জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ক্যাম্পাস মাতাবেন জেমস

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ক্যাম্পাস মাতাবেন জেমস
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে র্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে প্রশাসন। দিনব্যাপী এসব আয়োজনের শেষ পর্বে সংগীত পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউল জেমস।
রবিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দিবসের কর্মসূচি জানানো হয়। একই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন অনুষ্ঠান ও নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি বের হবে। র্যালিটি রায়সাহেব বাজার হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরবে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসের দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৩টায় বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি পুতুলনাট্য মঞ্চায়ন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও রঙ্গভূমি এতে অংশ নেবে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করবে অফসাইড, কোমল গান্ধার, বিস্তৃত ও স্বরূপ ব্যান্ড। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চে উঠবেন নগরবাউল জেমস। উপাচার্যের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টার মধ্যে কনসার্ট শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন মূলত বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য। এর বাইরে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুধু মূল ফটক খোলা থাকবে। সেখানে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে।
সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রবেশের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেই ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। ওই দিন নতুন করে পরিচয়পত্র দেওয়া কঠিন হওয়ায় অনুষদভিত্তিক পরিচিতির মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কনসার্টের মূল আয়োজন বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে হলেও সেখানে জায়গা সীমিত। এ কারণে দর্শকদের সুবিধার্থে শহীদ মিনারের সামনে ও মূল মঞ্চের সামনে দুটি বড় এলইডি পর্দা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। ক্যাম্পাসের বাইরে জেমসের ভক্তদের জন্য বাহাদুর শাহ পার্কেও একটি জায়ান্ট স্ক্রিন স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।
শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসার বিষয়টি নিরুৎসাহিত করেছে প্রশাসন। উপাচার্য বলেন, জায়গা সীমিত হওয়ায় প্রত্যেকে পরিবারের তিন-চারজন সদস্য নিয়ে এলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি নিজের স্ত্রীকেও কনসার্টে আসার সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কনসার্ট শেষে শিক্ষার্থীদের বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইয়ের আশঙ্কা নিয়েও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়। বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, ক্যাম্পাসের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে র্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে প্রশাসন। দিনব্যাপী এসব আয়োজনের শেষ পর্বে সংগীত পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউল জেমস।
রবিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দিবসের কর্মসূচি জানানো হয়। একই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন অনুষ্ঠান ও নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি বের হবে। র্যালিটি রায়সাহেব বাজার হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরবে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসের দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৩টায় বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি পুতুলনাট্য মঞ্চায়ন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও রঙ্গভূমি এতে অংশ নেবে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করবে অফসাইড, কোমল গান্ধার, বিস্তৃত ও স্বরূপ ব্যান্ড। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চে উঠবেন নগরবাউল জেমস। উপাচার্যের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টার মধ্যে কনসার্ট শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন মূলত বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য। এর বাইরে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুধু মূল ফটক খোলা থাকবে। সেখানে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে।
সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রবেশের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেই ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। ওই দিন নতুন করে পরিচয়পত্র দেওয়া কঠিন হওয়ায় অনুষদভিত্তিক পরিচিতির মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কনসার্টের মূল আয়োজন বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে হলেও সেখানে জায়গা সীমিত। এ কারণে দর্শকদের সুবিধার্থে শহীদ মিনারের সামনে ও মূল মঞ্চের সামনে দুটি বড় এলইডি পর্দা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। ক্যাম্পাসের বাইরে জেমসের ভক্তদের জন্য বাহাদুর শাহ পার্কেও একটি জায়ান্ট স্ক্রিন স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।
শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসার বিষয়টি নিরুৎসাহিত করেছে প্রশাসন। উপাচার্য বলেন, জায়গা সীমিত হওয়ায় প্রত্যেকে পরিবারের তিন-চারজন সদস্য নিয়ে এলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি নিজের স্ত্রীকেও কনসার্টে আসার সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কনসার্ট শেষে শিক্ষার্থীদের বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইয়ের আশঙ্কা নিয়েও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়। বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, ক্যাম্পাসের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ক্যাম্পাস মাতাবেন জেমস
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে র্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে প্রশাসন। দিনব্যাপী এসব আয়োজনের শেষ পর্বে সংগীত পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউল জেমস।
রবিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দিবসের কর্মসূচি জানানো হয়। একই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন অনুষ্ঠান ও নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি বের হবে। র্যালিটি রায়সাহেব বাজার হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরবে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসের দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৩টায় বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি পুতুলনাট্য মঞ্চায়ন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও রঙ্গভূমি এতে অংশ নেবে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করবে অফসাইড, কোমল গান্ধার, বিস্তৃত ও স্বরূপ ব্যান্ড। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চে উঠবেন নগরবাউল জেমস। উপাচার্যের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টার মধ্যে কনসার্ট শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন মূলত বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য। এর বাইরে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুধু মূল ফটক খোলা থাকবে। সেখানে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে।
সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রবেশের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেই ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। ওই দিন নতুন করে পরিচয়পত্র দেওয়া কঠিন হওয়ায় অনুষদভিত্তিক পরিচিতির মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কনসার্টের মূল আয়োজন বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে হলেও সেখানে জায়গা সীমিত। এ কারণে দর্শকদের সুবিধার্থে শহীদ মিনারের সামনে ও মূল মঞ্চের সামনে দুটি বড় এলইডি পর্দা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। ক্যাম্পাসের বাইরে জেমসের ভক্তদের জন্য বাহাদুর শাহ পার্কেও একটি জায়ান্ট স্ক্রিন স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।
শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসার বিষয়টি নিরুৎসাহিত করেছে প্রশাসন। উপাচার্য বলেন, জায়গা সীমিত হওয়ায় প্রত্যেকে পরিবারের তিন-চারজন সদস্য নিয়ে এলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি নিজের স্ত্রীকেও কনসার্টে আসার সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কনসার্ট শেষে শিক্ষার্থীদের বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইয়ের আশঙ্কা নিয়েও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়। বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, ক্যাম্পাসের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি 






