ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়, ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া

ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়, ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানে রাশিয়ার ড্রোন সরবরাহের খবর প্রকাশিত হলেও, মস্কো সরাসরি তা অস্বীকার করেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহারের পর এবার পাল্টা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে মস্কো। তারা ইরানের জন্য ড্রোন, ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীর একটি বড় চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়া ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে গোপন আলোচনা শুরু হয়। চলতি মার্চ মাসের শুরুতে ড্রোনের চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ইরানের জন্য রাশিয়ার প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী সামরিক সহায়তা বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সহায়তা নয়, বরং রাজনৈতিক মিত্রতার একটি স্পষ্ট সংকেত।
ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ২০২৩ সাল থেকে বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতা রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের উৎপাদিত ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ সেনাবাহিনী। একই বছরের মধ্যে রাশিয়াতেও ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানকে গেরান-২ এবং শাহেদ-১৩৬ কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করা হচ্ছে। এই ড্রোন তেহরানের শাহেদ ড্রোনের নকশায় তৈরি।

সায়েন্সেস পো ইউনিভারসিটির ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক প্রফেসর নিকোল গ্রাজেউস্কি দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, শাহেদ ড্রোনকে নাটকীয়ভাবে উন্নত করে গড়ে তুলেছে রাশিয়া। তারা এর ইঞ্জিনসহ অন্যান্য সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। ফলে ইরান দেশীয়ভাবে যে ড্রোন উৎপাদন করছে তার তুলনায় এসব ড্রোন আরও বেশি আধুনিক ও উন্নত মানের।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, ইরানে ড্রোন সরবরাহ করার খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর একজন মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমে ‘অনেক মিথ্যা খবর ছাপা হচ্ছে’ এবং এগুলোর দিকে কোনো মনোযোগ দেয়ার প্রয়োজন নেই’।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এর আগে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘অটল সমর্থন’ দেয়ার কথা বলেছিলেন। তবে তিনি প্রকাশ্যে দাবি করে আসছেন, ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেওয়া হয়নি। যদিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এর ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করতে তেহরানকে গোয়েন্দা সহায়তা ও স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে বলে এর আগে খবর বেরিয়েছিল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্রান্সে জি-৭ বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল অভিযোগ করেন, ইরানকে হামলার লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সাহায্য করছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে রুশ হামলা থেকে বিশ্বের নজর সরাতেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ব্যবহার করতে চাইছেন।
এদিকে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার বিপুল আর্থিক লাভের তথ্যও সামনে এসেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রুশ তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন অন্তত ৭৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করছে মস্কো।

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানে রাশিয়ার ড্রোন সরবরাহের খবর প্রকাশিত হলেও, মস্কো সরাসরি তা অস্বীকার করেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহারের পর এবার পাল্টা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে মস্কো। তারা ইরানের জন্য ড্রোন, ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীর একটি বড় চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়া ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে গোপন আলোচনা শুরু হয়। চলতি মার্চ মাসের শুরুতে ড্রোনের চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ইরানের জন্য রাশিয়ার প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী সামরিক সহায়তা বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সহায়তা নয়, বরং রাজনৈতিক মিত্রতার একটি স্পষ্ট সংকেত।
ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ২০২৩ সাল থেকে বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতা রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের উৎপাদিত ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ সেনাবাহিনী। একই বছরের মধ্যে রাশিয়াতেও ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানকে গেরান-২ এবং শাহেদ-১৩৬ কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করা হচ্ছে। এই ড্রোন তেহরানের শাহেদ ড্রোনের নকশায় তৈরি।

সায়েন্সেস পো ইউনিভারসিটির ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক প্রফেসর নিকোল গ্রাজেউস্কি দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, শাহেদ ড্রোনকে নাটকীয়ভাবে উন্নত করে গড়ে তুলেছে রাশিয়া। তারা এর ইঞ্জিনসহ অন্যান্য সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। ফলে ইরান দেশীয়ভাবে যে ড্রোন উৎপাদন করছে তার তুলনায় এসব ড্রোন আরও বেশি আধুনিক ও উন্নত মানের।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, ইরানে ড্রোন সরবরাহ করার খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর একজন মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমে ‘অনেক মিথ্যা খবর ছাপা হচ্ছে’ এবং এগুলোর দিকে কোনো মনোযোগ দেয়ার প্রয়োজন নেই’।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এর আগে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘অটল সমর্থন’ দেয়ার কথা বলেছিলেন। তবে তিনি প্রকাশ্যে দাবি করে আসছেন, ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেওয়া হয়নি। যদিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এর ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করতে তেহরানকে গোয়েন্দা সহায়তা ও স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে বলে এর আগে খবর বেরিয়েছিল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্রান্সে জি-৭ বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল অভিযোগ করেন, ইরানকে হামলার লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সাহায্য করছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে রুশ হামলা থেকে বিশ্বের নজর সরাতেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ব্যবহার করতে চাইছেন।
এদিকে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার বিপুল আর্থিক লাভের তথ্যও সামনে এসেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রুশ তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন অন্তত ৭৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করছে মস্কো।

ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়, ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানে রাশিয়ার ড্রোন সরবরাহের খবর প্রকাশিত হলেও, মস্কো সরাসরি তা অস্বীকার করেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহারের পর এবার পাল্টা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে মস্কো। তারা ইরানের জন্য ড্রোন, ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীর একটি বড় চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়া ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে গোপন আলোচনা শুরু হয়। চলতি মার্চ মাসের শুরুতে ড্রোনের চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ইরানের জন্য রাশিয়ার প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী সামরিক সহায়তা বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সহায়তা নয়, বরং রাজনৈতিক মিত্রতার একটি স্পষ্ট সংকেত।
ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ২০২৩ সাল থেকে বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতা রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের উৎপাদিত ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ সেনাবাহিনী। একই বছরের মধ্যে রাশিয়াতেও ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানকে গেরান-২ এবং শাহেদ-১৩৬ কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করা হচ্ছে। এই ড্রোন তেহরানের শাহেদ ড্রোনের নকশায় তৈরি।

সায়েন্সেস পো ইউনিভারসিটির ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক প্রফেসর নিকোল গ্রাজেউস্কি দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, শাহেদ ড্রোনকে নাটকীয়ভাবে উন্নত করে গড়ে তুলেছে রাশিয়া। তারা এর ইঞ্জিনসহ অন্যান্য সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। ফলে ইরান দেশীয়ভাবে যে ড্রোন উৎপাদন করছে তার তুলনায় এসব ড্রোন আরও বেশি আধুনিক ও উন্নত মানের।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, ইরানে ড্রোন সরবরাহ করার খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর একজন মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমে ‘অনেক মিথ্যা খবর ছাপা হচ্ছে’ এবং এগুলোর দিকে কোনো মনোযোগ দেয়ার প্রয়োজন নেই’।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এর আগে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘অটল সমর্থন’ দেয়ার কথা বলেছিলেন। তবে তিনি প্রকাশ্যে দাবি করে আসছেন, ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেওয়া হয়নি। যদিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এর ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করতে তেহরানকে গোয়েন্দা সহায়তা ও স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে বলে এর আগে খবর বেরিয়েছিল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্রান্সে জি-৭ বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল অভিযোগ করেন, ইরানকে হামলার লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সাহায্য করছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে রুশ হামলা থেকে বিশ্বের নজর সরাতেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ব্যবহার করতে চাইছেন।
এদিকে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার বিপুল আর্থিক লাভের তথ্যও সামনে এসেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রুশ তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন অন্তত ৭৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করছে মস্কো।




