কমেছে গ্যাসের সরবরাহ, বেড়েছে ভোগান্তি

কমেছে গ্যাসের সরবরাহ, বেড়েছে ভোগান্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) জানায়, তিন দিনের ব্যবধানে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩২ শতাংশ কমে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। মোট গ্যাস সরবরাহও নেমেছে ২ হাজার ৩০১ মিলিয়ন ঘনফুটে।
পেট্রোবাংলার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, এদিন দেশীয় ক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি বা আরএলএনজির সরবরাহ ছিল ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। আজ সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। তার মানে ৪০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কমেছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রান্না করতে করতে পারছে না রাজধানীর লাখ লাখ পরিবার। তাদের মধ্যে অনেকেই হোটেল বা রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে এনে খাচ্ছে। আবার অনেক পরিবার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছে। এ বিষয়ে রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগ এলাকার সোমা আক্তার নামে এক গৃহিনী বলেন, ‘প্রতিদিন বেলা একটার সময় গ্যাস আসলে দুপুরের রান্না শুরু করতাম। কিন্তু মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় গ্যাস আসে। তাই ওইদিন দুপুরের রান্না আর করা সম্ভব হয়নি।’
অনিবার্য সাময়িক অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা দুঃখ প্রকাশ করছে। একইসঙ্গে সংস্থাটি আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) জানায়, তিন দিনের ব্যবধানে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩২ শতাংশ কমে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। মোট গ্যাস সরবরাহও নেমেছে ২ হাজার ৩০১ মিলিয়ন ঘনফুটে।
পেট্রোবাংলার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, এদিন দেশীয় ক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি বা আরএলএনজির সরবরাহ ছিল ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। আজ সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। তার মানে ৪০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কমেছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রান্না করতে করতে পারছে না রাজধানীর লাখ লাখ পরিবার। তাদের মধ্যে অনেকেই হোটেল বা রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে এনে খাচ্ছে। আবার অনেক পরিবার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছে। এ বিষয়ে রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগ এলাকার সোমা আক্তার নামে এক গৃহিনী বলেন, ‘প্রতিদিন বেলা একটার সময় গ্যাস আসলে দুপুরের রান্না শুরু করতাম। কিন্তু মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় গ্যাস আসে। তাই ওইদিন দুপুরের রান্না আর করা সম্ভব হয়নি।’
অনিবার্য সাময়িক অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা দুঃখ প্রকাশ করছে। একইসঙ্গে সংস্থাটি আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

কমেছে গ্যাসের সরবরাহ, বেড়েছে ভোগান্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) জানায়, তিন দিনের ব্যবধানে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩২ শতাংশ কমে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। মোট গ্যাস সরবরাহও নেমেছে ২ হাজার ৩০১ মিলিয়ন ঘনফুটে।
পেট্রোবাংলার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, এদিন দেশীয় ক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি বা আরএলএনজির সরবরাহ ছিল ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। আজ সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। তার মানে ৪০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কমেছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রান্না করতে করতে পারছে না রাজধানীর লাখ লাখ পরিবার। তাদের মধ্যে অনেকেই হোটেল বা রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে এনে খাচ্ছে। আবার অনেক পরিবার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছে। এ বিষয়ে রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগ এলাকার সোমা আক্তার নামে এক গৃহিনী বলেন, ‘প্রতিদিন বেলা একটার সময় গ্যাস আসলে দুপুরের রান্না শুরু করতাম। কিন্তু মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় গ্যাস আসে। তাই ওইদিন দুপুরের রান্না আর করা সম্ভব হয়নি।’
অনিবার্য সাময়িক অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা দুঃখ প্রকাশ করছে। একইসঙ্গে সংস্থাটি আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।








