বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল লবঙ্গ, চিনবেন যেভাবে

বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল লবঙ্গ, চিনবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক

মশলার বাজারে ভেজালের অভিযোগ নতুন নয়। হলুদ, মরিচ, এলাচের মতো পরিচিত মসলার পর এবার নকল লবঙ্গ নিয়েও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দেখতে অনেকটা আসল লবঙ্গের মতো হলেও কিছু ক্ষেত্রে বাজারে বিক্রি হচ্ছে তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ। আবার কোথাও লবঙ্গের শুকনো ডাল বা কাঠের টুকরোতে কৃত্রিম রং ব্যবহার করে তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে কম দামে লবঙ্গ কিনতে গেলে ক্রেতাদের বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ, দেখতে একই রকম হলেও ভেজাল লবঙ্গে আসল মসলার স্বাদ, গন্ধ ও গুণাগুণ নাও থাকতে পারে।
আসল লবঙ্গ থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এসেনশিয়াল অয়েল বা সুগন্ধি তেল বের করে নেওয়া হয়। তেল নিষ্কাশনের পর অবশিষ্ট অংশ দেখতে অনেকটা লবঙ্গের মতো থাকলেও এতে আগের মতো সুগন্ধ ও স্বাদ থাকে না। এই ধরনের লবঙ্গও বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়।
এ ছাড়া লবঙ্গের ওজন বাড়াতে শুকনো ডালপালা বা কাঠের ছোট টুকরো মেশানোর অভিযোগও রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব কাঠ বা ডালপালায় কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়, যাতে সেগুলো দেখতে লবঙ্গের মতো মনে হয়।
নিম্নমানের বা ভেজাল মসলা নিয়মিত খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি মসলায় অননুমোদিত কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, দীর্ঘদিন সেবনে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অন্যদিকে, তেল বের করে নেওয়া বা নিম্নমানের লবঙ্গে আসল লবঙ্গের স্বাভাবিক সুগন্ধ ও সক্রিয় উপাদান কমে যেতে পারে। ফলে রান্নায় এটি ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাদ ও গন্ধ পাওয়া যায় না।
আসল লবঙ্গ চেনার উপায়
পানিতে পরীক্ষা: এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি লবঙ্গ ভিজিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। প্রচলিতভাবে বলা হয়, তুলনামূলক ভারী ও তেলসমৃদ্ধ লবঙ্গ পানিতে ডুবে যেতে পারে বা খাড়া অবস্থায় থাকে। আর অতিরিক্ত হালকা বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ ভেসে থাকে। তবে শুধু এই পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে লবঙ্গের আসল-নকল নিশ্চিত করা যায় না।
গন্ধ পরীক্ষা: একটি লবঙ্গ হাতে নিয়ে সামান্য ভেঙে বা ঘষে দেখুন। আসল লবঙ্গে সাধারণত তীব্র ও পরিচিত মসলার সুগন্ধ থাকে। গন্ধ একেবারেই না থাকলে সেটি পুরোনো, নিম্নমানের বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ হতে পারে।
রং ও গঠন: ভালো মানের শুকনো লবঙ্গ সাধারণত গাঢ় বাদামি থেকে বাদামি-কালচে রঙের হয়। অতিরিক্ত অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রং, অসম গঠন কিংবা কাঠের মতো শক্ত ও অস্বাভাবিক অংশ চোখে পড়লে সতর্ক হওয়া উচিত।

মশলার বাজারে ভেজালের অভিযোগ নতুন নয়। হলুদ, মরিচ, এলাচের মতো পরিচিত মসলার পর এবার নকল লবঙ্গ নিয়েও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দেখতে অনেকটা আসল লবঙ্গের মতো হলেও কিছু ক্ষেত্রে বাজারে বিক্রি হচ্ছে তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ। আবার কোথাও লবঙ্গের শুকনো ডাল বা কাঠের টুকরোতে কৃত্রিম রং ব্যবহার করে তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে কম দামে লবঙ্গ কিনতে গেলে ক্রেতাদের বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ, দেখতে একই রকম হলেও ভেজাল লবঙ্গে আসল মসলার স্বাদ, গন্ধ ও গুণাগুণ নাও থাকতে পারে।
আসল লবঙ্গ থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এসেনশিয়াল অয়েল বা সুগন্ধি তেল বের করে নেওয়া হয়। তেল নিষ্কাশনের পর অবশিষ্ট অংশ দেখতে অনেকটা লবঙ্গের মতো থাকলেও এতে আগের মতো সুগন্ধ ও স্বাদ থাকে না। এই ধরনের লবঙ্গও বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়।
এ ছাড়া লবঙ্গের ওজন বাড়াতে শুকনো ডালপালা বা কাঠের ছোট টুকরো মেশানোর অভিযোগও রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব কাঠ বা ডালপালায় কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়, যাতে সেগুলো দেখতে লবঙ্গের মতো মনে হয়।
নিম্নমানের বা ভেজাল মসলা নিয়মিত খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি মসলায় অননুমোদিত কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, দীর্ঘদিন সেবনে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অন্যদিকে, তেল বের করে নেওয়া বা নিম্নমানের লবঙ্গে আসল লবঙ্গের স্বাভাবিক সুগন্ধ ও সক্রিয় উপাদান কমে যেতে পারে। ফলে রান্নায় এটি ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাদ ও গন্ধ পাওয়া যায় না।
আসল লবঙ্গ চেনার উপায়
পানিতে পরীক্ষা: এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি লবঙ্গ ভিজিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। প্রচলিতভাবে বলা হয়, তুলনামূলক ভারী ও তেলসমৃদ্ধ লবঙ্গ পানিতে ডুবে যেতে পারে বা খাড়া অবস্থায় থাকে। আর অতিরিক্ত হালকা বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ ভেসে থাকে। তবে শুধু এই পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে লবঙ্গের আসল-নকল নিশ্চিত করা যায় না।
গন্ধ পরীক্ষা: একটি লবঙ্গ হাতে নিয়ে সামান্য ভেঙে বা ঘষে দেখুন। আসল লবঙ্গে সাধারণত তীব্র ও পরিচিত মসলার সুগন্ধ থাকে। গন্ধ একেবারেই না থাকলে সেটি পুরোনো, নিম্নমানের বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ হতে পারে।
রং ও গঠন: ভালো মানের শুকনো লবঙ্গ সাধারণত গাঢ় বাদামি থেকে বাদামি-কালচে রঙের হয়। অতিরিক্ত অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রং, অসম গঠন কিংবা কাঠের মতো শক্ত ও অস্বাভাবিক অংশ চোখে পড়লে সতর্ক হওয়া উচিত।

বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল লবঙ্গ, চিনবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক

মশলার বাজারে ভেজালের অভিযোগ নতুন নয়। হলুদ, মরিচ, এলাচের মতো পরিচিত মসলার পর এবার নকল লবঙ্গ নিয়েও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দেখতে অনেকটা আসল লবঙ্গের মতো হলেও কিছু ক্ষেত্রে বাজারে বিক্রি হচ্ছে তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ। আবার কোথাও লবঙ্গের শুকনো ডাল বা কাঠের টুকরোতে কৃত্রিম রং ব্যবহার করে তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে কম দামে লবঙ্গ কিনতে গেলে ক্রেতাদের বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ, দেখতে একই রকম হলেও ভেজাল লবঙ্গে আসল মসলার স্বাদ, গন্ধ ও গুণাগুণ নাও থাকতে পারে।
আসল লবঙ্গ থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এসেনশিয়াল অয়েল বা সুগন্ধি তেল বের করে নেওয়া হয়। তেল নিষ্কাশনের পর অবশিষ্ট অংশ দেখতে অনেকটা লবঙ্গের মতো থাকলেও এতে আগের মতো সুগন্ধ ও স্বাদ থাকে না। এই ধরনের লবঙ্গও বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়।
এ ছাড়া লবঙ্গের ওজন বাড়াতে শুকনো ডালপালা বা কাঠের ছোট টুকরো মেশানোর অভিযোগও রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব কাঠ বা ডালপালায় কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়, যাতে সেগুলো দেখতে লবঙ্গের মতো মনে হয়।
নিম্নমানের বা ভেজাল মসলা নিয়মিত খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি মসলায় অননুমোদিত কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, দীর্ঘদিন সেবনে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অন্যদিকে, তেল বের করে নেওয়া বা নিম্নমানের লবঙ্গে আসল লবঙ্গের স্বাভাবিক সুগন্ধ ও সক্রিয় উপাদান কমে যেতে পারে। ফলে রান্নায় এটি ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাদ ও গন্ধ পাওয়া যায় না।
আসল লবঙ্গ চেনার উপায়
পানিতে পরীক্ষা: এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি লবঙ্গ ভিজিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। প্রচলিতভাবে বলা হয়, তুলনামূলক ভারী ও তেলসমৃদ্ধ লবঙ্গ পানিতে ডুবে যেতে পারে বা খাড়া অবস্থায় থাকে। আর অতিরিক্ত হালকা বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ ভেসে থাকে। তবে শুধু এই পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে লবঙ্গের আসল-নকল নিশ্চিত করা যায় না।
গন্ধ পরীক্ষা: একটি লবঙ্গ হাতে নিয়ে সামান্য ভেঙে বা ঘষে দেখুন। আসল লবঙ্গে সাধারণত তীব্র ও পরিচিত মসলার সুগন্ধ থাকে। গন্ধ একেবারেই না থাকলে সেটি পুরোনো, নিম্নমানের বা তেল বের করে নেওয়া লবঙ্গ হতে পারে।
রং ও গঠন: ভালো মানের শুকনো লবঙ্গ সাধারণত গাঢ় বাদামি থেকে বাদামি-কালচে রঙের হয়। অতিরিক্ত অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রং, অসম গঠন কিংবা কাঠের মতো শক্ত ও অস্বাভাবিক অংশ চোখে পড়লে সতর্ক হওয়া উচিত।

ক্লান্তি দূর করে দিনভর চাঙা রাখবে যেসব খাবার






