ফ্লোটিলা কর্মীদের নির্যাতন: ইসরায়েলি মন্ত্রীসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

ফ্লোটিলা কর্মীদের নির্যাতন: ইসরায়েলি মন্ত্রীসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

গাজাগামী ত্রাণবাহী নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা ও ইতালীয় আন্দোলনকর্মীদের ওপর নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং মালামাল লুটের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে রোমের প্রসিকিউটর কার্যালয়।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অভিযানে আটক হওয়া ৫০ জন ইতালীয় নাগরিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রোমের প্রসিকিউটর অফিস জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইতালি থেকে যাওয়া নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, আন্দোলনকর্মীদের অপহরণ, মারধর, ব্যক্তিগত আঘাত, ডাকাতি এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির মতো একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অধীনে থাকা সন্দেহভাজনদের তালিকায় ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পাশাপাশি দেশটির সামরিক প্রধান ইয়াল জামির এবং বিভিন্ন সামরিক, পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা রয়েছেন।
নির্যাতনের শিকার ইতালীয় অর্থনীতিবিদ লুকা পোগি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, আমাদের বিবস্ত্র করা হয়েছিল, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং লাথি মারা হয়েছিল।
তদন্তকারীরা জানায়, প্রথম অভিযানে আটক ব্যক্তিরা ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন, প্রাণনাশের হুমকি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানির কথা জানিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় অভিযানের অভিজ্ঞতা আরও ভয়াবহ। আটক আন্দোলনকর্মীদের অন্ধকারে রেখে মারধর, রাবার বুলেট নিক্ষেপ এবং টেজার গান দিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ধর্ষণসহ অন্তত ১৫টি যৌন নির্যাতনের লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
তবে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী বেন-গভির। উল্টো তিনি ঘোষণা দেন, ইসরায়েলি বাহিনীর এমন পদক্ষেপের পাশে তিনি গর্বের সঙ্গে পাশে দাঁড়াবেন।
রোমের সরকারি আইনজীবীরা জানান, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে জুন মাসেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার সেটির কোনো জবাব দিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচারিক সহযোগিতা সংস্থা ইউরোজাস্টের মাধ্যমে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে যৌথভাবে এ নিয়ে কাজ চলছে। ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইতালীয় কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হলে রোমের আদালতে তার বিচার করা সম্ভব।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

গাজাগামী ত্রাণবাহী নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা ও ইতালীয় আন্দোলনকর্মীদের ওপর নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং মালামাল লুটের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে রোমের প্রসিকিউটর কার্যালয়।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অভিযানে আটক হওয়া ৫০ জন ইতালীয় নাগরিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রোমের প্রসিকিউটর অফিস জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইতালি থেকে যাওয়া নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, আন্দোলনকর্মীদের অপহরণ, মারধর, ব্যক্তিগত আঘাত, ডাকাতি এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির মতো একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অধীনে থাকা সন্দেহভাজনদের তালিকায় ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পাশাপাশি দেশটির সামরিক প্রধান ইয়াল জামির এবং বিভিন্ন সামরিক, পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা রয়েছেন।
নির্যাতনের শিকার ইতালীয় অর্থনীতিবিদ লুকা পোগি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, আমাদের বিবস্ত্র করা হয়েছিল, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং লাথি মারা হয়েছিল।
তদন্তকারীরা জানায়, প্রথম অভিযানে আটক ব্যক্তিরা ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন, প্রাণনাশের হুমকি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানির কথা জানিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় অভিযানের অভিজ্ঞতা আরও ভয়াবহ। আটক আন্দোলনকর্মীদের অন্ধকারে রেখে মারধর, রাবার বুলেট নিক্ষেপ এবং টেজার গান দিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ধর্ষণসহ অন্তত ১৫টি যৌন নির্যাতনের লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
তবে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী বেন-গভির। উল্টো তিনি ঘোষণা দেন, ইসরায়েলি বাহিনীর এমন পদক্ষেপের পাশে তিনি গর্বের সঙ্গে পাশে দাঁড়াবেন।
রোমের সরকারি আইনজীবীরা জানান, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে জুন মাসেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার সেটির কোনো জবাব দিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচারিক সহযোগিতা সংস্থা ইউরোজাস্টের মাধ্যমে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে যৌথভাবে এ নিয়ে কাজ চলছে। ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইতালীয় কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হলে রোমের আদালতে তার বিচার করা সম্ভব।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ফ্লোটিলা কর্মীদের নির্যাতন: ইসরায়েলি মন্ত্রীসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

গাজাগামী ত্রাণবাহী নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা ও ইতালীয় আন্দোলনকর্মীদের ওপর নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং মালামাল লুটের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে রোমের প্রসিকিউটর কার্যালয়।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অভিযানে আটক হওয়া ৫০ জন ইতালীয় নাগরিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রোমের প্রসিকিউটর অফিস জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইতালি থেকে যাওয়া নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, আন্দোলনকর্মীদের অপহরণ, মারধর, ব্যক্তিগত আঘাত, ডাকাতি এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির মতো একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অধীনে থাকা সন্দেহভাজনদের তালিকায় ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পাশাপাশি দেশটির সামরিক প্রধান ইয়াল জামির এবং বিভিন্ন সামরিক, পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা রয়েছেন।
নির্যাতনের শিকার ইতালীয় অর্থনীতিবিদ লুকা পোগি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, আমাদের বিবস্ত্র করা হয়েছিল, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং লাথি মারা হয়েছিল।
তদন্তকারীরা জানায়, প্রথম অভিযানে আটক ব্যক্তিরা ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন, প্রাণনাশের হুমকি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানির কথা জানিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় অভিযানের অভিজ্ঞতা আরও ভয়াবহ। আটক আন্দোলনকর্মীদের অন্ধকারে রেখে মারধর, রাবার বুলেট নিক্ষেপ এবং টেজার গান দিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ধর্ষণসহ অন্তত ১৫টি যৌন নির্যাতনের লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
তবে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী বেন-গভির। উল্টো তিনি ঘোষণা দেন, ইসরায়েলি বাহিনীর এমন পদক্ষেপের পাশে তিনি গর্বের সঙ্গে পাশে দাঁড়াবেন।
রোমের সরকারি আইনজীবীরা জানান, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে জুন মাসেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার সেটির কোনো জবাব দিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচারিক সহযোগিতা সংস্থা ইউরোজাস্টের মাধ্যমে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে যৌথভাবে এ নিয়ে কাজ চলছে। ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইতালীয় কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হলে রোমের আদালতে তার বিচার করা সম্ভব।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ফ্লোটিলা কর্মীদের নির্যাতন-ধর্ষণের অভিযোগ







