অস্ত্র বিশেষজ্ঞ থেকে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, কে এই আখলাঘি

অস্ত্র বিশেষজ্ঞ থেকে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, কে এই আখলাঘি
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাত ও যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অস্ত্র বিশেষজ্ঞ মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির অনলাইন পার্লামেন্ট অধিবেশনে ২৩৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিয়ে তিনি প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি প্রাণ হারান। এরপর থেকে সাময়িকভাবে মন্ত্রণালয়ের হাল ধরেছিলেন মজিদ ইবনে-রেজা। নতুন বিন্যাসে তিনি এখন আখলাঘির ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মূলত ইরানের সামরিক ও শিল্প অবকাঠামোকে নতুন করে গড়ে তোলা এবং এর পরিধি বাড়ানোর মূল ভার সামলাবেন কেতাবচি।
নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, প্রতিরক্ষা বিভাগে দীর্ঘ ৪২ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কেতাবচির। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজে থেকে গিয়ে কোনো দেশের ওপর হামলা বা আগ্রাসন চালাবে না, সেটি নিশ্চিত। তবে দেশের এক ইঞ্চি মাটি রক্ষায় মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতেও তারা পেছাবে না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে , ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন-জ্বালানি চালিত রকেট প্রযুক্তি, অ্যারোস্পেস এবং সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কেতাবচির বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। এর আগে তিনি শহীদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন এবং ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের শীর্ষ পদে ছিলেন। সামরিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের কারণে কেতাবচি নিজে এবং এ প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের কড়া নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। সেজ্জিল ও জুলফিকার সিরিজের মতো ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আলমাস ও ইয়াসিন নির্দেশিত বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।
সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন বহুগুণে বাড়ানো এবং এর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতেই কেতাবচিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের আক্রমণাত্মক অস্ত্রব্যবস্থা দ্রুত উন্নত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন কেতাবচি। ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর বিপরীতে নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং নিশ্চিন্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন ভাবতে হবে কীভাবে তার বাহিনীকে আমাদের অঞ্চল থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি একটি বোমা ফেলে থাকেন, তবে তাকে দেখতে হবে কতজন সেনাকে কফিনে সরিয়ে নিতে হচ্ছে।
তিনি জানান, ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পরেই আইআরজিসি প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিসহ দেশের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন। সে আলোচনার ভিত্তিতেই ইরানের সামরিক ব্যবস্থার দ্রুত আধুনিকায়ন, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করা এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাত ও যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অস্ত্র বিশেষজ্ঞ মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির অনলাইন পার্লামেন্ট অধিবেশনে ২৩৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিয়ে তিনি প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি প্রাণ হারান। এরপর থেকে সাময়িকভাবে মন্ত্রণালয়ের হাল ধরেছিলেন মজিদ ইবনে-রেজা। নতুন বিন্যাসে তিনি এখন আখলাঘির ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মূলত ইরানের সামরিক ও শিল্প অবকাঠামোকে নতুন করে গড়ে তোলা এবং এর পরিধি বাড়ানোর মূল ভার সামলাবেন কেতাবচি।
নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, প্রতিরক্ষা বিভাগে দীর্ঘ ৪২ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কেতাবচির। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজে থেকে গিয়ে কোনো দেশের ওপর হামলা বা আগ্রাসন চালাবে না, সেটি নিশ্চিত। তবে দেশের এক ইঞ্চি মাটি রক্ষায় মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতেও তারা পেছাবে না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে , ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন-জ্বালানি চালিত রকেট প্রযুক্তি, অ্যারোস্পেস এবং সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কেতাবচির বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। এর আগে তিনি শহীদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন এবং ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের শীর্ষ পদে ছিলেন। সামরিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের কারণে কেতাবচি নিজে এবং এ প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের কড়া নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। সেজ্জিল ও জুলফিকার সিরিজের মতো ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আলমাস ও ইয়াসিন নির্দেশিত বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।
সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন বহুগুণে বাড়ানো এবং এর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতেই কেতাবচিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের আক্রমণাত্মক অস্ত্রব্যবস্থা দ্রুত উন্নত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন কেতাবচি। ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর বিপরীতে নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং নিশ্চিন্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন ভাবতে হবে কীভাবে তার বাহিনীকে আমাদের অঞ্চল থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি একটি বোমা ফেলে থাকেন, তবে তাকে দেখতে হবে কতজন সেনাকে কফিনে সরিয়ে নিতে হচ্ছে।
তিনি জানান, ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পরেই আইআরজিসি প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিসহ দেশের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন। সে আলোচনার ভিত্তিতেই ইরানের সামরিক ব্যবস্থার দ্রুত আধুনিকায়ন, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করা এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

অস্ত্র বিশেষজ্ঞ থেকে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, কে এই আখলাঘি
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাত ও যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অস্ত্র বিশেষজ্ঞ মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির অনলাইন পার্লামেন্ট অধিবেশনে ২৩৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিয়ে তিনি প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি প্রাণ হারান। এরপর থেকে সাময়িকভাবে মন্ত্রণালয়ের হাল ধরেছিলেন মজিদ ইবনে-রেজা। নতুন বিন্যাসে তিনি এখন আখলাঘির ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মূলত ইরানের সামরিক ও শিল্প অবকাঠামোকে নতুন করে গড়ে তোলা এবং এর পরিধি বাড়ানোর মূল ভার সামলাবেন কেতাবচি।
নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, প্রতিরক্ষা বিভাগে দীর্ঘ ৪২ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কেতাবচির। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজে থেকে গিয়ে কোনো দেশের ওপর হামলা বা আগ্রাসন চালাবে না, সেটি নিশ্চিত। তবে দেশের এক ইঞ্চি মাটি রক্ষায় মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতেও তারা পেছাবে না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে , ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন-জ্বালানি চালিত রকেট প্রযুক্তি, অ্যারোস্পেস এবং সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কেতাবচির বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। এর আগে তিনি শহীদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন এবং ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের শীর্ষ পদে ছিলেন। সামরিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের কারণে কেতাবচি নিজে এবং এ প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের কড়া নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। সেজ্জিল ও জুলফিকার সিরিজের মতো ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আলমাস ও ইয়াসিন নির্দেশিত বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।
সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন বহুগুণে বাড়ানো এবং এর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতেই কেতাবচিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের আক্রমণাত্মক অস্ত্রব্যবস্থা দ্রুত উন্নত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন কেতাবচি। ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর বিপরীতে নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং নিশ্চিন্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন ভাবতে হবে কীভাবে তার বাহিনীকে আমাদের অঞ্চল থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি একটি বোমা ফেলে থাকেন, তবে তাকে দেখতে হবে কতজন সেনাকে কফিনে সরিয়ে নিতে হচ্ছে।
তিনি জানান, ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পরেই আইআরজিসি প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিসহ দেশের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন। সে আলোচনার ভিত্তিতেই ইরানের সামরিক ব্যবস্থার দ্রুত আধুনিকায়ন, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করা এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলকে ‘বিরানভূমিতে’ পরিণত করার হুমকি ইরানের







