সরকার বেহেশতের নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে: মীর শাহে আলম

সরকার বেহেশতের নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে: মীর শাহে আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ৭ মাস হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যাগুলো সমাধানের দিকে যাচ্ছে। সরকার বেহেশতের গ্যারান্টি দেবে না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ত্রিমোহনী খাল ব্রিজে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে চিন্তা, তারই অংশ হিসেবে ঢাকার চারপাশের পাঁচটি নদী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, নদীর পাড় সংরক্ষণ, গাইডওয়াল ও রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নদীগুলোকে ৪০ থেকে ৫০ বছর আগের মতো সচল করে নৌযান চলাচলের উপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি খাল পরিষ্কার করে পানিপ্রবাহ সচল করা হবে। খালের দুই পাশে গাইডওয়াল, রিটার্নিং ওয়াল, ওয়াকওয়ে ও নেটিংয়ের মাধ্যমে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ঢাকার স্যুয়ারেজ লাইনগুলো শহরের বাইরে নিয়ে দাসেরকান্দি, পাগলা, মিরপুর, উত্তরা ও রায়েরবাজার-মাদানীসহ নির্ধারিত স্থানে শোধনাগারের মাধ্যমে পরিশোধন করে নদীতে পরিষ্কার পানি ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটি গত তিন মাস ধরে কাজ করছে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলো স্টিমার বা ফেরিতে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কাজও চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া ও অনুমোদনের কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে মান্ডা, জিরানি, কালুনগর ও শ্যামপুর খালের কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুষ্ক মৌসুমের মধ্যেই খালগুলোর চলমান কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে মানুষের ব্যবহার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। ত্রিমোহনী এলাকার বাঁশের সেতুটিও অল্পদিনের মধ্যে আরসিসি সেতুতে রূপান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঢাকায় কোনো বাঁশের সেতু থাকবে না। তবে অবৈধভাবে নির্মিত সেতু ও খাল দখল করে করা স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বছর সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার একা এ কাজ করতে পারবে না, জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা মানুষের ভোটের চিন্তা না করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং নগর পরিষ্কার রাখার জন্য কাজ করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ৭ মাস হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যাগুলো সমাধানের দিকে যাচ্ছে। সরকার বেহেশতের গ্যারান্টি দেবে না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ত্রিমোহনী খাল ব্রিজে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে চিন্তা, তারই অংশ হিসেবে ঢাকার চারপাশের পাঁচটি নদী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, নদীর পাড় সংরক্ষণ, গাইডওয়াল ও রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নদীগুলোকে ৪০ থেকে ৫০ বছর আগের মতো সচল করে নৌযান চলাচলের উপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি খাল পরিষ্কার করে পানিপ্রবাহ সচল করা হবে। খালের দুই পাশে গাইডওয়াল, রিটার্নিং ওয়াল, ওয়াকওয়ে ও নেটিংয়ের মাধ্যমে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ঢাকার স্যুয়ারেজ লাইনগুলো শহরের বাইরে নিয়ে দাসেরকান্দি, পাগলা, মিরপুর, উত্তরা ও রায়েরবাজার-মাদানীসহ নির্ধারিত স্থানে শোধনাগারের মাধ্যমে পরিশোধন করে নদীতে পরিষ্কার পানি ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটি গত তিন মাস ধরে কাজ করছে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলো স্টিমার বা ফেরিতে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কাজও চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া ও অনুমোদনের কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে মান্ডা, জিরানি, কালুনগর ও শ্যামপুর খালের কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুষ্ক মৌসুমের মধ্যেই খালগুলোর চলমান কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে মানুষের ব্যবহার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। ত্রিমোহনী এলাকার বাঁশের সেতুটিও অল্পদিনের মধ্যে আরসিসি সেতুতে রূপান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঢাকায় কোনো বাঁশের সেতু থাকবে না। তবে অবৈধভাবে নির্মিত সেতু ও খাল দখল করে করা স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বছর সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার একা এ কাজ করতে পারবে না, জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা মানুষের ভোটের চিন্তা না করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং নগর পরিষ্কার রাখার জন্য কাজ করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার বেহেশতের নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে: মীর শাহে আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ৭ মাস হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যাগুলো সমাধানের দিকে যাচ্ছে। সরকার বেহেশতের গ্যারান্টি দেবে না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ত্রিমোহনী খাল ব্রিজে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে চিন্তা, তারই অংশ হিসেবে ঢাকার চারপাশের পাঁচটি নদী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, নদীর পাড় সংরক্ষণ, গাইডওয়াল ও রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নদীগুলোকে ৪০ থেকে ৫০ বছর আগের মতো সচল করে নৌযান চলাচলের উপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি খাল পরিষ্কার করে পানিপ্রবাহ সচল করা হবে। খালের দুই পাশে গাইডওয়াল, রিটার্নিং ওয়াল, ওয়াকওয়ে ও নেটিংয়ের মাধ্যমে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ঢাকার স্যুয়ারেজ লাইনগুলো শহরের বাইরে নিয়ে দাসেরকান্দি, পাগলা, মিরপুর, উত্তরা ও রায়েরবাজার-মাদানীসহ নির্ধারিত স্থানে শোধনাগারের মাধ্যমে পরিশোধন করে নদীতে পরিষ্কার পানি ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটি গত তিন মাস ধরে কাজ করছে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলো স্টিমার বা ফেরিতে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কাজও চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া ও অনুমোদনের কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে মান্ডা, জিরানি, কালুনগর ও শ্যামপুর খালের কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুষ্ক মৌসুমের মধ্যেই খালগুলোর চলমান কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে মানুষের ব্যবহার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। ত্রিমোহনী এলাকার বাঁশের সেতুটিও অল্পদিনের মধ্যে আরসিসি সেতুতে রূপান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঢাকায় কোনো বাঁশের সেতু থাকবে না। তবে অবৈধভাবে নির্মিত সেতু ও খাল দখল করে করা স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বছর সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার একা এ কাজ করতে পারবে না, জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা মানুষের ভোটের চিন্তা না করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং নগর পরিষ্কার রাখার জন্য কাজ করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী






