিক স্থানে নতুন সড়ক, পাকা ভবন, সিমেন্ট প্ল্যান্ট ও হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রমাণ পেয়েছেন।
বিশেষ করে ঝারি শহরের দক্ষিণে ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া নির্মাণকাজ এখন পূর্ণাঙ্গ রূপ নিয়েছে। সামরিক যানের উপস্থিতি এবং প্রশিক্ষণ এলাকার বিস্তার দেখে বিশ্লেষকদের ধারণা, এগুলো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে নতুন সড়ক তৈরির ফলে ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন এখন আরও সহজ হয়ে গেছে।

সীমান্তবাসীর ক্ষোভ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা
সীমান্তের ওপার থেকে চীনা আগ্রাসনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর। অরুণাচল সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গেলেমো গ্রাম। সেখানের বাসিন্দা তাকোক ম্রা জানান, তাদের চারণভূমি ও শিকারের জায়গা থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। অল তাগিন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি তাদাক পাকবার নেতৃত্বে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের তদন্তে উঠে এসেছে, অতীতে ভারতীয় সেনাবাহিনী যেখানে নিয়মিত টহল দিত, সেসব এলাকায় এখন চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। পাকবার ভাষ্য, ‘বর্তমানে যেভাবে চীনা অনুপ্রবেশ ঘটছে, তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।’ স্থানীয়দের এখন এসব এলাকায় প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। পিপলস পার্টি অব অরুণাচলের নেতা কাপা বেঙ্গিয়ার দলেও সীমান্ত পরিদর্শনে একই ধরনের চিত্র উঠে এসেছে।

সালামি স্লাইসিং কৌশল ও বিশেষজ্ঞ মত
দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীকান্ত কোন্ডাপল্লী এ ঘটনাকে চীনের ‘সালামি স্লাইসিং’ কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন। এ কৌশলে বড় কোনো আক্রমণ ছাড়াই ধাপে ধাপে সামান্য জমি দখল করে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করা হয়। তার মতে, ভারত সরকার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’ চালু করলেও চীনের শ্যাওকাং মডেল গ্রামের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় বাহিনীর দ্রুত পৌঁছানোর সক্ষমতার ঘাটতিই চীনকে এ সুযোগ করে দিচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক সমীকরণ
ভারতের সেনাবাহিনী সীমান্ত অনুপ্রবেশের অভিযোগগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি সীমান্ত পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। চীন দাবি করেছে পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরে সীমান্ত ইস্যু আনুষ্ঠানিকভাবে তোলার সম্ভাবনা কম। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সুরক্ষার সমীকরণে এ ঘটনা বড় একটা ধাক্কা তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

ভারত-চীন সীমান্তে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতা এবং পরিকাঠামো নির্মাণের নতুন তথ্য সামনে আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের হাতে আসা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত গোয়েন্দা সংস্থা জেনস জানিয়েছে, তিব্বতের লহুনজে কাউন্টির ঝারি শহরের কাছে এবং বিতর্কিত ভূখণ্ডে চীনা বাহিনীর জোরেশোরে নির্মাণকাজ চলছে।
এ তথ্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করছেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর তার প্রথম ভারত সফর।

স্যাটেলাইটে যা ধরা পড়েছে
ভ্যান্টরের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জেনসের গবেষকরা আপার সুবনসিরি উপত্যকার একাধিক স্থানে নতুন সড়ক, পাকা ভবন, সিমেন্ট প্ল্যান্ট ও হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রমাণ পেয়েছেন।
বিশেষ করে ঝারি শহরের দক্ষিণে ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া নির্মাণকাজ এখন পূর্ণাঙ্গ রূপ নিয়েছে। সামরিক যানের উপস্থিতি এবং প্রশিক্ষণ এলাকার বিস্তার দেখে বিশ্লেষকদের ধারণা, এগুলো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে নতুন সড়ক তৈরির ফলে ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন এখন আরও সহজ হয়ে গেছে।

সীমান্তবাসীর ক্ষোভ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা
সীমান্তের ওপার থেকে চীনা আগ্রাসনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর। অরুণাচল সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গেলেমো গ্রাম। সেখানের বাসিন্দা তাকোক ম্রা জানান, তাদের চারণভূমি ও শিকারের জায়গা থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। অল তাগিন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি তাদাক পাকবার নেতৃত্বে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের তদন্তে উঠে এসেছে, অতীতে ভারতীয় সেনাবাহিনী যেখানে নিয়মিত টহল দিত, সেসব এলাকায় এখন চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। পাকবার ভাষ্য, ‘বর্তমানে যেভাবে চীনা অনুপ্রবেশ ঘটছে, তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।’ স্থানীয়দের এখন এসব এলাকায় প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। পিপলস পার্টি অব অরুণাচলের নেতা কাপা বেঙ্গিয়ার দলেও সীমান্ত পরিদর্শনে একই ধরনের চিত্র উঠে এসেছে।

সালামি স্লাইসিং কৌশল ও বিশেষজ্ঞ মত
দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীকান্ত কোন্ডাপল্লী এ ঘটনাকে চীনের ‘সালামি স্লাইসিং’ কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন। এ কৌশলে বড় কোনো আক্রমণ ছাড়াই ধাপে ধাপে সামান্য জমি দখল করে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করা হয়। তার মতে, ভারত সরকার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’ চালু করলেও চীনের শ্যাওকাং মডেল গ্রামের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় বাহিনীর দ্রুত পৌঁছানোর সক্ষমতার ঘাটতিই চীনকে এ সুযোগ করে দিচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক সমীকরণ
ভারতের সেনাবাহিনী সীমান্ত অনুপ্রবেশের অভিযোগগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি সীমান্ত পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। চীন দাবি করেছে পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরে সীমান্ত ইস্যু আনুষ্ঠানিকভাবে তোলার সম্ভাবনা কম। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সুরক্ষার সমীকরণে এ ঘটনা বড় একটা ধাক্কা তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

দিল্লিতে শি জিনপিং, বিতর্কিত সীমান্তে কী করছে চীনা বাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

ভারত-চীন সীমান্তে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতা এবং পরিকাঠামো নির্মাণের নতুন তথ্য সামনে আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের হাতে আসা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত গোয়েন্দা সংস্থা জেনস জানিয়েছে, তিব্বতের লহুনজে কাউন্টির ঝারি শহরের কাছে এবং বিতর্কিত ভূখণ্ডে চীনা বাহিনীর জোরেশোরে নির্মাণকাজ চলছে।
এ তথ্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করছেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর তার প্রথম ভারত সফর।

স্যাটেলাইটে যা ধরা পড়েছে
ভ্যান্টরের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জেনসের গবেষকরা আপার সুবনসিরি উপত্যকার একাধিক স্থানে নতুন সড়ক, পাকা ভবন, সিমেন্ট প্ল্যান্ট ও হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রমাণ পেয়েছেন।
বিশেষ করে ঝারি শহরের দক্ষিণে ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া নির্মাণকাজ এখন পূর্ণাঙ্গ রূপ নিয়েছে। সামরিক যানের উপস্থিতি এবং প্রশিক্ষণ এলাকার বিস্তার দেখে বিশ্লেষকদের ধারণা, এগুলো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে নতুন সড়ক তৈরির ফলে ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন এখন আরও সহজ হয়ে গেছে।

সীমান্তবাসীর ক্ষোভ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা
সীমান্তের ওপার থেকে চীনা আগ্রাসনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর। অরুণাচল সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গেলেমো গ্রাম। সেখানের বাসিন্দা তাকোক ম্রা জানান, তাদের চারণভূমি ও শিকারের জায়গা থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। অল তাগিন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি তাদাক পাকবার নেতৃত্বে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের তদন্তে উঠে এসেছে, অতীতে ভারতীয় সেনাবাহিনী যেখানে নিয়মিত টহল দিত, সেসব এলাকায় এখন চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। পাকবার ভাষ্য, ‘বর্তমানে যেভাবে চীনা অনুপ্রবেশ ঘটছে, তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।’ স্থানীয়দের এখন এসব এলাকায় প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। পিপলস পার্টি অব অরুণাচলের নেতা কাপা বেঙ্গিয়ার দলেও সীমান্ত পরিদর্শনে একই ধরনের চিত্র উঠে এসেছে।

সালামি স্লাইসিং কৌশল ও বিশেষজ্ঞ মত
দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীকান্ত কোন্ডাপল্লী এ ঘটনাকে চীনের ‘সালামি স্লাইসিং’ কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন। এ কৌশলে বড় কোনো আক্রমণ ছাড়াই ধাপে ধাপে সামান্য জমি দখল করে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করা হয়। তার মতে, ভারত সরকার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’ চালু করলেও চীনের শ্যাওকাং মডেল গ্রামের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় বাহিনীর দ্রুত পৌঁছানোর সক্ষমতার ঘাটতিই চীনকে এ সুযোগ করে দিচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক সমীকরণ
ভারতের সেনাবাহিনী সীমান্ত অনুপ্রবেশের অভিযোগগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি সীমান্ত পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। চীন দাবি করেছে পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরে সীমান্ত ইস্যু আনুষ্ঠানিকভাবে তোলার সম্ভাবনা কম। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সুরক্ষার সমীকরণে এ ঘটনা বড় একটা ধাক্কা তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট









