চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে: কোস্ট গার্ড

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে: কোস্ট গার্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ঢাকা জোনের পাগলা স্টেশনের কমান্ডার লে. মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেছেন, সমুদ্র উপকূলীয় ও নদীপথে চোরাচালান, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টহল কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে লাইটার জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং নৌপথে কর্মরত নাবিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরের দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং নৌপথের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল, যৌথ এবং সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এ বাহিনী।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার চারটি জোনের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা বিশেষ করে ঢাকা, ভোলা, চট্টগ্রাম ও মোংলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ/খেয়া/ফেরি ঘাটসমূহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতামূলক মাইকিং, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বোট/নৌযানে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করতে না পারে তার জন্য সদা তৎপর রয়েছে কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ঈদ উল ফিতর পরবর্তী যাত্রীসাধারণের নৌ যাত্রা নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
দেশের নদীপথ ও সমুদ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ঢাকা জোনের পাগলা স্টেশনের কমান্ডার লে. মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেছেন, সমুদ্র উপকূলীয় ও নদীপথে চোরাচালান, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টহল কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে লাইটার জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং নৌপথে কর্মরত নাবিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরের দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং নৌপথের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল, যৌথ এবং সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এ বাহিনী।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার চারটি জোনের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা বিশেষ করে ঢাকা, ভোলা, চট্টগ্রাম ও মোংলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ/খেয়া/ফেরি ঘাটসমূহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতামূলক মাইকিং, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বোট/নৌযানে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করতে না পারে তার জন্য সদা তৎপর রয়েছে কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ঈদ উল ফিতর পরবর্তী যাত্রীসাধারণের নৌ যাত্রা নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
দেশের নদীপথ ও সমুদ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে: কোস্ট গার্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ঢাকা জোনের পাগলা স্টেশনের কমান্ডার লে. মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেছেন, সমুদ্র উপকূলীয় ও নদীপথে চোরাচালান, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টহল কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে লাইটার জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং নৌপথে কর্মরত নাবিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরের দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মো. রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং নৌপথের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল, যৌথ এবং সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এ বাহিনী।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার চারটি জোনের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা বিশেষ করে ঢাকা, ভোলা, চট্টগ্রাম ও মোংলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ/খেয়া/ফেরি ঘাটসমূহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতামূলক মাইকিং, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বোট/নৌযানে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করতে না পারে তার জন্য সদা তৎপর রয়েছে কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ঈদ উল ফিতর পরবর্তী যাত্রীসাধারণের নৌ যাত্রা নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
দেশের নদীপথ ও সমুদ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।




