হরমুজে মাইন বিস্ফোরণ, ২০ লাখ ব্যারেল তেলসহ সুপারট্যাংকারে আগুন

হরমুজে মাইন বিস্ফোরণ, ২০ লাখ ব্যারেল তেলসহ সুপারট্যাংকারে আগুন
সিজেডএন ডেস্ক

ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ইরানের অনুমোদনহীন রুট দিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় সামুদ্রিক মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায় ট্র্যাকিং ও রাডার সিস্টেম বন্ধ রেখে অননুমোদিত পথ ব্যবহারের সময়ই এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আগাম কোনো সমন্বয় না করে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করা এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করাই ছিল এ বিপর্যয়ের মূল কারণ।একইসঙ্গে আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছে, ইরানের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত ও সামুদ্রিক বিধিমালা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনী আরও জানায়, ইরানি সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষকে ধোঁকা দিতেই ট্যাঙ্কারটি ইচ্ছাকৃতভাবে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা এবং রাডার সিস্টেম বন্ধ করেছিল। জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষায় হরমুজ পার হতে চেয়েছিল।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে প্রণালিটি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়। জুলাই মাসে শান্তিচুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কৌশলগত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় এবং অননুমোদিত সব ধরনের যান চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে।
আইআরজিসি এর আগেও একাধিকবার সতর্কবর্তা দিয়েছিল, এ জলসীমা অতিক্রম করার আগে প্রতিটি জাহাজকে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করতে হবে। বিশেষ করে মার্কিন সামরিক প্রহরায় অননুমোদিত যেকোনো চলাচলকে সরাসরি শত্রুতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ইরানের অনুমোদনহীন রুট দিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় সামুদ্রিক মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায় ট্র্যাকিং ও রাডার সিস্টেম বন্ধ রেখে অননুমোদিত পথ ব্যবহারের সময়ই এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আগাম কোনো সমন্বয় না করে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করা এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করাই ছিল এ বিপর্যয়ের মূল কারণ।একইসঙ্গে আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছে, ইরানের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত ও সামুদ্রিক বিধিমালা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনী আরও জানায়, ইরানি সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষকে ধোঁকা দিতেই ট্যাঙ্কারটি ইচ্ছাকৃতভাবে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা এবং রাডার সিস্টেম বন্ধ করেছিল। জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষায় হরমুজ পার হতে চেয়েছিল।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে প্রণালিটি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়। জুলাই মাসে শান্তিচুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কৌশলগত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় এবং অননুমোদিত সব ধরনের যান চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে।
আইআরজিসি এর আগেও একাধিকবার সতর্কবর্তা দিয়েছিল, এ জলসীমা অতিক্রম করার আগে প্রতিটি জাহাজকে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করতে হবে। বিশেষ করে মার্কিন সামরিক প্রহরায় অননুমোদিত যেকোনো চলাচলকে সরাসরি শত্রুতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

হরমুজে মাইন বিস্ফোরণ, ২০ লাখ ব্যারেল তেলসহ সুপারট্যাংকারে আগুন
সিজেডএন ডেস্ক

ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ইরানের অনুমোদনহীন রুট দিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় সামুদ্রিক মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায় ট্র্যাকিং ও রাডার সিস্টেম বন্ধ রেখে অননুমোদিত পথ ব্যবহারের সময়ই এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আগাম কোনো সমন্বয় না করে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করা এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করাই ছিল এ বিপর্যয়ের মূল কারণ।একইসঙ্গে আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছে, ইরানের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত ও সামুদ্রিক বিধিমালা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনী আরও জানায়, ইরানি সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষকে ধোঁকা দিতেই ট্যাঙ্কারটি ইচ্ছাকৃতভাবে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা এবং রাডার সিস্টেম বন্ধ করেছিল। জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষায় হরমুজ পার হতে চেয়েছিল।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে প্রণালিটি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়। জুলাই মাসে শান্তিচুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কৌশলগত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় এবং অননুমোদিত সব ধরনের যান চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে।
আইআরজিসি এর আগেও একাধিকবার সতর্কবর্তা দিয়েছিল, এ জলসীমা অতিক্রম করার আগে প্রতিটি জাহাজকে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করতে হবে। বিশেষ করে মার্কিন সামরিক প্রহরায় অননুমোদিত যেকোনো চলাচলকে সরাসরি শত্রুতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর প্রায় সাড়ে ৭০০ আফটারশক







