হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার
সিটিজেন ডেস্ক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হােসন।
শনিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসটিএফ-এর তথ্যমতে, দুই বাংলাদেশি তাদের দেশে চাঁদাবাজি, হত্যাসহ গুরুতর অপরাধ করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে বলে ‘গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য’ তথ্য ছিল। তারা সুযোগ পেলে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীররাতে বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বলেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যায়। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর বাংলাদেশে ‘ফেরার উদ্দেশ্যে’ শেষ পর্যন্ত বনগাঁয় যায়।
এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে জানিয়ে এসটিএফ বলেছে, রবিবার আসামিদের আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার তাকে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এর আগে ফয়সাল করিম মাসুদ, তার কোম্পানি অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড এবং পরিবারের সদস্যদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে সিআইসি কর্মকর্তা বলেছিলেন, ঘটনাটি ঘটাতে কোনো অর্থায়ন ছিল কি না তা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলাকালীন সম্ভাব্য কোনো অর্থ স্থানান্তর বা গোপন করা ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাদিকে গুলি করার ঘটনার তদন্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য আর্থিক যোগসূত্র এবং লেনদেন পরীক্ষা করছে।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। মামলাটি তদন্ত করে ৬ জানুয়ারি ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মামলার বাদী ১৫ জানুয়ারি ডিবির অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন এবং প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। তবে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ষষ্ঠবার পিছিয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হােসন।
শনিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসটিএফ-এর তথ্যমতে, দুই বাংলাদেশি তাদের দেশে চাঁদাবাজি, হত্যাসহ গুরুতর অপরাধ করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে বলে ‘গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য’ তথ্য ছিল। তারা সুযোগ পেলে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীররাতে বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বলেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যায়। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর বাংলাদেশে ‘ফেরার উদ্দেশ্যে’ শেষ পর্যন্ত বনগাঁয় যায়।
এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে জানিয়ে এসটিএফ বলেছে, রবিবার আসামিদের আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার তাকে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এর আগে ফয়সাল করিম মাসুদ, তার কোম্পানি অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড এবং পরিবারের সদস্যদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে সিআইসি কর্মকর্তা বলেছিলেন, ঘটনাটি ঘটাতে কোনো অর্থায়ন ছিল কি না তা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলাকালীন সম্ভাব্য কোনো অর্থ স্থানান্তর বা গোপন করা ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাদিকে গুলি করার ঘটনার তদন্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য আর্থিক যোগসূত্র এবং লেনদেন পরীক্ষা করছে।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। মামলাটি তদন্ত করে ৬ জানুয়ারি ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মামলার বাদী ১৫ জানুয়ারি ডিবির অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন এবং প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। তবে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ষষ্ঠবার পিছিয়েছে।

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার
সিটিজেন ডেস্ক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হােসন।
শনিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসটিএফ-এর তথ্যমতে, দুই বাংলাদেশি তাদের দেশে চাঁদাবাজি, হত্যাসহ গুরুতর অপরাধ করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে বলে ‘গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য’ তথ্য ছিল। তারা সুযোগ পেলে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীররাতে বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বলেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যায়। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর বাংলাদেশে ‘ফেরার উদ্দেশ্যে’ শেষ পর্যন্ত বনগাঁয় যায়।
এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে জানিয়ে এসটিএফ বলেছে, রবিবার আসামিদের আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার তাকে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এর আগে ফয়সাল করিম মাসুদ, তার কোম্পানি অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড এবং পরিবারের সদস্যদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে সিআইসি কর্মকর্তা বলেছিলেন, ঘটনাটি ঘটাতে কোনো অর্থায়ন ছিল কি না তা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলাকালীন সম্ভাব্য কোনো অর্থ স্থানান্তর বা গোপন করা ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাদিকে গুলি করার ঘটনার তদন্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য আর্থিক যোগসূত্র এবং লেনদেন পরীক্ষা করছে।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। মামলাটি তদন্ত করে ৬ জানুয়ারি ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মামলার বাদী ১৫ জানুয়ারি ডিবির অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন এবং প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। তবে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ষষ্ঠবার পিছিয়েছে।



