মিসরকে সিনাই উপদ্বীপ হারানোর হুমকি ইসরায়েলি মন্ত্রীর

মিসরকে সিনাই উপদ্বীপ হারানোর হুমকি ইসরায়েলি মন্ত্রীর
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্প্রতি ইসরায়েলকে নতুন হুমকি দিয়েছিল ইরান। দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে ‘বিরানভূমিতে’ পরিণত করা হবে বলে জানায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একইসঙ্গে ইসরায়েলিদের মিসরের সিনাই উপদ্বীপে সরিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় ইরানের অভিজাত এই বাহিনী। এবার মিসরকে হুমকি দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।
মিসর ইসরায়েলে হামলা চালালে দেশটিকে সিনাই উপদ্বীপ হারাতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তার একটি সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় আনাদোলু এজেন্সি।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্ল্যাটফর্ম ‘আলি এক্সপ্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আশ্বাস নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন স্মোত্রিচ। সিসি সম্প্রতি বলেছেন, মিসরের ইসরায়েলের ভূখণ্ডের ওপর কোনো দাবি নেই। দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চায় না বলেও জানান তিনি।
তবে সিসির এসব বক্তব্যে আস্থা নেই বলে জানান স্মোত্রিচ। তার মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ঘোষিত উদ্দেশ্যের চেয়ে তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা যদি বুঝতে পারে যে পরবর্তীবার হামলা চালালে সিনাই আর থাকবে না, সেটিই হবে নিশ্চয়তা।’
তিনি আরও বলেন, ‘৭ অক্টোবরের ঘটনা থেকে ইসরায়েলের শিক্ষা নেওয়া উচিত। শত্রুরা কী করতে চায়, শুধু তার ওপর নির্ভর না করে তারা কী করতে সক্ষম, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।’
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি রিলিজিয়াস জায়নিজম পার্টির প্রধান স্মোত্রিচ দাবি করেন, ‘মিসরের সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। তাই দেশটির সম্ভাব্য হুমকিকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।’
মিসরের সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের শান্তিচুক্তি রয়েছে। তবে দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ ধরনের মন্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, সিনাই উপদ্বীপ মিসরের সার্বভৌম ভূখণ্ড। ১৯৬৭ সালের আরবদের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েল অঞ্চলটি দখল করে। তবে ১৯৭৯ সালের মিসর-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির পর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে নেয়। পরে ১৯৮২ সালে পুরো সিনাই মিসরের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্প্রতি ইসরায়েলকে নতুন হুমকি দিয়েছিল ইরান। দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে ‘বিরানভূমিতে’ পরিণত করা হবে বলে জানায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একইসঙ্গে ইসরায়েলিদের মিসরের সিনাই উপদ্বীপে সরিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় ইরানের অভিজাত এই বাহিনী। এবার মিসরকে হুমকি দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।
মিসর ইসরায়েলে হামলা চালালে দেশটিকে সিনাই উপদ্বীপ হারাতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তার একটি সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় আনাদোলু এজেন্সি।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্ল্যাটফর্ম ‘আলি এক্সপ্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আশ্বাস নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন স্মোত্রিচ। সিসি সম্প্রতি বলেছেন, মিসরের ইসরায়েলের ভূখণ্ডের ওপর কোনো দাবি নেই। দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চায় না বলেও জানান তিনি।
তবে সিসির এসব বক্তব্যে আস্থা নেই বলে জানান স্মোত্রিচ। তার মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ঘোষিত উদ্দেশ্যের চেয়ে তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা যদি বুঝতে পারে যে পরবর্তীবার হামলা চালালে সিনাই আর থাকবে না, সেটিই হবে নিশ্চয়তা।’
তিনি আরও বলেন, ‘৭ অক্টোবরের ঘটনা থেকে ইসরায়েলের শিক্ষা নেওয়া উচিত। শত্রুরা কী করতে চায়, শুধু তার ওপর নির্ভর না করে তারা কী করতে সক্ষম, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।’
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি রিলিজিয়াস জায়নিজম পার্টির প্রধান স্মোত্রিচ দাবি করেন, ‘মিসরের সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। তাই দেশটির সম্ভাব্য হুমকিকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।’
মিসরের সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের শান্তিচুক্তি রয়েছে। তবে দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ ধরনের মন্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, সিনাই উপদ্বীপ মিসরের সার্বভৌম ভূখণ্ড। ১৯৬৭ সালের আরবদের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েল অঞ্চলটি দখল করে। তবে ১৯৭৯ সালের মিসর-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির পর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে নেয়। পরে ১৯৮২ সালে পুরো সিনাই মিসরের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মিসরকে সিনাই উপদ্বীপ হারানোর হুমকি ইসরায়েলি মন্ত্রীর
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্প্রতি ইসরায়েলকে নতুন হুমকি দিয়েছিল ইরান। দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে ‘বিরানভূমিতে’ পরিণত করা হবে বলে জানায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একইসঙ্গে ইসরায়েলিদের মিসরের সিনাই উপদ্বীপে সরিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় ইরানের অভিজাত এই বাহিনী। এবার মিসরকে হুমকি দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।
মিসর ইসরায়েলে হামলা চালালে দেশটিকে সিনাই উপদ্বীপ হারাতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তার একটি সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় আনাদোলু এজেন্সি।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্ল্যাটফর্ম ‘আলি এক্সপ্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আশ্বাস নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন স্মোত্রিচ। সিসি সম্প্রতি বলেছেন, মিসরের ইসরায়েলের ভূখণ্ডের ওপর কোনো দাবি নেই। দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চায় না বলেও জানান তিনি।
তবে সিসির এসব বক্তব্যে আস্থা নেই বলে জানান স্মোত্রিচ। তার মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ঘোষিত উদ্দেশ্যের চেয়ে তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা যদি বুঝতে পারে যে পরবর্তীবার হামলা চালালে সিনাই আর থাকবে না, সেটিই হবে নিশ্চয়তা।’
তিনি আরও বলেন, ‘৭ অক্টোবরের ঘটনা থেকে ইসরায়েলের শিক্ষা নেওয়া উচিত। শত্রুরা কী করতে চায়, শুধু তার ওপর নির্ভর না করে তারা কী করতে সক্ষম, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।’
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি রিলিজিয়াস জায়নিজম পার্টির প্রধান স্মোত্রিচ দাবি করেন, ‘মিসরের সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। তাই দেশটির সম্ভাব্য হুমকিকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।’
মিসরের সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের শান্তিচুক্তি রয়েছে। তবে দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ ধরনের মন্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, সিনাই উপদ্বীপ মিসরের সার্বভৌম ভূখণ্ড। ১৯৬৭ সালের আরবদের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েল অঞ্চলটি দখল করে। তবে ১৯৭৯ সালের মিসর-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির পর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে নেয়। পরে ১৯৮২ সালে পুরো সিনাই মিসরের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইসরায়েলকে ‘বিরানভূমিতে’ পরিণত করার হুমকি ইরানের







