আদালতে ঢোকার আগে হেলমেট ছুড়ে যা বললেন আখতারুজ্জামান

আদালতে ঢোকার আগে হেলমেট ছুড়ে যা বললেন আখতারুজ্জামান
সিজেডএন ডেস্ক

বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আদালতে হাজির হয়ে পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আদালত ভবনে প্রবেশের আগে তার মাথা থেকে হেলমেট খুলে ছুড়ে ফেলেন তিনি। পরে মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আখতারুজ্জামানকে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন। আদালতে প্রবেশের আগে হেলমেট ছুড়ে ফেলে তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট মানি না। সরকারের অবৈধ অর্ডার মানি না। জুলুম, নির্যাতন করে আমাদেরকে থামানো যাবে না। জামায়াত জনগণের জন্য লড়বে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়বে।’
এরপর আদালতে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হয়েছে। আমি বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছি।’
গত বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিওতে তাকে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুমকিসূচক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে একটি ট্রলি থেকে জমজমের পানির জার ফেলে দিতে দেখা যায় তাকে।
বিমানবন্দর থানায় করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওই ঘটনার সময় ওয়ারেন্ট অফিসার কামালউদ্দিনকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন আখতারুজ্জামান। তবে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি বিমানবন্দরের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণ করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় দণ্ডবিধির আটটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩৫৩ ধারা জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য। বাকি ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮৬, ১৮৯, ২৯৪, ৩২৩, ৩৫২, ৫০৪ ও ৫০৬। এসব ধারার অধিকাংশই জামিনযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই।
বিমানবন্দর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হওয়ার পরদিন শুক্রবার রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরের ঘটনার পেছনে আখতারুজ্জামানের প্রতি কোনো কুচক্রী মহলের ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রিমান্ড শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বলে উল্লেখ করেন।
আখতারুজ্জামান একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে গত ডিসেম্বরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হন।

বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আদালতে হাজির হয়ে পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আদালত ভবনে প্রবেশের আগে তার মাথা থেকে হেলমেট খুলে ছুড়ে ফেলেন তিনি। পরে মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আখতারুজ্জামানকে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন। আদালতে প্রবেশের আগে হেলমেট ছুড়ে ফেলে তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট মানি না। সরকারের অবৈধ অর্ডার মানি না। জুলুম, নির্যাতন করে আমাদেরকে থামানো যাবে না। জামায়াত জনগণের জন্য লড়বে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়বে।’
এরপর আদালতে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হয়েছে। আমি বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছি।’
গত বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিওতে তাকে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুমকিসূচক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে একটি ট্রলি থেকে জমজমের পানির জার ফেলে দিতে দেখা যায় তাকে।
বিমানবন্দর থানায় করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওই ঘটনার সময় ওয়ারেন্ট অফিসার কামালউদ্দিনকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন আখতারুজ্জামান। তবে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি বিমানবন্দরের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণ করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় দণ্ডবিধির আটটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩৫৩ ধারা জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য। বাকি ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮৬, ১৮৯, ২৯৪, ৩২৩, ৩৫২, ৫০৪ ও ৫০৬। এসব ধারার অধিকাংশই জামিনযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই।
বিমানবন্দর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হওয়ার পরদিন শুক্রবার রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরের ঘটনার পেছনে আখতারুজ্জামানের প্রতি কোনো কুচক্রী মহলের ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রিমান্ড শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বলে উল্লেখ করেন।
আখতারুজ্জামান একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে গত ডিসেম্বরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হন।

আদালতে ঢোকার আগে হেলমেট ছুড়ে যা বললেন আখতারুজ্জামান
সিজেডএন ডেস্ক

বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আদালতে হাজির হয়ে পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আদালত ভবনে প্রবেশের আগে তার মাথা থেকে হেলমেট খুলে ছুড়ে ফেলেন তিনি। পরে মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আখতারুজ্জামানকে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন। আদালতে প্রবেশের আগে হেলমেট ছুড়ে ফেলে তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট মানি না। সরকারের অবৈধ অর্ডার মানি না। জুলুম, নির্যাতন করে আমাদেরকে থামানো যাবে না। জামায়াত জনগণের জন্য লড়বে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়বে।’
এরপর আদালতে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হয়েছে। আমি বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছি।’
গত বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিওতে তাকে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুমকিসূচক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে একটি ট্রলি থেকে জমজমের পানির জার ফেলে দিতে দেখা যায় তাকে।
বিমানবন্দর থানায় করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওই ঘটনার সময় ওয়ারেন্ট অফিসার কামালউদ্দিনকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন আখতারুজ্জামান। তবে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি বিমানবন্দরের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণ করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় দণ্ডবিধির আটটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩৫৩ ধারা জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য। বাকি ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮৬, ১৮৯, ২৯৪, ৩২৩, ৩৫২, ৫০৪ ও ৫০৬। এসব ধারার অধিকাংশই জামিনযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই।
বিমানবন্দর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হওয়ার পরদিন শুক্রবার রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরের ঘটনার পেছনে আখতারুজ্জামানের প্রতি কোনো কুচক্রী মহলের ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রিমান্ড শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বলে উল্লেখ করেন।
আখতারুজ্জামান একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে গত ডিসেম্বরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হন।









