ইয়েমেনের বন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনের বন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা সৌদি আরবের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এবার লোহিত সাগরের পাশে অবস্থিত ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। এসব হামলায় সেখানে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) হুথিদের স্বস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট লোহিত সাগরের রাস ইসা বন্দরে প্রথমে হামলা চালায়। এতে ৪ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন। এরপর তারা বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনাকেও টার্গেট করে। সেখানে আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। তারাও বেসামরিক ব্যক্তি বলে জানিয়েছেন এ হুথি কর্মকর্তা।
তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বারবার হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে জানান আনিস। জোটটি ইয়েমেনে বেসামরিক ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যেসব যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে, এটি তার আরেকটি সংযোজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত জুলাইয়ে ইয়েমেনের জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারকে হামলায় সৌদি আরবের সমর্থনের কারণে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। এর ফলে আবারও গৃহযুদ্ধের কবলে পড়েছে ইয়েমেন। এতে দেশটিতে নতুন করে ৩ লাখের অধিক মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে।
এর আগে ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে হুথিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো শুরু করে সৌদি আরব। ২০২২ সাল পর্যন্ত হামলা চালিয়েও হুথিদের তারা হটাতে পারেনি। ওই বছর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে এটি আবার ভেস্তে যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এবার লোহিত সাগরের পাশে অবস্থিত ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। এসব হামলায় সেখানে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) হুথিদের স্বস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট লোহিত সাগরের রাস ইসা বন্দরে প্রথমে হামলা চালায়। এতে ৪ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন। এরপর তারা বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনাকেও টার্গেট করে। সেখানে আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। তারাও বেসামরিক ব্যক্তি বলে জানিয়েছেন এ হুথি কর্মকর্তা।
তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বারবার হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে জানান আনিস। জোটটি ইয়েমেনে বেসামরিক ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যেসব যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে, এটি তার আরেকটি সংযোজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত জুলাইয়ে ইয়েমেনের জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারকে হামলায় সৌদি আরবের সমর্থনের কারণে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। এর ফলে আবারও গৃহযুদ্ধের কবলে পড়েছে ইয়েমেন। এতে দেশটিতে নতুন করে ৩ লাখের অধিক মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে।
এর আগে ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে হুথিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো শুরু করে সৌদি আরব। ২০২২ সাল পর্যন্ত হামলা চালিয়েও হুথিদের তারা হটাতে পারেনি। ওই বছর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে এটি আবার ভেস্তে যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইয়েমেনের বন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা সৌদি আরবের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এবার লোহিত সাগরের পাশে অবস্থিত ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। এসব হামলায় সেখানে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) হুথিদের স্বস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট লোহিত সাগরের রাস ইসা বন্দরে প্রথমে হামলা চালায়। এতে ৪ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন। এরপর তারা বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনাকেও টার্গেট করে। সেখানে আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। তারাও বেসামরিক ব্যক্তি বলে জানিয়েছেন এ হুথি কর্মকর্তা।
তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বারবার হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে জানান আনিস। জোটটি ইয়েমেনে বেসামরিক ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যেসব যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে, এটি তার আরেকটি সংযোজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত জুলাইয়ে ইয়েমেনের জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারকে হামলায় সৌদি আরবের সমর্থনের কারণে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। এর ফলে আবারও গৃহযুদ্ধের কবলে পড়েছে ইয়েমেন। এতে দেশটিতে নতুন করে ৩ লাখের অধিক মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে।
এর আগে ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে হুথিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো শুরু করে সৌদি আরব। ২০২২ সাল পর্যন্ত হামলা চালিয়েও হুথিদের তারা হটাতে পারেনি। ওই বছর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে এটি আবার ভেস্তে যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

সৌদির উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা







