দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না: ইরান

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না: ইরান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি আবার চালু বা নিরাপদ করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ইরান। সোমবার (২ নভেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সমস্ত দায় এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের কাঁধে। তিনি জানান, ইরানি জলসীমায় মার্কিন নৌ অবরোধ না তোলা পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা চুক্তি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।
বাঘাই বলেন, সিদ্ধান্ত এখন আমেরিকার হাতে। কারণ আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ও স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে এবং ইরানের দাবিগুলোও যুক্তিসঙ্গত ও যৌক্তিক। হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, যতক্ষণ না মার্কিন নৌ অবরোধ শেষ হচ্ছে, ইরানের দাবিগুলো পূরণ হচ্ছে এবং ইরানের আইনসম্মত দাবিগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো চূড়ান্ত চুক্তি শুরু করা যাবে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা বা সুরক্ষিত করা যাবে না। এরপর আমরা এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠান। সেই কূটনৈতিক বার্তার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইরানি মুখপাত্র জানান, ওয়াশিংটন কার সঙ্গে কেমন ভাষায় বা কী সুরে কথা বলছে, তা দিয়ে তেহরান তাদের বিচার করে না। ইরানের নজর মূলত যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে কি কাজ করছে তার দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অতীত কূটনৈতিক আচরণের কড়া সমালোচনা করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন সমস্যা সমাধানের চেয়ে কূটনীতি ভেস্তে দিতেই বেশি পারদর্শী। মন্ত্রণালয়ের এ কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়েছে, কূটনীতির ক্ষেত্রে তাদের শুধু উদ্যোগেরই অভাব নেই, বরং তারা কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোও নস্যাৎ করে দেয়। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র কেবল যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে এবং যখনই কূটনীতির কোনো পথ খুলেছে, বা সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা তাতে বাধা দিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

হরমুজ প্রণালি আবার চালু বা নিরাপদ করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ইরান। সোমবার (২ নভেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সমস্ত দায় এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের কাঁধে। তিনি জানান, ইরানি জলসীমায় মার্কিন নৌ অবরোধ না তোলা পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা চুক্তি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।
বাঘাই বলেন, সিদ্ধান্ত এখন আমেরিকার হাতে। কারণ আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ও স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে এবং ইরানের দাবিগুলোও যুক্তিসঙ্গত ও যৌক্তিক। হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, যতক্ষণ না মার্কিন নৌ অবরোধ শেষ হচ্ছে, ইরানের দাবিগুলো পূরণ হচ্ছে এবং ইরানের আইনসম্মত দাবিগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো চূড়ান্ত চুক্তি শুরু করা যাবে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা বা সুরক্ষিত করা যাবে না। এরপর আমরা এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠান। সেই কূটনৈতিক বার্তার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইরানি মুখপাত্র জানান, ওয়াশিংটন কার সঙ্গে কেমন ভাষায় বা কী সুরে কথা বলছে, তা দিয়ে তেহরান তাদের বিচার করে না। ইরানের নজর মূলত যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে কি কাজ করছে তার দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অতীত কূটনৈতিক আচরণের কড়া সমালোচনা করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন সমস্যা সমাধানের চেয়ে কূটনীতি ভেস্তে দিতেই বেশি পারদর্শী। মন্ত্রণালয়ের এ কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়েছে, কূটনীতির ক্ষেত্রে তাদের শুধু উদ্যোগেরই অভাব নেই, বরং তারা কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোও নস্যাৎ করে দেয়। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র কেবল যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে এবং যখনই কূটনীতির কোনো পথ খুলেছে, বা সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা তাতে বাধা দিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না: ইরান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি আবার চালু বা নিরাপদ করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ইরান। সোমবার (২ নভেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সমস্ত দায় এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের কাঁধে। তিনি জানান, ইরানি জলসীমায় মার্কিন নৌ অবরোধ না তোলা পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা চুক্তি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।
বাঘাই বলেন, সিদ্ধান্ত এখন আমেরিকার হাতে। কারণ আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ও স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে এবং ইরানের দাবিগুলোও যুক্তিসঙ্গত ও যৌক্তিক। হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, যতক্ষণ না মার্কিন নৌ অবরোধ শেষ হচ্ছে, ইরানের দাবিগুলো পূরণ হচ্ছে এবং ইরানের আইনসম্মত দাবিগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো চূড়ান্ত চুক্তি শুরু করা যাবে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা বা সুরক্ষিত করা যাবে না। এরপর আমরা এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠান। সেই কূটনৈতিক বার্তার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইরানি মুখপাত্র জানান, ওয়াশিংটন কার সঙ্গে কেমন ভাষায় বা কী সুরে কথা বলছে, তা দিয়ে তেহরান তাদের বিচার করে না। ইরানের নজর মূলত যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে কি কাজ করছে তার দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অতীত কূটনৈতিক আচরণের কড়া সমালোচনা করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন সমস্যা সমাধানের চেয়ে কূটনীতি ভেস্তে দিতেই বেশি পারদর্শী। মন্ত্রণালয়ের এ কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়েছে, কূটনীতির ক্ষেত্রে তাদের শুধু উদ্যোগেরই অভাব নেই, বরং তারা কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোও নস্যাৎ করে দেয়। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র কেবল যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে এবং যখনই কূটনীতির কোনো পথ খুলেছে, বা সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা তাতে বাধা দিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যকে পরাশক্তিগুলোর যুদ্ধের ময়দান বানানো উচিত নয়: শি জিনপিং







