শিরোনাম

সংরক্ষিত নারী আসনে ভোট ১২ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংরক্ষিত নারী আসনে ভোট ১২ মে
ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ মে এসব আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ৮ এপ্রিল পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ইসির ২০২৬ সালের ১১তম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কমিশনের সিনিয়র সচিব। বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ছাড়াও নির্বাচনী মামলা, ইভিএমের ভবিষ্যৎ ব্যবহার এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

ইসি সচিব জানান, ১২ মে ভোটের দিন চূড়ান্ত হলেও মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই ও অন্যান্য ধাপের বিস্তারিত সূচি ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণার সময় জানানো হবে। প্রস্তুতিপর্বে কিছু সমন্বয়ও আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই আসনের ফল স্থগিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর এ পর্যন্ত ৫০টি নির্বাচনী মামলা হয়েছে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, আইনে এক বছর নির্বাচনী মালামাল সংরক্ষণের বিধান থাকলেও এসব মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আসনের সব আলামত সংরক্ষণে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল এখনো স্থগিত রয়েছে।

শেরপুর ও বগুড়ায় উপনির্বাচন

আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইসি বলছে, এসব এলাকায় ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর আছে এবং ভোটারদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

ইভিএম নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব। তিনি বলেন, ইভিএম কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, অডিট বিভাগ ও একটি তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চায় না কমিশন।

অন্যান্য সিদ্ধান্ত

বৈঠকে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দায়িত্ব পালনের সময় আহত বা নিহতদের ক্ষতিপূরণ নীতিমালা (২০২২) পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তার বিষয় যুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে।

ইসি আরও জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৮০টি দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিবেদন নিয়ে কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করা হবে। প্রয়োজন হলে সেসব সুপারিশ আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

এদিকে ভোটার দিবসকে আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে পালনের জন্য অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি পৃথক কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

/এসএ/