পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে আঁতাত করে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে আঁতাত করে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের জনগণকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে যারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তাদের সঙ্গে গোপনে ৫ আগস্ট দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়া স্বৈরাচারের যোগাযোগ রয়েছে। শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তবে সম্প্রতি কেউ কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যাদের কথা বলতে শোনা যায়নি, তারাই এখন বেশি সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তারা বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের জনমুখী কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। তাই যারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করা চেষ্টা করছে– তাদের ব্যাপারে সবাই সজাগ থাকতে হবে।
রামিসা হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে আইনেরও নিয়ম-নীতিমালা আছে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ইস্যু তৈরি করে যারা অরাজগতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা কিন্তু কখনও জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কোনো কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। এদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে এবং উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে।

দেশের জনগণকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে যারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তাদের সঙ্গে গোপনে ৫ আগস্ট দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়া স্বৈরাচারের যোগাযোগ রয়েছে। শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তবে সম্প্রতি কেউ কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যাদের কথা বলতে শোনা যায়নি, তারাই এখন বেশি সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তারা বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের জনমুখী কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। তাই যারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করা চেষ্টা করছে– তাদের ব্যাপারে সবাই সজাগ থাকতে হবে।
রামিসা হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে আইনেরও নিয়ম-নীতিমালা আছে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ইস্যু তৈরি করে যারা অরাজগতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা কিন্তু কখনও জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কোনো কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। এদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে এবং উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে।

পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে আঁতাত করে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের জনগণকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে যারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তাদের সঙ্গে গোপনে ৫ আগস্ট দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়া স্বৈরাচারের যোগাযোগ রয়েছে। শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তবে সম্প্রতি কেউ কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যাদের কথা বলতে শোনা যায়নি, তারাই এখন বেশি সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তারা বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের জনমুখী কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। তাই যারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করা চেষ্টা করছে– তাদের ব্যাপারে সবাই সজাগ থাকতে হবে।
রামিসা হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে আইনেরও নিয়ম-নীতিমালা আছে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ইস্যু তৈরি করে যারা অরাজগতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা কিন্তু কখনও জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কোনো কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। এদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে এবং উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে।

ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


