হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে মিত্র দেশগুলো

হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে মিত্র দেশগুলো
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্ষায় এবার পাশে দাঁড়াচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক প্রধানরা একটি জরুরি ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছেন। মূলত বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে সম্ভাব্য সব উপায়ে সহায়তার উপায় বের করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে সেনা পাঠানোএ ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে হুথিরা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে গত কিছুদিন ধরে তারা বারবার সৌদি আরবের ভেতরেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, তার জের ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন উত্তপ্ত। এর মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের তেল সরবরাহ ব্যাহত করছে হুথি বিদ্রোহীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। অন্যদিকে, সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হুথিদের ছোঁড়া অন্তত ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
টানা এসব হামলার জেরে পবিত্র নগরী মক্কা, জেদ্দা এবং লোহিত সাগরের প্রধান তেল বন্দর ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। এমনকি হুথিদের ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়ার জন্য সেনাদের প্রস্তুত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মুফতি।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোর আওতায় একটি বৈঠকে অংশ নেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মক্কা এবং অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তিন দেশ। পাশাপাশি, সৌদি আরবের নিজেদের রক্ষা করার আইনি অধিকারকে তারা জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন।
এদিকে, এ বৈঠকের ঘোষণা আসার ঠিক আগের দিনই বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি টিভি সাক্ষাৎকারে হুথিদের সঙ্গে দেশটির কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার পরদিন ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, হুথিরা তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেরাই দায়ী।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্ষায় এবার পাশে দাঁড়াচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক প্রধানরা একটি জরুরি ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছেন। মূলত বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে সম্ভাব্য সব উপায়ে সহায়তার উপায় বের করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে সেনা পাঠানোএ ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে হুথিরা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে গত কিছুদিন ধরে তারা বারবার সৌদি আরবের ভেতরেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, তার জের ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন উত্তপ্ত। এর মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের তেল সরবরাহ ব্যাহত করছে হুথি বিদ্রোহীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। অন্যদিকে, সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হুথিদের ছোঁড়া অন্তত ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
টানা এসব হামলার জেরে পবিত্র নগরী মক্কা, জেদ্দা এবং লোহিত সাগরের প্রধান তেল বন্দর ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। এমনকি হুথিদের ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়ার জন্য সেনাদের প্রস্তুত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মুফতি।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোর আওতায় একটি বৈঠকে অংশ নেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মক্কা এবং অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তিন দেশ। পাশাপাশি, সৌদি আরবের নিজেদের রক্ষা করার আইনি অধিকারকে তারা জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন।
এদিকে, এ বৈঠকের ঘোষণা আসার ঠিক আগের দিনই বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি টিভি সাক্ষাৎকারে হুথিদের সঙ্গে দেশটির কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার পরদিন ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, হুথিরা তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেরাই দায়ী।

হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে মিত্র দেশগুলো
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্ষায় এবার পাশে দাঁড়াচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক প্রধানরা একটি জরুরি ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছেন। মূলত বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে সম্ভাব্য সব উপায়ে সহায়তার উপায় বের করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে সেনা পাঠানোএ ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে হুথিরা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে গত কিছুদিন ধরে তারা বারবার সৌদি আরবের ভেতরেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, তার জের ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন উত্তপ্ত। এর মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের তেল সরবরাহ ব্যাহত করছে হুথি বিদ্রোহীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। অন্যদিকে, সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হুথিদের ছোঁড়া অন্তত ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
টানা এসব হামলার জেরে পবিত্র নগরী মক্কা, জেদ্দা এবং লোহিত সাগরের প্রধান তেল বন্দর ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। এমনকি হুথিদের ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়ার জন্য সেনাদের প্রস্তুত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মুফতি।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোর আওতায় একটি বৈঠকে অংশ নেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মক্কা এবং অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তিন দেশ। পাশাপাশি, সৌদি আরবের নিজেদের রক্ষা করার আইনি অধিকারকে তারা জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন।
এদিকে, এ বৈঠকের ঘোষণা আসার ঠিক আগের দিনই বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি টিভি সাক্ষাৎকারে হুথিদের সঙ্গে দেশটির কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার পরদিন ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, হুথিরা তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেরাই দায়ী।

রিয়াদে বসছে পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদির সেনাপ্রধানদের জরুরি বৈঠক







