শিরোনাম

পুরো মধ্যপ্রাচ্য অন্ধকার করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
 পুরো মধ্যপ্রাচ্য অন্ধকার করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
সৌদি আরবের রিয়াদ শহর

ইরানের যেকোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে পাল্টা জবাবে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলকে ‘অন্ধকার’ করে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। কেবল মুখে নয়, হামলায় ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সুনির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার তালিকাও ইতোমধ্যে তৈরি করেছে দেশটি। সম্প্রতি ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমনটাই জানিয়েছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়’ আক্রমণ চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন। তবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং অনুরোধে তিনি সেই সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করেন। ট্রাম্পের ওই চূড়ান্ত হুমকির পরেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান তাদের এই কঠোর অবস্থান পরিষ্কার করে।

কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, মধ্যস্থতাকারীদের কাছে পাঠানো বার্তায় ইরান জানিয়েছে, তাদের কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত করা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সমমানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলোতেও একইভাবে হামলা চালানো হবে। মরুভূমির এ অঞ্চলে খাওয়ার পানির বড় ভরসাই হলো এসব পরিশোধন কেন্দ্র, ফলে সেখানে হামলা হলে পুরো অঞ্চলের জীবনযাত্রা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

এর আগে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। বিপরীতে তেহরানও ‘যেমন আঘাত, তেমন প্রত্যাঘাত’ নীতি গ্রহণ করে। পরে এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি জুলাইয়ে ভেঙে যাওয়ার পর কুয়েত ও বাহরাইনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

সূত্র: সিএনএ

/এমএকে/