যুক্তরাজ্যের দুই বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা ইরানের

যুক্তরাজ্যের দুই বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা ইরানের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ব্রিটেনের রয়্যাল নেভি ও রয়্যাল এয়ার ফোর্সকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে তেহরান। একই সঙ্গে দেশটির বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-কে ‘শত্রুভাবাপন্ন গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরান।
রবিবার (১ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা (আইআরএনএ)-র খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের নানা বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পাল্টা জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, ১৩ জুলাই লন্ডন যখন যুক্তরাজ্যের ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট ২০২৬’-এর আওতায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করে, তার ঠিক পরপরই এ কঠোর অবস্থান নেয় তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাজ্য তাদের সামরিক ও লজিস্টিক ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে ইরানবিরোধী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও বিভিন্ন পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে পরবর্তীতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে উত্তেজনা এখনো কমেনি।
সূত্র: ইরনা নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ব্রিটেনের রয়্যাল নেভি ও রয়্যাল এয়ার ফোর্সকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে তেহরান। একই সঙ্গে দেশটির বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-কে ‘শত্রুভাবাপন্ন গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরান।
রবিবার (১ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা (আইআরএনএ)-র খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের নানা বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পাল্টা জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, ১৩ জুলাই লন্ডন যখন যুক্তরাজ্যের ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট ২০২৬’-এর আওতায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করে, তার ঠিক পরপরই এ কঠোর অবস্থান নেয় তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাজ্য তাদের সামরিক ও লজিস্টিক ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে ইরানবিরোধী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও বিভিন্ন পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে পরবর্তীতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে উত্তেজনা এখনো কমেনি।
সূত্র: ইরনা নিউজ

যুক্তরাজ্যের দুই বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা ইরানের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ব্রিটেনের রয়্যাল নেভি ও রয়্যাল এয়ার ফোর্সকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে তেহরান। একই সঙ্গে দেশটির বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-কে ‘শত্রুভাবাপন্ন গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরান।
রবিবার (১ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা (আইআরএনএ)-র খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের নানা বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পাল্টা জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, ১৩ জুলাই লন্ডন যখন যুক্তরাজ্যের ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট ২০২৬’-এর আওতায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করে, তার ঠিক পরপরই এ কঠোর অবস্থান নেয় তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাজ্য তাদের সামরিক ও লজিস্টিক ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে ইরানবিরোধী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও বিভিন্ন পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে পরবর্তীতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে উত্তেজনা এখনো কমেনি।
সূত্র: ইরনা নিউজ

নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে কাজ চলছে: আইআরজিসি







