প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই: ইরান

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই: ইরান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বিন্দুমাত্র বৈরিতা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। তবে কেউ যদি ঘরের দরজা খুলে দিয়ে শত্রুর পিঠ চুলকে দেয়, আর সেই সুযোগে তেহরানের ওপর আঁচড় আসে, তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না দেশটি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা উত্তেজনার মাঝে কেন কয়েকটি আরব দেশে পাল্টা রকেট বা ড্রোন আছড়ে পড়েছিল, সেটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই এমন কড়া বার্তা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক ব্রিফিংয়ে এ কথাগুলো বলেন। আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যখন ইরানের ভৌগলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন ও ইরানের নাগরিকদের হুমকির মুখে ফেলা হয় তখন ইরান চুপ করে থাকতে পারে না।
যুদ্ধের দিনগুলোতে আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে হামলার ঘটনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাঘাই জানান, ওই দেশগুলোর নিজস্ব ভুল নীতির খেসারত হিসেবেই এমনটা হয়েছে। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এসব দেশের অত্যাধিক নির্ভরতা এবং বিশ্বাসের কারণে হয়েছে। আর কিছু ক্ষেত্রে তারা সরাসরি ইরানের ওপর হামলায় যোগ দেওয়ায় এগুলো ঘটেছে। প্রতিবেশীদের উদ্দেশে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে তেহরান- বিশ্বাস ফেরানোর রাস্তা একটাই। সেটি হলো, নিজেদের মাটি ব্যবহার করে কেউ যেন আর কোনো দিন ইরানের দিকে আঙুল তোলার সুযোগ না পায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গুঞ্জন চলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হতেই যেকোনো সময় তেহরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে ইরানও চুপ করে থাকার পাত্র নয়। ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছে, এবার আর ভৌগলিক সীমানার গণ্ডির মধ্যে আটকে থেকে শুধু নিয়মরক্ষার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে না। পরের আঘাতটা হবে আরও অনেক বেশি তীব্র ও কঠোর।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বিন্দুমাত্র বৈরিতা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। তবে কেউ যদি ঘরের দরজা খুলে দিয়ে শত্রুর পিঠ চুলকে দেয়, আর সেই সুযোগে তেহরানের ওপর আঁচড় আসে, তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না দেশটি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা উত্তেজনার মাঝে কেন কয়েকটি আরব দেশে পাল্টা রকেট বা ড্রোন আছড়ে পড়েছিল, সেটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই এমন কড়া বার্তা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক ব্রিফিংয়ে এ কথাগুলো বলেন। আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যখন ইরানের ভৌগলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন ও ইরানের নাগরিকদের হুমকির মুখে ফেলা হয় তখন ইরান চুপ করে থাকতে পারে না।
যুদ্ধের দিনগুলোতে আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে হামলার ঘটনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাঘাই জানান, ওই দেশগুলোর নিজস্ব ভুল নীতির খেসারত হিসেবেই এমনটা হয়েছে। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এসব দেশের অত্যাধিক নির্ভরতা এবং বিশ্বাসের কারণে হয়েছে। আর কিছু ক্ষেত্রে তারা সরাসরি ইরানের ওপর হামলায় যোগ দেওয়ায় এগুলো ঘটেছে। প্রতিবেশীদের উদ্দেশে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে তেহরান- বিশ্বাস ফেরানোর রাস্তা একটাই। সেটি হলো, নিজেদের মাটি ব্যবহার করে কেউ যেন আর কোনো দিন ইরানের দিকে আঙুল তোলার সুযোগ না পায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গুঞ্জন চলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হতেই যেকোনো সময় তেহরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে ইরানও চুপ করে থাকার পাত্র নয়। ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছে, এবার আর ভৌগলিক সীমানার গণ্ডির মধ্যে আটকে থেকে শুধু নিয়মরক্ষার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে না। পরের আঘাতটা হবে আরও অনেক বেশি তীব্র ও কঠোর।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই: ইরান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বিন্দুমাত্র বৈরিতা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। তবে কেউ যদি ঘরের দরজা খুলে দিয়ে শত্রুর পিঠ চুলকে দেয়, আর সেই সুযোগে তেহরানের ওপর আঁচড় আসে, তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না দেশটি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা উত্তেজনার মাঝে কেন কয়েকটি আরব দেশে পাল্টা রকেট বা ড্রোন আছড়ে পড়েছিল, সেটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই এমন কড়া বার্তা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক ব্রিফিংয়ে এ কথাগুলো বলেন। আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যখন ইরানের ভৌগলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন ও ইরানের নাগরিকদের হুমকির মুখে ফেলা হয় তখন ইরান চুপ করে থাকতে পারে না।
যুদ্ধের দিনগুলোতে আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে হামলার ঘটনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাঘাই জানান, ওই দেশগুলোর নিজস্ব ভুল নীতির খেসারত হিসেবেই এমনটা হয়েছে। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এসব দেশের অত্যাধিক নির্ভরতা এবং বিশ্বাসের কারণে হয়েছে। আর কিছু ক্ষেত্রে তারা সরাসরি ইরানের ওপর হামলায় যোগ দেওয়ায় এগুলো ঘটেছে। প্রতিবেশীদের উদ্দেশে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে তেহরান- বিশ্বাস ফেরানোর রাস্তা একটাই। সেটি হলো, নিজেদের মাটি ব্যবহার করে কেউ যেন আর কোনো দিন ইরানের দিকে আঙুল তোলার সুযোগ না পায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গুঞ্জন চলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হতেই যেকোনো সময় তেহরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে ইরানও চুপ করে থাকার পাত্র নয়। ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছে, এবার আর ভৌগলিক সীমানার গণ্ডির মধ্যে আটকে থেকে শুধু নিয়মরক্ষার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে না। পরের আঘাতটা হবে আরও অনেক বেশি তীব্র ও কঠোর।
সূত্র: আল জাজিরা

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না: ইরান



