
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে ২০১ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট।
ইরানের মেহের নিউজকে ইরানের রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে ২৪টি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২০১ জন নিহত ও ৭৪৭ জন আহত হয়েছে।
রেড ক্রিসেন্টের ওই মুখপাত্র আরও জানান, রেড ক্রিসেন্টের ২২০টিরও বেশি দল হামলার স্থানগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের মধ্যাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা চালাচ্ছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইরান ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছেড়েছে তেহরান।
সূত্র: আল জাজিরা

তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল মিশন এসপাইডেসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়ে দিয়েছে ‘হরমুজ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না।’ তেল রপ্তানির জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হলো হরমুজ প্রণালী।
এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারীদের জন্য তেল রপ্তানির পথ। এই সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় তেল পাঠায় সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
সরু এ সামুদ্রিক পথটি ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে।
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ কথা জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায় ইসরায়েল। এই হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৮৫জনে দাঁড়িয়েছে।
ওই স্কুলে হামলার সময় ১৭০ জন শিক্ষার্থী ছিল। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বেঁচে আছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ খামেনির মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছিল। তারা অজ্ঞাত এক সূত্রের বরাতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি প্রাণ হারিয়েছেন।
এমন খবরের ব্যাপারে জিজ্ঞাস করলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে বলেছেন, ‘আমি যতটুকু জানি, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বেঁচে আছেন।’
তবে হামলায় তাদের দুজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন আরাগচি। আর বাকি সবাই বেঁচে আছেন।
তিনি বলেছেন, ‘উচ্চপদস্থ সব কর্মকর্তা বেঁচে আছেন। সবাই যার যার অবস্থানে আছেন এবং আমরা এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছি। সবকিছু ভালো আছে।’
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হরমোজগানের মিনাব ও জাস্কে শহরে পৃথক হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। এর মধ্যে মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়েই নিহত হয়েছেন অন্তত ৫৩ জন শিক্ষার্থী।
হরমোজগান মেডিকেল সায়েন্সেসের প্রধানের বরাত দিয়ে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, পৃথক ওই হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত ও ৯০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
মিনাব শহরের বিদ্যালয়টিতে ১৭০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। সেখানে আজ সকালে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হতাহতের এই সংখ্যাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আঞ্চলিক পরিস্থিতির সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
তারা বলেছে, ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। পাশাপাশি সব পক্ষকে উত্তেজনা এড়িয়ে সংলাপ পুনরায় শুরুর আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শিগগিরই ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছে দেশটির আল-আলাম টেলিভিশন। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার দাবির মধ্যেই এই তথ্য জানালো ইরানের টেলিভিশন। খবর আল জাজিরা।

ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সাথে পরিচিত দুটি সূত্র এবং একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একটি সূত্র বলেছে, তাদের কাছে আসা খবর ইঙ্গিত করছে খামেনি নিহত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি।
এর আগে এক প্রতিবেদনে চ্যানেল-১২ জানিয়েছিল, তাদের সূত্রের খবর অনুযায়ী ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় খামেনি অন্তত আহত হয়েছেন। এখন তারা গোপন সূত্রের বরাতে তার মৃত্যুর কথা বলছে।
তেহরান থেকে বাইরে যাওয়ার পথে ব্যাপক যানজট দেখা গেছে, বিশেষ করে উত্তরের প্রদেশগুলোর দিকে। কর্তৃপক্ষ যান চলাচল সহজ করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে প্রধান সড়কগুলোতে জ্বালানি সরবরাহও অন্তর্ভুক্ত। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ রাজধানীর প্রায় এক কোটি বাসিন্দাকে শহর ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
ইরানের রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র মোজতবা খালেদী জানিয়েছেন, দেশের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। নাগরিকদের হামলার স্থান থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সরকার জোর দিয়ে বলেছে, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে। সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোর মন্ত্রী ও গভর্নরদের প্রয়োজন হলে জরুরি পণ্য আমদানির অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল বন্ধ থাকবে। সম্ভব হলে ক্লাস অনলাইনে নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভের কারণে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই অনলাইনে ক্লাস চালু করেছিল।
সূত্র: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের আঞ্চলিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।
যৌথ বিবৃতিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘আমরা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।’
তারা আলোচনার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে চান বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছেন। আল জাজিরা

ইরানে ট্রাম্পের সামরিক হামলাকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড জে. মার্কি।
এক বিবৃতিতে মার্কি বলেন, ‘এই হামলা কংগ্রেস অনুমোদিত নয়। এটি সমস্ত আমেরিকানদের জন্য বিপদ বয়ে আনবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্পের অবৈধ কর্মকাণ্ড একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এটা ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মারাত্মক হুমকি।’
সিনেটর মার্কি বলেন, ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে ইরানের পারমাণবিক হুমকি অতি আসন্ন উল্লেখ করে তা অতিরঞ্জিত করে দেখিয়েছেন। এমনকি (গত জুনে) তার অবৈধ ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ হামলার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘বিধ্বস্ত’ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তবে এর পরও ইরানের হুমকি আসন্ন এটা বলেই যাচ্ছেন ট্রাম্প।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী হামলা আঞ্চলিক সংঘাতকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, যার পরিণতি আর সামাল দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এক বিবৃতিতে ওমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে যুদ্ধবিরতি আরোপ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে রাষ্ট্রগুলোর আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তবে সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
উল্লেখ্য, হামলার আগে ওমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছিল।
সূত্র: আল জাজিরা
ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
ফারস নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাবে ইরান। একইসঙ্গে উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় লক্ষ্য করে হামলা চলবে।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মীনাব শহরের বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আরও ৬০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।
শহরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর ইরনাকে জানিয়েছে, ইসরায়েল আজ সকালে সরাসরি স্কুলটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
তিনি আরও জানান, হামলার সময় সেখানে ১৭০ জন শিক্ষার্থী ছিল। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একতরফা সামরিক হামলা প্রত্যাখ্যান করেছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তিনি বলেছেন, তেহরানে দেশ দুটির সামরিক অভিযান উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত ও শত্রুভাবাপন্ন করছে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সানজেস আরও বলেছেন, তিনি ইরানি সরকার এবং রেভিউল্যুশনারি গার্ডের কর্মকাণ্ডও প্রত্যাখ্যান করেন।
পাশাপাশি তিনি মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা কমানো এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান।
সুত্র: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে ইরানে ব্যাপক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশ দুটি ইরানের রাজধানী তেহরানে বারবার হামলা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির নিরাপত্তা কাউন্সিল তেহরানের বাসিন্দাদের রাজধানী ছাড়তে বলেছে।
এক বিবৃতিতে নিরাপত্তা কাউন্সিল বলেছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কারণে, সম্ভব হলে, আপনারা যতটা সম্ভব শান্ত থেকে অন্যান্য শহর বা স্থানে চলে যান।’
ইরানের হামলার কারণে ইসরায়েল সরকার গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি স্কুল, কর্মক্ষেত্র বন্ধ করেছে এবং হাসপাতালের রোগীদের ভূগর্ভস্থ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।
সেনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং জনগণকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জন্য সতর্ক করেছেন।
পুলিশ জনগণকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে অনুরোধ করেছে, যাতে নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা সরঞ্জামগুলি অবাধে চলাচল করতে পারে। আল জাজিরা।
ইরানে চলমান হামলা অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আকাশ পথে ও সমুদ্র পথে ‘ব্যাপক’ হামলা চালানো অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে হামলা শুধু ইরানের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
ইরানের ‘শত শত সামরিক স্থাপনায় হামলা’ চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। বিশেষ করে ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
ইসরায়েল সামরিক বাহিনী ইরান থেকে আসা পাল্টা হামলা প্রতিরোধে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেছে।
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে আল জাজিরা।
ইরনা জানিয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে আজ একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায় ইসরায়েল। এই হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়িয়েছে।

দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র আকস্মিক হামলা চালায়। এ সময় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন ঢেউ প্রতিহত করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।
এতে বলা হয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার পর কিছুক্ষণ আগে বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে। এই মুহূর্তে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে কাজ করছে।
ইসরায়েলের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র নয়, তাই জনসাধারণকে নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

ইরানের একাধিক শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যৌথ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাটিগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে একাধিক দেশ মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। এখন পর্যন্ত নিচের এয়ারলাইন্সগুলো তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে-

ইরানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সামরিক অভিযান শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। হামলার জবাব দিতে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটিতে হামলা চালিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চলাচলকারী উড়োজাহাজের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ক্যাব)।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সব ইসরায়েলি এবং মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী আঘাতে’ আক্রান্ত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, ‘যতক্ষণ না শত্রু চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়, ততক্ষণ এই অভিযান চলবে।’
মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন সামরিক স্থাপনা ইরানের সেনাবাহিনীর জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। রয়টার্সের খবর।
ইরানকে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। একইসঙ্গে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আল জাজিরা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মীনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। তবে কোনো আহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। আল জাজিরা
জর্ডানের আকাশে দুইটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দেশটির সামরিক সূত্র জানিয়েছে।
তবে কে বা কারা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আল জাজিরা।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অন্তত একজন নিহত হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর একজন নিহত হয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, ‘এই হামলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।’
দেশটি আরও জানিয়েছে, ‘এই উত্তেজনার জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার আমিরাতের রয়েছে। আল জাজিরা।
ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আল জাজিরা আরবি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বন্ধ করার ইচ্ছার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি ইরানি জনগণের ভবিষ্যত নির্ধারণের কথাও বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় (ট্রুথ সোশ্যাল) এক ভিডিওতে ইরানি জনগণকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘আমরা যখন শেষ করব, তখন আপনারা আপনাদের সরকার গ্রহণ করবেন। এটা আপনার গ্রহণের জন্য হবে। সম্ভবত এটি আপনার প্রজন্মের একমাত্র সুযোগ।’
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা ‘সাহসী ইরানি জনগণকে তাদের ভাগ্য নিজেদের হাতে নেওয়ার জন্য পথ তৈরি করবে।’ খবর রয়টার্সের।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে একাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে তুরস্কের বিমান সংস্থা তার্কিশ এয়ারলাইন্স। কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্ডান যাত্রার সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। আল জাজিরা
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
তবে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। আল জাজিরা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা পশ্চিম ইরানে বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। আল জাজিরা।
কাতারের রাজধানী দোহায় একাধিক বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যখন জানিয়েছে ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, ঠিক তখনিই এই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলো।
বর্তমান পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। আল জাজিরা।

বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেখানে দেশটির ছোড়া মিসাইল সরাসরি আঘাত হেনেছে।
সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাহরাইনের রাজধানী মানামার জুফফাইর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখা গেছে। সেখান মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের সদরদপ্তর অবস্থিত।




যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের হামলার জেরে ইরানে ব্যাপক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রাজধানী তেহরানে বারবার হামলা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির নিরাপত্তা কাউন্সিল তেহরানের বাসিন্দাদের রাজধানী ছাড়তে বলেছে।
এক বিবৃতিতে নিরাপত্তা কাউন্সিল বলেছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কারণে, সম্ভব হলে, আপনারা যতটা সম্ভব শান্ত থেকে অন্যান্য শহর বা স্থানে চলে যান।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বাহরাইনের জুফফায়র এলাকার একটি স্থান থেকে ধোঁয়া দেখা গেছে। এই এলাকায় আমেরিকার নৌবাহিনীর ঘাঁটি অবস্থিত।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধোঁয়া ও বিস্ফোরণের ঘটনা স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করছে। খবার আল জাজিরার।
কাতার কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে সব বাসিন্দাকে ঘরের ভেতরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাসায় বা যেখানেই থাকুন না কেন, সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা থেকে দূরে থাকতে হবে।
বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার স্বার্থে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জরুরি সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
এ মুহূর্তে বিস্ফোরণের কারণ বা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে তা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর তারা ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরায়েলে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের বিরুদ্ধে শত্রু ও অপরাধী আগ্রাসনের জবাবে দখলকৃত ভূখণ্ডের দিকে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।’
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানে ‘দুই বা তার বেশি’ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এছাড়া রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানিয়েছে, ইলাম শহরের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
তাসনিম নিউজ আরও জানায়, তেহরান শহরের কেন্দ্রসহ বিভিন্ন এলাকায় ‘শত্রুর লক্ষ্যবস্তু’ মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রথমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এর কিছুক্ষণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও হামলায় যোগ দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে তিনি এ কথা জানান।
ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এগুলো হলো– গোয়েন্দাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ও পারচিন সামরিক স্থাপনা।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সামনেও হামলা হয়েছে। তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অভিযানকে বলছে ‘প্রি-এম্পটিভ‘, অর্থাৎ শত্রুপক্ষের হামলার আগেই পাল্টা হামলা চালানো।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দেশজুড়ে ‘বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ জারি করেছেন।