হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলকে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের

হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলকে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

রবিবার (৫ এপ্রিল) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।
শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে বাদ দিয়ে পারস্য উপসাগরে একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তেহরান এ পদক্ষেপ নিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইআরজিসি জানায়, ইরানি কর্মকর্তাদের বর্ণিত পারস্য উপসাগরের 'নতুন ব্যবস্থা' বাস্তবায়নের জন্য তারা অপারেশনাল প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিবৃতির কয়েকদিন আগেই ইরানের পার্লামেন্টারি কমিটিতে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়। সেখানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ট্রানজিট ফি আরোপের কথা বলা হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনে ট্রানজিট ফি ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়ালে পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ট্রানজিট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং যেসব দেশ ইরানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ায় প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব, সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশগত ইস্যু এবং ওমানের সঙ্গে আইনি সহযোগিতার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রবিবার (৫ এপ্রিল) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।
শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে বাদ দিয়ে পারস্য উপসাগরে একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তেহরান এ পদক্ষেপ নিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইআরজিসি জানায়, ইরানি কর্মকর্তাদের বর্ণিত পারস্য উপসাগরের 'নতুন ব্যবস্থা' বাস্তবায়নের জন্য তারা অপারেশনাল প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিবৃতির কয়েকদিন আগেই ইরানের পার্লামেন্টারি কমিটিতে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়। সেখানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ট্রানজিট ফি আরোপের কথা বলা হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনে ট্রানজিট ফি ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়ালে পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ট্রানজিট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং যেসব দেশ ইরানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ায় প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব, সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশগত ইস্যু এবং ওমানের সঙ্গে আইনি সহযোগিতার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলকে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

রবিবার (৫ এপ্রিল) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।
শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে বাদ দিয়ে পারস্য উপসাগরে একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তেহরান এ পদক্ষেপ নিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইআরজিসি জানায়, ইরানি কর্মকর্তাদের বর্ণিত পারস্য উপসাগরের 'নতুন ব্যবস্থা' বাস্তবায়নের জন্য তারা অপারেশনাল প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিবৃতির কয়েকদিন আগেই ইরানের পার্লামেন্টারি কমিটিতে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়। সেখানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ট্রানজিট ফি আরোপের কথা বলা হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনে ট্রানজিট ফি ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়ালে পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ট্রানজিট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং যেসব দেশ ইরানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ায় প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব, সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশগত ইস্যু এবং ওমানের সঙ্গে আইনি সহযোগিতার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি




