পদ্মায় ধরা পড়লো ২৪ কেজির বাঘাড়, ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি

পদ্মায় ধরা পড়লো ২৪ কেজির বাঘাড়, ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মালুচি এলাকায় পদ্মা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাড় মাছ ধরা পড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক জেলের জালে মহাবিপন্ন প্রজাতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় এটি বিক্রি করা হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শিবালয়ের মালুচি এলাকার পদ্মা নদীতে মাছটি ধরা পড়ে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী তাপস হালদার সেটি কিনে ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসেন। পরে চারজন ব্যবসায়ী মাছটি তার কাছ থেকে কিনে নেন।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকা অনুযায়ী, বাগাড় একটি মহাবিপন্ন প্রাণী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, বাগাড় শিকার করা, ধরা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না থাকায় বাগাড় শিকার এবং প্রকাশ্যে বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বাঘাড় মাছ ধরা পড়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও জানান, বন অধিদপ্তর বাঘাড় মাছকে মহাবিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
হরিরামপুর ও শিবালয় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঘাড় মাছ রক্ষা করার দায়িত্ব বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ইউনিটের। এই মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে জেলেদের নিষেধ করার পাশাপাশি বন্যপ্রাণী ইউনিটের সঙ্গে তারা সমন্বয় করে কাজ করছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মালুচি এলাকায় পদ্মা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাড় মাছ ধরা পড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক জেলের জালে মহাবিপন্ন প্রজাতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় এটি বিক্রি করা হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শিবালয়ের মালুচি এলাকার পদ্মা নদীতে মাছটি ধরা পড়ে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী তাপস হালদার সেটি কিনে ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসেন। পরে চারজন ব্যবসায়ী মাছটি তার কাছ থেকে কিনে নেন।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকা অনুযায়ী, বাগাড় একটি মহাবিপন্ন প্রাণী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, বাগাড় শিকার করা, ধরা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না থাকায় বাগাড় শিকার এবং প্রকাশ্যে বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বাঘাড় মাছ ধরা পড়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও জানান, বন অধিদপ্তর বাঘাড় মাছকে মহাবিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
হরিরামপুর ও শিবালয় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঘাড় মাছ রক্ষা করার দায়িত্ব বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ইউনিটের। এই মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে জেলেদের নিষেধ করার পাশাপাশি বন্যপ্রাণী ইউনিটের সঙ্গে তারা সমন্বয় করে কাজ করছেন।

পদ্মায় ধরা পড়লো ২৪ কেজির বাঘাড়, ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মালুচি এলাকায় পদ্মা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাড় মাছ ধরা পড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক জেলের জালে মহাবিপন্ন প্রজাতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় এটি বিক্রি করা হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শিবালয়ের মালুচি এলাকার পদ্মা নদীতে মাছটি ধরা পড়ে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী তাপস হালদার সেটি কিনে ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসেন। পরে চারজন ব্যবসায়ী মাছটি তার কাছ থেকে কিনে নেন।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকা অনুযায়ী, বাগাড় একটি মহাবিপন্ন প্রাণী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, বাগাড় শিকার করা, ধরা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না থাকায় বাগাড় শিকার এবং প্রকাশ্যে বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বাঘাড় মাছ ধরা পড়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও জানান, বন অধিদপ্তর বাঘাড় মাছকে মহাবিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
হরিরামপুর ও শিবালয় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঘাড় মাছ রক্ষা করার দায়িত্ব বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ইউনিটের। এই মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে জেলেদের নিষেধ করার পাশাপাশি বন্যপ্রাণী ইউনিটের সঙ্গে তারা সমন্বয় করে কাজ করছেন।









