নতুন পে স্কেলে অসংগতি, পদোন্নতিতে কমবে বাড়ি ভাড়া

নতুন পে স্কেলে অসংগতি, পদোন্নতিতে কমবে বাড়ি ভাড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি মানেই সাধারণত আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি। তবে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর হিসাব বলছে ভিন্ন কথা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতি পাওয়ার পরও কমে যেতে পারে বাড়ি ভাড়া ভাতা। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নিচের গ্রেডে থাকা কর্মচারীর মোট বেতনও ওপরের গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাড়ি ভাড়া ভাতার হার নির্ধারণে ন্যূনতম অর্থের সীমা উল্লেখ না থাকাকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একই কর্মস্থলে ভিন্ন গ্রেডে থাকা কর্মচারীদের মধ্যে বেতন-ভাতার ব্যবধান নিয়েও তৈরি হচ্ছে অসংগতি।
বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশের পাশাপাশি একটি ন্যূনতম অঙ্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। ফলে মূল বেতন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণও নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করে।
বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬৫ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাতা ৫ হাজার ৬০০ টাকা।
৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল বেতনে বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬০ শতাংশ, যার ন্যূনতম পরিমাণ ৬ হাজার ৪০০ টাকা। ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে হার ৫৫ শতাংশ এবং ন্যূনতম ভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়ি ভাড়া ভাতার হার ৫০ শতাংশ। এ স্তরে ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ঢাকার বাইরে কর্মরতদের জন্য অবশ্য ভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্ক আলাদা।
নতুন বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় গ্রেড পরিবর্তনের পর হিসাবের ক্ষেত্রে এই জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার পরও কোনো কর্মচারীর বাড়ি ভাড়া ভাতার হার আগের তুলনায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে শুধু বাড়ি ভাতার হিসাবেই সমস্যা হচ্ছে না; মোট মাসিক প্রাপ্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। একই কর্মস্থলে কর্মরত দুই কর্মচারীর মধ্যে অপেক্ষাকৃত নিচের গ্রেডে থাকা ব্যক্তি যদি বাড়ি ভাড়া বাবদ বেশি অর্থ পান, তাহলে গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামোর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
কর্মচারী সংগঠনের তৎপরতা
নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতারা অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন।
কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অসংগতির জন্য তাদের সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী বলেন, গতকাল ১২টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে নতুন বেতন কাঠামোর অসংগতিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও অর্থ সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈশাখী ভাতাতেও কাটছাঁট
নতুন বেতন কাঠামোয় বৈশাখী ভাতার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা দেওয়া হলেও জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তা কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলে বাড়ি ভাড়া ভাতার কাঠামোর পাশাপাশি বৈশাখী ভাতার ক্ষেত্রেও নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান সুবিধার তুলনায় পরিবর্তন আসছে, যা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি মানেই সাধারণত আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি। তবে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর হিসাব বলছে ভিন্ন কথা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতি পাওয়ার পরও কমে যেতে পারে বাড়ি ভাড়া ভাতা। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নিচের গ্রেডে থাকা কর্মচারীর মোট বেতনও ওপরের গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাড়ি ভাড়া ভাতার হার নির্ধারণে ন্যূনতম অর্থের সীমা উল্লেখ না থাকাকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একই কর্মস্থলে ভিন্ন গ্রেডে থাকা কর্মচারীদের মধ্যে বেতন-ভাতার ব্যবধান নিয়েও তৈরি হচ্ছে অসংগতি।
বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশের পাশাপাশি একটি ন্যূনতম অঙ্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। ফলে মূল বেতন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণও নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করে।
বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬৫ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাতা ৫ হাজার ৬০০ টাকা।
৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল বেতনে বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬০ শতাংশ, যার ন্যূনতম পরিমাণ ৬ হাজার ৪০০ টাকা। ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে হার ৫৫ শতাংশ এবং ন্যূনতম ভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়ি ভাড়া ভাতার হার ৫০ শতাংশ। এ স্তরে ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ঢাকার বাইরে কর্মরতদের জন্য অবশ্য ভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্ক আলাদা।
নতুন বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় গ্রেড পরিবর্তনের পর হিসাবের ক্ষেত্রে এই জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার পরও কোনো কর্মচারীর বাড়ি ভাড়া ভাতার হার আগের তুলনায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে শুধু বাড়ি ভাতার হিসাবেই সমস্যা হচ্ছে না; মোট মাসিক প্রাপ্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। একই কর্মস্থলে কর্মরত দুই কর্মচারীর মধ্যে অপেক্ষাকৃত নিচের গ্রেডে থাকা ব্যক্তি যদি বাড়ি ভাড়া বাবদ বেশি অর্থ পান, তাহলে গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামোর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
কর্মচারী সংগঠনের তৎপরতা
নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতারা অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন।
কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অসংগতির জন্য তাদের সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী বলেন, গতকাল ১২টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে নতুন বেতন কাঠামোর অসংগতিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও অর্থ সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈশাখী ভাতাতেও কাটছাঁট
নতুন বেতন কাঠামোয় বৈশাখী ভাতার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা দেওয়া হলেও জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তা কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলে বাড়ি ভাড়া ভাতার কাঠামোর পাশাপাশি বৈশাখী ভাতার ক্ষেত্রেও নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান সুবিধার তুলনায় পরিবর্তন আসছে, যা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

নতুন পে স্কেলে অসংগতি, পদোন্নতিতে কমবে বাড়ি ভাড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি মানেই সাধারণত আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি। তবে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর হিসাব বলছে ভিন্ন কথা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতি পাওয়ার পরও কমে যেতে পারে বাড়ি ভাড়া ভাতা। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নিচের গ্রেডে থাকা কর্মচারীর মোট বেতনও ওপরের গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাড়ি ভাড়া ভাতার হার নির্ধারণে ন্যূনতম অর্থের সীমা উল্লেখ না থাকাকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একই কর্মস্থলে ভিন্ন গ্রেডে থাকা কর্মচারীদের মধ্যে বেতন-ভাতার ব্যবধান নিয়েও তৈরি হচ্ছে অসংগতি।
বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশের পাশাপাশি একটি ন্যূনতম অঙ্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। ফলে মূল বেতন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণও নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করে।
বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬৫ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাতা ৫ হাজার ৬০০ টাকা।
৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল বেতনে বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬০ শতাংশ, যার ন্যূনতম পরিমাণ ৬ হাজার ৪০০ টাকা। ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে হার ৫৫ শতাংশ এবং ন্যূনতম ভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়ি ভাড়া ভাতার হার ৫০ শতাংশ। এ স্তরে ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ঢাকার বাইরে কর্মরতদের জন্য অবশ্য ভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্ক আলাদা।
নতুন বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম বাড়ি ভাড়া ভাতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় গ্রেড পরিবর্তনের পর হিসাবের ক্ষেত্রে এই জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার পরও কোনো কর্মচারীর বাড়ি ভাড়া ভাতার হার আগের তুলনায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে শুধু বাড়ি ভাতার হিসাবেই সমস্যা হচ্ছে না; মোট মাসিক প্রাপ্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। একই কর্মস্থলে কর্মরত দুই কর্মচারীর মধ্যে অপেক্ষাকৃত নিচের গ্রেডে থাকা ব্যক্তি যদি বাড়ি ভাড়া বাবদ বেশি অর্থ পান, তাহলে গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামোর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
কর্মচারী সংগঠনের তৎপরতা
নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতারা অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন।
কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অসংগতির জন্য তাদের সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী বলেন, গতকাল ১২টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে নতুন বেতন কাঠামোর অসংগতিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও অর্থ সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈশাখী ভাতাতেও কাটছাঁট
নতুন বেতন কাঠামোয় বৈশাখী ভাতার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা দেওয়া হলেও জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তা কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলে বাড়ি ভাড়া ভাতার কাঠামোর পাশাপাশি বৈশাখী ভাতার ক্ষেত্রেও নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান সুবিধার তুলনায় পরিবর্তন আসছে, যা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।









