হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধে সৌদি সেনাদের জীবন উৎসর্গের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান গ্র্যান্ড মুফতির

হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধে সৌদি সেনাদের জীবন উৎসর্গের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান গ্র্যান্ড মুফতির
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানসমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমনে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যদের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। সাধারণত রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাতে গ্র্যান্ড মুফতির মতো শীর্ষ পদের কর্মকর্তারা সরাসরি এমন মন্তব্য করেন না, যা এই বক্তব্যকে বেশ আলাদা করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, ‘এ মহান দেশকে রক্ষা করা এবং যারা এ ভূখণ্ডের এক ইঞ্চি জায়গাতেও অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কর্তব্য এবং অত্যন্ত পূণ্যের ইবাদত। এটি এমন ইবাদত, যেটি পালন করার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে জীবন ও আত্মা উৎসর্গ করা যেতে পারে।’
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জরুরি দায়িত্বগুলোর অন্যতম। হুথিদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাদের সহযোগিতা করেন এবং আমাদের প্রিয় দেশ ও ইয়েমেনকে সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। আমরা আরও দোয়া করি, তিনি যেন হুথি গোষ্ঠী এবং যারা তাদের সহযোগিতা করছে- তাদের সম্পূর্ণ পরাজয় নিশ্চিত করেন।’
যুদ্ধের মাঠে সামনের সারিতে থাকা সৈনিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সম্মুখসারিতে দায়িত্বরত ভাইরা, আপনাদের আবশ্যিক কর্তব্য হলো- নিজেদের দায়িত্ব পালনে সর্বদা প্রস্তুত থাকা, শাসক ও মাঠপর্যায়ে কমান্ডারদের নির্দেশ মেনে চলা এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আদেশ পালন করা। ঠিক যেমনটি সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার নবীর সাহাবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আপনারা নবীর সাহাবীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন এবং মুসলমানদের পবিত্র স্থানসমূহ রক্ষা করছেন।’
উল্লেখ্য, শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশটির সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় ও আইনি পদে সরাসরি বাদশার ডিক্রিতে নিয়োগ পান তিনি এবং এর মর্যাদা মন্ত্রীর সমতুল্য। জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা স্থায়ী কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি ইসলামি বিধিবিধানের সঠিক পথনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক ও সামরিক ইস্যুতে তার মতো শীর্ষ নেতার এমন সরাসরি বক্তব্য আসার ঘটনা খুবই কম।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছিল। প্রায় চার বছর পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত থাকলেও ১৩ জুলাই সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে, যা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানসমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমনে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যদের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। সাধারণত রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাতে গ্র্যান্ড মুফতির মতো শীর্ষ পদের কর্মকর্তারা সরাসরি এমন মন্তব্য করেন না, যা এই বক্তব্যকে বেশ আলাদা করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, ‘এ মহান দেশকে রক্ষা করা এবং যারা এ ভূখণ্ডের এক ইঞ্চি জায়গাতেও অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কর্তব্য এবং অত্যন্ত পূণ্যের ইবাদত। এটি এমন ইবাদত, যেটি পালন করার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে জীবন ও আত্মা উৎসর্গ করা যেতে পারে।’
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জরুরি দায়িত্বগুলোর অন্যতম। হুথিদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাদের সহযোগিতা করেন এবং আমাদের প্রিয় দেশ ও ইয়েমেনকে সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। আমরা আরও দোয়া করি, তিনি যেন হুথি গোষ্ঠী এবং যারা তাদের সহযোগিতা করছে- তাদের সম্পূর্ণ পরাজয় নিশ্চিত করেন।’
যুদ্ধের মাঠে সামনের সারিতে থাকা সৈনিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সম্মুখসারিতে দায়িত্বরত ভাইরা, আপনাদের আবশ্যিক কর্তব্য হলো- নিজেদের দায়িত্ব পালনে সর্বদা প্রস্তুত থাকা, শাসক ও মাঠপর্যায়ে কমান্ডারদের নির্দেশ মেনে চলা এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আদেশ পালন করা। ঠিক যেমনটি সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার নবীর সাহাবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আপনারা নবীর সাহাবীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন এবং মুসলমানদের পবিত্র স্থানসমূহ রক্ষা করছেন।’
উল্লেখ্য, শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশটির সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় ও আইনি পদে সরাসরি বাদশার ডিক্রিতে নিয়োগ পান তিনি এবং এর মর্যাদা মন্ত্রীর সমতুল্য। জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা স্থায়ী কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি ইসলামি বিধিবিধানের সঠিক পথনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক ও সামরিক ইস্যুতে তার মতো শীর্ষ নেতার এমন সরাসরি বক্তব্য আসার ঘটনা খুবই কম।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছিল। প্রায় চার বছর পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত থাকলেও ১৩ জুলাই সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে, যা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধে সৌদি সেনাদের জীবন উৎসর্গের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান গ্র্যান্ড মুফতির
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানসমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমনে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যদের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। সাধারণত রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাতে গ্র্যান্ড মুফতির মতো শীর্ষ পদের কর্মকর্তারা সরাসরি এমন মন্তব্য করেন না, যা এই বক্তব্যকে বেশ আলাদা করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, ‘এ মহান দেশকে রক্ষা করা এবং যারা এ ভূখণ্ডের এক ইঞ্চি জায়গাতেও অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কর্তব্য এবং অত্যন্ত পূণ্যের ইবাদত। এটি এমন ইবাদত, যেটি পালন করার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে জীবন ও আত্মা উৎসর্গ করা যেতে পারে।’
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জরুরি দায়িত্বগুলোর অন্যতম। হুথিদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাদের সহযোগিতা করেন এবং আমাদের প্রিয় দেশ ও ইয়েমেনকে সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। আমরা আরও দোয়া করি, তিনি যেন হুথি গোষ্ঠী এবং যারা তাদের সহযোগিতা করছে- তাদের সম্পূর্ণ পরাজয় নিশ্চিত করেন।’
যুদ্ধের মাঠে সামনের সারিতে থাকা সৈনিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সম্মুখসারিতে দায়িত্বরত ভাইরা, আপনাদের আবশ্যিক কর্তব্য হলো- নিজেদের দায়িত্ব পালনে সর্বদা প্রস্তুত থাকা, শাসক ও মাঠপর্যায়ে কমান্ডারদের নির্দেশ মেনে চলা এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আদেশ পালন করা। ঠিক যেমনটি সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার নবীর সাহাবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আপনারা নবীর সাহাবীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন এবং মুসলমানদের পবিত্র স্থানসমূহ রক্ষা করছেন।’
উল্লেখ্য, শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশটির সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় ও আইনি পদে সরাসরি বাদশার ডিক্রিতে নিয়োগ পান তিনি এবং এর মর্যাদা মন্ত্রীর সমতুল্য। জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা স্থায়ী কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি ইসলামি বিধিবিধানের সঠিক পথনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক ও সামরিক ইস্যুতে তার মতো শীর্ষ নেতার এমন সরাসরি বক্তব্য আসার ঘটনা খুবই কম।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছিল। প্রায় চার বছর পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত থাকলেও ১৩ জুলাই সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে, যা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে মিত্র দেশগুলো







