আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় ইরানকে সঙ্গে নিতে হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় ইরানকে সঙ্গে নিতে হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের একটি নতুন ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো’ প্রয়োজন। সেখানে ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি এই অঞ্চলের জন্য একটি ‘সতর্কবার্তা’ হওয়া উচিত।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে কাতার ইকোনমিক ফোরামে থানি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইরান কাতারের প্রতিবেশী। তাই পুরো অঞ্চলকে দায়িত্বশীলভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইরানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক নিশ্চিত করাও জরুরি।’
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে সরাসরি হামলা শুরু করার পরিকল্পনা করছে- এমন খবর প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য এলো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে তার সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সকল মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
এছাড়াও ট্রাম্প ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে খুব বড় কিছু ঘটতে চলেছে’। ইরানকে নিয়ে তার বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, অর্থনৈতিকভাবে পচতে দেওয়া অথবা একটি চুক্তি করা’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তবে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোই ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার প্রধান শিকার হয়েছে।
এই অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বারবার হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।
বিশ্ব অর্থনীতিতেও এই যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জ্বালানি পরিবহন ও পণ্য আমদানির জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কিন্তু প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে কাতার চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতির মেয়াদ নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের চিন্তাভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
এদিকে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইয়েমেনে হুথি বাহিনীও দেশটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হুথিরা ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তারা সৌদি আরবের জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করেছে। পাশাপাশি রিয়াদ বিমানবন্দরেও হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের একটি নতুন ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো’ প্রয়োজন। সেখানে ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি এই অঞ্চলের জন্য একটি ‘সতর্কবার্তা’ হওয়া উচিত।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে কাতার ইকোনমিক ফোরামে থানি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইরান কাতারের প্রতিবেশী। তাই পুরো অঞ্চলকে দায়িত্বশীলভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইরানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক নিশ্চিত করাও জরুরি।’
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে সরাসরি হামলা শুরু করার পরিকল্পনা করছে- এমন খবর প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য এলো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে তার সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সকল মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
এছাড়াও ট্রাম্প ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে খুব বড় কিছু ঘটতে চলেছে’। ইরানকে নিয়ে তার বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, অর্থনৈতিকভাবে পচতে দেওয়া অথবা একটি চুক্তি করা’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তবে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোই ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার প্রধান শিকার হয়েছে।
এই অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বারবার হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।
বিশ্ব অর্থনীতিতেও এই যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জ্বালানি পরিবহন ও পণ্য আমদানির জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কিন্তু প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে কাতার চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতির মেয়াদ নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের চিন্তাভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
এদিকে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইয়েমেনে হুথি বাহিনীও দেশটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হুথিরা ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তারা সৌদি আরবের জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করেছে। পাশাপাশি রিয়াদ বিমানবন্দরেও হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় ইরানকে সঙ্গে নিতে হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের একটি নতুন ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো’ প্রয়োজন। সেখানে ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি এই অঞ্চলের জন্য একটি ‘সতর্কবার্তা’ হওয়া উচিত।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে কাতার ইকোনমিক ফোরামে থানি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইরান কাতারের প্রতিবেশী। তাই পুরো অঞ্চলকে দায়িত্বশীলভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইরানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক নিশ্চিত করাও জরুরি।’
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে সরাসরি হামলা শুরু করার পরিকল্পনা করছে- এমন খবর প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য এলো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে তার সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সকল মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
এছাড়াও ট্রাম্প ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে খুব বড় কিছু ঘটতে চলেছে’। ইরানকে নিয়ে তার বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, অর্থনৈতিকভাবে পচতে দেওয়া অথবা একটি চুক্তি করা’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তবে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোই ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার প্রধান শিকার হয়েছে।
এই অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বারবার হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।
বিশ্ব অর্থনীতিতেও এই যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জ্বালানি পরিবহন ও পণ্য আমদানির জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কিন্তু প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে কাতার চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতির মেয়াদ নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের চিন্তাভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
এদিকে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইয়েমেনে হুথি বাহিনীও দেশটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হুথিরা ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তারা সৌদি আরবের জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করেছে। পাশাপাশি রিয়াদ বিমানবন্দরেও হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইরানি এয়ারলাইন্স বন্ধের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের নতুন অস্ত্র বিশ্বকে চমকে দেবে: আইআরজিসি







