জাতিসংঘের ওপর আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘের ওপর আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আমাদের বিরুদ্ধে চালানো কাপুরুষোচিত যুদ্ধ এবং পরবর্তী ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই, ইরানের জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।
আরাঘচি বলেন, এটি একটি সর্বজনীন স্বীকৃতির প্রতিফলন যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে এই সংস্থার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বা পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। কিছু রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন এবং এমনকি মানবতার সম্মিলিত বিবেককে উপেক্ষা করে দায়মুক্তভাবে কাজ করার অধিকার নিজেদের বলে দাবি করে।
তিনি বলেন, তারা নিজেদের ও তাদের মিত্রদের জন্য দায়মুক্তি দাবি করে। এর ফলে আমরা দেখছি, জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার মতো একটি অপরাধী সত্তাকে তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো কর্মকাণ্ড চালানোর অবাধ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অথচ মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রবক্তা হিসেবে নিজেদের দাবি করা পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এ বিষয়ে নীরব।

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আমাদের বিরুদ্ধে চালানো কাপুরুষোচিত যুদ্ধ এবং পরবর্তী ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই, ইরানের জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।
আরাঘচি বলেন, এটি একটি সর্বজনীন স্বীকৃতির প্রতিফলন যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে এই সংস্থার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বা পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। কিছু রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন এবং এমনকি মানবতার সম্মিলিত বিবেককে উপেক্ষা করে দায়মুক্তভাবে কাজ করার অধিকার নিজেদের বলে দাবি করে।
তিনি বলেন, তারা নিজেদের ও তাদের মিত্রদের জন্য দায়মুক্তি দাবি করে। এর ফলে আমরা দেখছি, জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার মতো একটি অপরাধী সত্তাকে তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো কর্মকাণ্ড চালানোর অবাধ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অথচ মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রবক্তা হিসেবে নিজেদের দাবি করা পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এ বিষয়ে নীরব।

জাতিসংঘের ওপর আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আমাদের বিরুদ্ধে চালানো কাপুরুষোচিত যুদ্ধ এবং পরবর্তী ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই, ইরানের জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা হারিয়েছে। মূলত ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্য নিয়েই মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।
আরাঘচি বলেন, এটি একটি সর্বজনীন স্বীকৃতির প্রতিফলন যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে এই সংস্থার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বা পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। কিছু রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন এবং এমনকি মানবতার সম্মিলিত বিবেককে উপেক্ষা করে দায়মুক্তভাবে কাজ করার অধিকার নিজেদের বলে দাবি করে।
তিনি বলেন, তারা নিজেদের ও তাদের মিত্রদের জন্য দায়মুক্তি দাবি করে। এর ফলে আমরা দেখছি, জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার মতো একটি অপরাধী সত্তাকে তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো কর্মকাণ্ড চালানোর অবাধ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অথচ মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রবক্তা হিসেবে নিজেদের দাবি করা পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এ বিষয়ে নীরব।

ফরাসি ভাষা কেন্দ্র বন্ধ করলো ইরান






