নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনা বিরোধীদের

নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনা বিরোধীদের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোটই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এতে পুরো দেশটির রাজনীতিতে এখন এক চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যদিও নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সর্বোচ্চ ২৭টি আসন পেয়েছে, তবুও ক্ষমতার সমীকরণ মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। আর ঠিক এই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে এক অভিনব পরিকল্পনা করছেন বিরোধীরা।
সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আরব দলগুলোর কোনো সাহায্য না নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গড়ার লক্ষ্যে দেশে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের নিয়ম চালু করতে চাইছে বিরোধী জোট। বিষয়টি বাস্তবায়নে নতুন আইন তৈরির আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন বিরোধী নেতারা বলে জানিয়েছে কয়েকটি হিব্রু ভাষার সংবাদ মাধ্যম।
নতুন প্রস্তাবটি কার্যকর হলে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারবেন, যা পার্লামেন্ট নির্বাচনের চেয়ে আলাদা হবে। মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক সংকট কাটাতে এটিকেই এখন বড় সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী পক্ষ- কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পৌঁছাতে পারেনি।
ইসরায়েলের মূল সংবিধানের মতো কাজ করা ‘দ্য গভর্মেন্ট’ আইন অনুযায়ী, নতুন যেকোনো সরকার শপথ নেয়ার আগে নেসেটের ১২০ জন সদস্যের আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়। ফলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের বিধান আনতে হলে বর্তমান আইনে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে। আর এ আইন সংশোধনের জন্য বিরোধীদের নেসেটের অন্তত ৬১ জন সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এ নিয়মটি পাস হয়ে গেলে কোনো প্রার্থী পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও সরাসরি জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার চালানের সুযোগ পাবেন। ২০২১ সালেও নির্বাচনের পর এ ধরনের প্রস্তাব সামনে এনেছিলেন নেতানিয়াহু।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোটই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এতে পুরো দেশটির রাজনীতিতে এখন এক চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যদিও নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সর্বোচ্চ ২৭টি আসন পেয়েছে, তবুও ক্ষমতার সমীকরণ মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। আর ঠিক এই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে এক অভিনব পরিকল্পনা করছেন বিরোধীরা।
সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আরব দলগুলোর কোনো সাহায্য না নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গড়ার লক্ষ্যে দেশে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের নিয়ম চালু করতে চাইছে বিরোধী জোট। বিষয়টি বাস্তবায়নে নতুন আইন তৈরির আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন বিরোধী নেতারা বলে জানিয়েছে কয়েকটি হিব্রু ভাষার সংবাদ মাধ্যম।
নতুন প্রস্তাবটি কার্যকর হলে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারবেন, যা পার্লামেন্ট নির্বাচনের চেয়ে আলাদা হবে। মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক সংকট কাটাতে এটিকেই এখন বড় সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী পক্ষ- কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পৌঁছাতে পারেনি।
ইসরায়েলের মূল সংবিধানের মতো কাজ করা ‘দ্য গভর্মেন্ট’ আইন অনুযায়ী, নতুন যেকোনো সরকার শপথ নেয়ার আগে নেসেটের ১২০ জন সদস্যের আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়। ফলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের বিধান আনতে হলে বর্তমান আইনে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে। আর এ আইন সংশোধনের জন্য বিরোধীদের নেসেটের অন্তত ৬১ জন সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এ নিয়মটি পাস হয়ে গেলে কোনো প্রার্থী পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও সরাসরি জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার চালানের সুযোগ পাবেন। ২০২১ সালেও নির্বাচনের পর এ ধরনের প্রস্তাব সামনে এনেছিলেন নেতানিয়াহু।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনা বিরোধীদের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোটই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এতে পুরো দেশটির রাজনীতিতে এখন এক চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যদিও নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সর্বোচ্চ ২৭টি আসন পেয়েছে, তবুও ক্ষমতার সমীকরণ মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। আর ঠিক এই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে এক অভিনব পরিকল্পনা করছেন বিরোধীরা।
সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আরব দলগুলোর কোনো সাহায্য না নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গড়ার লক্ষ্যে দেশে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের নিয়ম চালু করতে চাইছে বিরোধী জোট। বিষয়টি বাস্তবায়নে নতুন আইন তৈরির আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন বিরোধী নেতারা বলে জানিয়েছে কয়েকটি হিব্রু ভাষার সংবাদ মাধ্যম।
নতুন প্রস্তাবটি কার্যকর হলে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারবেন, যা পার্লামেন্ট নির্বাচনের চেয়ে আলাদা হবে। মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক সংকট কাটাতে এটিকেই এখন বড় সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী পক্ষ- কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পৌঁছাতে পারেনি।
ইসরায়েলের মূল সংবিধানের মতো কাজ করা ‘দ্য গভর্মেন্ট’ আইন অনুযায়ী, নতুন যেকোনো সরকার শপথ নেয়ার আগে নেসেটের ১২০ জন সদস্যের আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়। ফলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের বিধান আনতে হলে বর্তমান আইনে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে। আর এ আইন সংশোধনের জন্য বিরোধীদের নেসেটের অন্তত ৬১ জন সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এ নিয়মটি পাস হয়ে গেলে কোনো প্রার্থী পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও সরাসরি জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার চালানের সুযোগ পাবেন। ২০২১ সালেও নির্বাচনের পর এ ধরনের প্রস্তাব সামনে এনেছিলেন নেতানিয়াহু।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েলে ইহুদি-আরব যৌথ সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ







