পরিবারের আপত্তিতে জুলাই শহীদ বোরহানের মরদেহ উত্তোলন স্থগিত

পরিবারের আপত্তিতে জুলাই শহীদ বোরহানের মরদেহ উত্তোলন স্থগিত
সিটিজেন ডেস্ক

ফেনীর সোনাগাজীতে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবদুল গণি বোরহানের মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ পরিবারের আপত্তির মুখে স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনের প্রতিনিধিরা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের লিখিত আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে ঢাকার রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফেনীতে পৌঁছায়। এ সময় আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফেনী জেলা প্রশাসকের মনোনীত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাগাজী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া বোরহানের কবরস্থানে যান।
সেখানে বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ মরদেহ উত্তোলনের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জমা দেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দুই বছর আগে বোরহানকে দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে তাঁর দেহাবশেষ উত্তোলন করা হলে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মানসিক কষ্টের কারণ হবে। এ বিবেচনায় তিনি জেলা প্রশাসনের কাছে মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
সোনাগাজীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে পরিবারের সদস্যরা আপত্তি জানালে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয় এবং পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
নিহত বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ জানান, আবদুল গণি বোরহান রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সের একটি শাখায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট অফিসের কাজ শেষে বাংলামোটর জামে মসজিদের সামনে চলমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন বোরহান। বিকেল চারটার দিকে সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরদিন ৫ আগস্ট রাতে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের না করা হলেও রমনা থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন আবদুল গণি বোরহান। তিনি ছিলেন মৃত মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে। শিক্ষাজীবনে মেধাবী হিসেবে পরিচিত বোরহান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

ফেনীর সোনাগাজীতে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবদুল গণি বোরহানের মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ পরিবারের আপত্তির মুখে স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনের প্রতিনিধিরা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের লিখিত আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে ঢাকার রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফেনীতে পৌঁছায়। এ সময় আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফেনী জেলা প্রশাসকের মনোনীত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাগাজী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া বোরহানের কবরস্থানে যান।
সেখানে বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ মরদেহ উত্তোলনের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জমা দেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দুই বছর আগে বোরহানকে দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে তাঁর দেহাবশেষ উত্তোলন করা হলে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মানসিক কষ্টের কারণ হবে। এ বিবেচনায় তিনি জেলা প্রশাসনের কাছে মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
সোনাগাজীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে পরিবারের সদস্যরা আপত্তি জানালে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয় এবং পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
নিহত বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ জানান, আবদুল গণি বোরহান রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সের একটি শাখায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট অফিসের কাজ শেষে বাংলামোটর জামে মসজিদের সামনে চলমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন বোরহান। বিকেল চারটার দিকে সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরদিন ৫ আগস্ট রাতে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের না করা হলেও রমনা থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন আবদুল গণি বোরহান। তিনি ছিলেন মৃত মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে। শিক্ষাজীবনে মেধাবী হিসেবে পরিচিত বোরহান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিবারের আপত্তিতে জুলাই শহীদ বোরহানের মরদেহ উত্তোলন স্থগিত
সিটিজেন ডেস্ক

ফেনীর সোনাগাজীতে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবদুল গণি বোরহানের মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ পরিবারের আপত্তির মুখে স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনের প্রতিনিধিরা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের লিখিত আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে ঢাকার রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফেনীতে পৌঁছায়। এ সময় আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফেনী জেলা প্রশাসকের মনোনীত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাগাজী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া বোরহানের কবরস্থানে যান।
সেখানে বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ মরদেহ উত্তোলনের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জমা দেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দুই বছর আগে বোরহানকে দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে তাঁর দেহাবশেষ উত্তোলন করা হলে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মানসিক কষ্টের কারণ হবে। এ বিবেচনায় তিনি জেলা প্রশাসনের কাছে মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
সোনাগাজীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে পরিবারের সদস্যরা আপত্তি জানালে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয় এবং পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
নিহত বোরহানের বড় ভাই আমানত উল্যাহ জানান, আবদুল গণি বোরহান রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সের একটি শাখায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট অফিসের কাজ শেষে বাংলামোটর জামে মসজিদের সামনে চলমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন বোরহান। বিকেল চারটার দিকে সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরদিন ৫ আগস্ট রাতে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের না করা হলেও রমনা থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন আবদুল গণি বোরহান। তিনি ছিলেন মৃত মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে। শিক্ষাজীবনে মেধাবী হিসেবে পরিচিত বোরহান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।




